Press "Enter" to skip to content

যোগী আদিত্যনাথের চাণক্যনীতিতে ভেঙে পড়লো কংগ্রেস ! উত্তরপ্রদেশে নতুন নিয়ম লাগা করলো যোগী সরকার

এই মুহূর্তে উত্তরপ্রদেশ আমাদের দেশের অন্যতম শ্রেষ্ঠ রাজ্য। আর এই উত্তরপ্রদেশের বহুদিন ধরে শাসন চালিয়েছে শৈলচারী রাজনৈতিক দল সমাজবাদী পার্টি। সমাজবাদী পার্টির শাসনে অতিষ্ট হয়ে উত্তরপ্রদেশের জনগণ ২০১৭ সালের বিধানসভা নির্বাচনে ক্ষমতায় আনেন দেশপ্রেমিক রাজনৈতিক দল বিজেপি কে। ২০১৭ সালে উত্তরপ্রদেশে বিজেপির জয়লাভের পর সেখানের মুখ্যমন্ত্রী হিসাবে শপথ গ্রহণ করেন যোগী আদিত্যনাথ মহাশয়। আর মুখ্যমন্ত্রী হবার পর থেকে যোগিজি লাগাতার কাজ করে চলেছেন উত্তরপ্রদেশ কে এক সমৃদ্ধশালী রাজ্যে পরিণত করার জন্য। কারন যোগীজি জানতেন যে উত্তরপ্রদেশবাসী যোগীজিকে মুখ্যমন্ত্রী বানিয়েছেন অনেক আশা করে। তাদের দুর্দিন দূর করার আসা করেই তারা যোগিজির হাতে নিজেদের রাজ্যের শাসন ক্ষমতা তুলে দেন। তাই তাদের দেওয়া কথা রাখার জন্য যোগিজি নিজের সবকিছু দিয়ে উত্তরপ্রদেশের উন্নয়ন করে চলেছেন। যোগীজি নিজের দেওয়া কথা রেখেছেন। আর যোগীজির এইসব কাজকর্ম দেখার পর এই মুহূর্তে উত্তরপ্রদেশের জনগণের কাছে যোগীজি হয়ে উঠেছেন সবচেয়ে জনপ্রিয় মুখ্যমন্ত্রী। উত্তরপ্রদেশবাসী যোগীজির প্রশংসায় পঞ্চমুখ। আর এবার এই সব কিছুর মাঝেই উত্তরপ্রদেশের জনগণ কে যোগীজি দিলেন এক সুন্দর উপহার।

 

বিশেষ সূত্রে খবর অনুযায়ী জানা গিয়েছে যে, আমাদের দেশের প্রাপ্তন প্রধানমন্ত্রী স্বর্গীয় অটল বিহারী বাজপেয়ীজির ৯৫ তম জন্মতিথি উপলক্ষে সমগ্র রাজ্যবাসী উপহার দিলেন উত্তরপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী তথা হিন্দুধর্মের পোস্টার বয় যোগী আদিত্যনাথ। তথ্য অনুযায়ী জানা গিয়েছে আগে উত্তরপ্রদেশে শুধুমাত্র ৬০ বছরের উর্দ্ধে নিরক্ষর মহিলাদের দেওয়া হত মাসিক ভাতা। কিন্তু যোগীজি এবার ঘোষণা করে জানিয়ে দিলেন যে এই ৬০ বছরের যে মাত্রা রয়েছে পেনশনের সেটা তুলে দেওয়া হবে। অর্থাৎ এবার থেকে নিরক্ষর মহিলাদের পেনশন পাওয়ার জন্য ৬০ বছর বয়স হওয়া জরুরী নয়। আর যোগীজির এই ঘোষণার পর খুশির হাওয়া দেখা গেল সমগ্র উত্তরপ্রদেশবাসীদের মধ্যে বিশেষ করে উত্তরপ্রদেশের মহিলাদের মধ্যে। আর সবচেয়ে অবাক ব্যাপার হল যোগীজির এই কাজে খুশি হয়ে সমগ্র উত্তরপ্রদেশবাসী এখন থেকেই বলতে শুরু করে দিয়েছেন যে ২০১৯ সালে তারা ফের একবার মোদীজিকে দেশের প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দেখতে চান।

যোগিজি এই ঘোষণা করার পর জানিয়েছেন যে, আমি সত্যি অবাক হয়ে যাচ্ছি যে, এতদিন অব্দি এই বয়সসীমা বাঁধা ছিল পেনশনের ক্ষেত্রে। এটা কোনো ভাবেই মেনে নেওয়া যায় না কারণ নিরক্ষর মহিলাদের ভালোর জন্য যখন এই নিয়ম করা হয়েছে তখন বয়সসীমা কেন। এতে তো উনাদের প্রতি অবমাননা করা হচ্ছে। তাই আমি নিরক্ষর মহিলাদের সুবিধার জন্য এই বয়সসীমা দিলাম।

বিভিন্ন রাজনৈতিক বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন যে যোগী আদিত্যনাথের এই যুগান্তকারী সিদ্ধান্তের জন্য ২০১৯ লোকসভা নির্বাচনে ব্যাপক লাভবান হবেন বিজেপি শিবির। আর এই সিদ্ধান্তের ফলে আগামী লোকসভা নির্বাচনে উত্তরপ্রদেশে খড়ের টুকরোর মতো উড়ে যাবে কংগ্রেস বাহিনী। অর্থাৎ রাহুল গান্ধী এবং কংগ্রেসের জন্য এটা একটা অত্যন্ত দুর্ভাগ্যজনক সিদ্ধান্ত।
#অগ্নিপুত্র

Be First to Comment

Leave a Reply

Your email address will not be published.