Press "Enter" to skip to content

চন্দ্রযানের পর পালা সূর্য, মঙ্গল ও শুক্র ! ISRO এর নতুন প্রজেক্ট বদলে দেবে ভারতের ছবি।

() বিশ্বের সেরা মহাকাশ গবেষণা সংস্থার মধ্যে একটা। এই সংস্থা খুব কম খরচে ভালো পরিষেবা দেওয়ার জন্য খ্যাতি লাভ করেছে। এখন পর্যন্ত ১০৩ টি মহাকাশ যান মিশন এবং ৭২ টি লঞ্চ মিশন সম্পূর্ণ করেছে। ের প্রতিবেশী দেশগুলির নানা উপগ্রহকে মহাকাশে প্রেরণ করে ভারতকে সামরিক শক্তির দিক থেকে শক্তিশালী করার জন্য বড় ভূমিকা পালন করেছে। কম খরচে পরিষেবা দেওয়ার কারণে এর কাছে জাপান, আমেরিকা থেকেও নানা সংস্থা ছুটে আসে। ইজরায়েল, জাপান, আমেরিকা ও কিছু ইউরোপীয় দেশ সহ ৩২ টি দেশের ২৬৯ টি উপগ্রহকে প্রেরণ করেছে।

মাত্র কয়েকদিন পরেই ISRO চন্দ্রযান-২ লঞ্চ করতে চলেছে যার উপর পুরো বিশ্বের নজর রয়েছে। এটা ভারতের প্রথম মুন ল্যান্ডিং ও রোভার মিশন। তবে এই প্রজেক্টের পর ISRO আরো কিছু বিশেষ মিশনের লঞ্চ করবে। প্রাপ্ত অনুযায়ী চন্দ্রযান-২ এর পর ISRO আরো একটা যান চাঁদে লঞ্চ করার পরিকল্পনা করে ফেলেছে। এই তৃতীয় চন্দ্রযান মিশন ২০২০ সালের শেষ দিকে সম্পূর্ণ করা হবে।

এরপর ISRO সূর্যের দিকে নিজের পা বাড়াবে। সূর্যের জন্য ISRO আদিত্য L-1 নামের সোলার প্রব মিশন লঞ্চ করবে। এই মিশনে সূর্যের কিরণ, সৌর অগ্নি, তাপমাত্রা, চৌম্বক ক্ষেত্র এবং পৃথিবীর প্রভাব সহ অন্যান্য মাত্রার পরীক্ষা করা হবে। পরের প্রজেক্টে NASA ও ISRO একসাথে কাজ করবে। এটা সবথেকে দামি আর্থ অবজারভেশন প্রজেক্ট হবে। এই প্রজেক্টে প্রায় ১০ হাজার কোটি টাকা খরচ হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। ISRO মঙ্গল গ্রহে আগেও মঙ্গলযান প্রেরণ করেছে। ২০২১-২২ নাগাদ আরো একবার মঙ্গলযান অর্থাৎ মার্স অর্বিট মিশন-২ রওনা করানো হবে।

এবার ISRO মঙ্গলে ল্যান্ডার ও রোভার নামানোর পরিকল্পনা করেছে। যাতে যাতে মঙ্গলের পৃষ্ঠ, পরিবেশ, বিকিরণ, ঝড়, তাপমাত্রা ইত্যাদির অধ্যয়ন করা যেতে পারে। ISRO শুক্র গ্রহে পৌঁছানোর লক্ষও করে ফেলেছে। The Indian Venusian Mission এর মাধ্যমে শুক্র গ্রহের বায়ুমণ্ডলের অধ্যয়ন করা হবে। ২০২৩ সাল পর্যন্ত ISRO এই মিশন সম্পূর্ণ করবে।
এর পরে, ISRO সবচেয়ে আকাঙ্ক্ষিত পরিকল্পনা অবতার (AVATAR) পূরণে মনোনিবেশ করবে। এই প্রকল্প, ট্রান্সটোমস্ফিয়ারিক হাইপারসনিক এয়ারস্পেস ট্রান্সসপোটেশনয়ের জন্য এয়ারোবিক ভেহিকল নামে পরিচিত, উপগ্রহগুলির লঞ্চের জন্য একটি যানের একাধিকবার ব্যবহার করা যেতে পারে। এই রকেট তৈরীর খরচ সংরক্ষণ করা যাবে। এই প্রজেক্টের উপর DRDO সাহায্য করবে। এই মিশনের জন্য সরকার ২০২৫ সাল পর্যন্ত টার্গেট নিয়েছে।