Press "Enter" to skip to content

মমতা ব্যানার্জীর নতুন নাটক! বললেন থাকতে চাইনি মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে, দিতে চেয়েছিলাম ইস্তফা।

লোকসভার নির্বাচনের পর নরেন্দ্র আরো শক্তিশালী প্রধানমন্ত্রী রূপে সামনে এসেছেন। আগে বিজেপির ২৮২ টি সাংসদ ছিল কিন্তু এখন সেই সংখ্যা ৩০৩ এ পৌঁছে গেছে। রাহুল গান্ধী থেকে শুরু করে কংগ্রেসে বড় বড় নেতা এবং পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জী পর্যন্ত মোদীকে নিয়ে হতাশ হয়ে পড়েছে। মমতা একটু বেশি চিন্তিত কারণ পশ্চিমবঙ্গে TMC কোনঠাসা হয়ে পড়েছে। শুধু তাই নয়, মমতা ব্যানার্জীর ঘনিষ্ঠ রাজীব কুমারও সিবিআই এর ফাঁদে পড়ে গেছে। মমতা ব্যানার্জী ৪২ টি লোকসভা আসনের মধ্যে ৪২ টি তেই জয় পাবেন বলে দাবি করেছিলেন। কিন্তু সেই দাবি বাস্তবে পরিণত হওয়া তো দূর, উল্টে আসন কমে ২২ টি তে দাঁড়িয়ে গেছে। যার জন্য মমতা ব্যানার্জী খুবই বড় চিন্তায় পড়েছেন।

মজবুত নরেন্দ্র মোদীর এফেক্ট এখন দেখা যেতে শুরু হয়েছে। মোদীর বিশাল জয়ের পরেই রাহুল গান্ধী ইস্তফা দেওয়ার ইচ্ছা প্ৰকাশ করেছিল। যা নিয়ে চূড়ান্ত রাজনৈতিক নাটক শুরু হয়েছিল। আর আজ পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জী ইস্তফা দেওয়া প্রসঙ্গ তুলে রাজনৈতিক উথালপাথাল ধরিয়ে দিয়েছেন। মমতা ব্যানার্জী বলেছেন আমি এই ভাবে সরকার চালাতে চাইনি,  ইস্তফা দিতে চেয়েছিলাম। এখন প্ৰশ্ন উঠেছে যে, মমতা তো নিজের পার্টির নিজেই নেত্রী। তাহলে উনি কার কাছে ইস্তফা পেশ করতে চান। উনি তো চাইলে রাজ্যপালের কাছে ইস্তফা পত্র জমা দিতে পারেন।

স্পষ্টতই এটাকে আরো এক রাজনৈতিক নাটক বলে ট্রোল করা শুরু হয়েছে। মমতা ব্যানার্জী নির্বাচন কমিশনের উপর অভিযোগ তোলেন এবং বলেন, বিজেপিকে সাথ দিয়েছে নির্বাচন কমিশন। এটা সেই মমতা ব্যানার্জী যিনি বলেছিলেন, হার মানব না। মোদীকে কাঁকরের মিষ্টি খাওয়ানোর কথাও বলেছিলেন মমতা। একই সাথে মোদীকে গণতন্ত্রের থাপ্পড় মারার কথাও বলেছিলেন। কিন্তু শক্তিশালী মোদীর এফেক্ট শুরু হয়েছে। যার জন্য মমতা ব্যানার্জীর মুখ থেকে এখন ইস্তফার মতো শব্দ শোনা যেতে শুরু হয়েছে।