Press "Enter" to skip to content

নতুন বছরে জনদরদী মোদী সরকার দেশবাসীকে দিতে চলেছে এক সুন্দর উপহার !

ফের দেশের জনগণের জন্য বড় উপহার। দেশের জনগণের কথা ভেবে মোদী সরকার দিলেন এক বড় উপহার। মোদী সরকার ক্ষমতায় আসার পর জানিয়েছিল  যে মরনরোগ ক্যান্সারের জন্য দেশের আর কোনো গরিব মানুষ বিনা চিকিৎসায় যাতে মারা না যায় সেই ব্যাপারে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। আর সেটা যে শুধুমাত্র ক্ষমতায় আসার জন্য ভোটের লোভে প্রতিশ্রুতি দেন নি সেটা প্রমাণ করে দিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। আগামী বছর অর্থাৎ ২০১৯ সালের প্রথম দিকেই খুলে যাচ্ছেন ভারতবর্ষের সবথেকে বড় ক্যান্সার হাসপাতাল। জেপি নাড্ডা যিনি কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্যমন্ত্রী তিনি এইদিন জানিয়েছেন যে, হরিয়ানার ঝজ্জরে খোলা হচ্ছে দেশের বৃহত্তম ক্যান্সার হাসপাতালটি।

 

আর সেটা খোলা হবে খুব তাড়াতাড়ি অর্থাৎ আগামী বছর জানুয়ারি মাসের তৃতীয় সপ্তাহেই। মনে করা হচ্ছে দেশের এই এতবড় হাসপাতালটি একটা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে ক্যান্সার নিরাময়ের ক্ষেত্রে। এর পাশাপাশি এই হাসপাতালের ফলে বেশ সুবিধাজনক চিকিৎসা পেতে চলেছে উত্তর ভারতের রাজ্য গুলি। এর ফলে আগে যেসমস্ত রাজ্য গুলির রোগীদের চিকিৎসার জন্য যেতে হত মুম্বাই এখন আর সেই রাজ্য গুলি অর্থাৎ দিল্লি, রাজস্থান, এবং পাঞ্জাব এর রোগীদের ছুটে ছুটে চিকিৎসা করানোর জন্য মুম্বাই যেতে হবে না। খুব কাছেই তাদের জন্য সুচিকিৎসার ব্যবস্থা হয়ে যাবে।কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্যমন্ত্রী জেপি নাড্ডা এইদিন একটি অনুষ্ঠানে এসে সাংবাদিকদের জানালেন যে, এই হাসপাতালটি দেশবাসীর জন্য উঠস্বর্গ করা হবে জানুয়ারি মাসেই। তিনি এইদিন আরও জানালেন যে, উনাকে হাসপাতালের কাঠমো সম্ভন্ধে প্রশ্ন করা হলে উনি জানান যে, এই হাসপাতালে ৭১০ টি বেড রয়েছে, যার মধ্যে ক্যান্সার রোগীদের জন্য বরাদ্দ রয়েছে ২০০ টি বেড।

বিশেষ সূত্রে জানা গিয়েছে যে, গতসপ্তাহেই আংশিকভাবে শুরু হয়ে গিয়েছে বহিরাগত চিকিৎসা।এই হাসপাতালে থাকছে উন্নত মানের ক্যান্সার চিকিৎসা। ক্যান্সারের উন্নত চিকিৎসার জন্য এখানে অন্যান্য সুবিধার  সাথে উপলদ্ধ থাকছে রেডিয়েশন এবং অস্ত্রপচার সুবিধা। এমনকি চিকিৎসার মান উন্নত করার জন্য এই হাসপাতাল কে জুরে দেওয়া হবে এইমসের সাথে। এখানে থাকবে ভারতের নিজস্ব কোষ ব্যাঙ্ক। জানা গিয়েছে যে, এইমসে রোগী সংখ্যা অনেক বেশি হয়ে যাওয়ার জন্য অনেক রোগীকে এখানে রেফার করা হবে। যার ফলে এইমসের চাপ কিছুটা কম করা সম্ভব হবে।উল্লেখ্য, এই হাসপাতাল তৈরি করার ব্যাপারে বারবার তৎকালীন কেন্দ্রীয় সরকার অর্থাৎ কংগ্রেস সরকারের কে আবেদন করা হয়েছিল।

কিন্তু তারা এই কথায় কান দেন নি। কিন্তু ২০১৪ সালে যখন দেশে বিজেপি সরকার আসে তারপর তারা এই হাসপাতাল তৈরির কাজ শুরু করে। অবশেষে মোদী সরকারের প্রচেষ্টায় এই হাসপাতাল তৈরি সম্পূর্ণ হল। যার ফলে উপকৃত হবেন দেশের লক্ষ্য লক্ষ্য ক্যান্সার রোগী।
#অগ্নিপুত্র

7 Comments

Leave a Reply

Your email address will not be published.