Press "Enter" to skip to content

বিজেপি রাষ্ট্রীয় সভাপতি হিসেবে অমিত শাহের কার্যকাল শেষ! এবার নতুন সভাপতি হতে চলেছেন…

২০১৯ এর লোকসভাকে কেন্দ্র করে ভারতীয় জনতা পার্টি তাদের প্রস্তুতি শুরু করে দিয়েছে। দেশে প্রধানমন্ত্রী মোদীর লাগাতার বৃদ্ধি পাওয়া লোকপ্রিয়তা এবং ের শক্তিশালী কূটনীতির সামনে বিরোধীদের অবস্থা একেবারে শোচনীয় হয়ে পড়েছে। এর মধ্যেই বিজেপির কার্যকরণীর বৈঠক শুরু হয়ে গিয়েছে। যেখানে নির্বাচনী রণনীতির উপর মন্থন করা হয়েছে। এই বৈঠকে অমিত শাহের কার্যকালকে নিয়ে বড়ো সিধান্ত নেওয়া হয়েছে। আসলে আমিত শাহের সভাপতিত্বে বিজেপি অনেকগুলি রাজ্যে নির্বাচনে জয়ী হয়েছে এবং কিছু রাজ্যে তো এই প্রথমবার বিজেপি নিজেদের পতাকা গর্বের সাথে উড়িয়েছে। অমিত শাহ পার্টিকে মজবুত করার সাথে সাথে কার্যকর্তাদের উৎসাহিত করতে কোনো খামতি রাখেন না। এই কারণেই পার্টির কর্মীরা নিজের সমগ্র প্রচেষ্টা প্রয়োগ করতে কমতি রাখেন না।

এর ফল বিজেপি হাতেনাতে পেয়েয় চলেছে। যদিও বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি হিসেবে তার সময়কাল জানুয়ারিতে শেষ হতে চলেছে। যা নিয়ে বিজেপি বড়ো সিধান্ত নিয়ে ফেলেছে। জানিয়ে দি অমিত সাহের কার্যকাল বিজেপির সভাপতির মধ্যে সবথেকে সফল সভাপতি হিসেবে ছিল। অমিত শাহ প্রথমত রাজনাথ সিং এর অসম্পূর্ণ কার্যকাল সম্পূর্ণ করেন। এরপর উনি ২৪ জানুয়ারি ২০১৬ তে নিরবিরোধ তিন বছরের জন্য নির্বাচিত হয়েছিলেন।

পার্টির নিয়ম অনুসারে প্রার্থী তিন বছরের জন্য সভাপতি পদে থাকতে পারবেন। জী নিউজ থেকে পাপ্ত খবর অনুযায়ী ২০১৯ নির্বাচন সামনে থাকায় পার্টি সভাপতি পরিবর্তনের দিকে মন দিতে চাইছে না এবং এখন এই বিষয়টিকে স্থগিত রাখার সিধান্ত নিয়েছে। অর্থাৎ এখন ২০১৯ লোকসভা নির্বাচন পর্যন্ত বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি পদে অমিত শাহ থাকছেন। অমিত শাহ এই ব্যাপারে পার্টি পদাধিকারিকদের সাথে, রাজ্য বিজেপি প্রমুখ ও মহা সচিবদের সাথে আলোচনাও করেছেন।

রাষ্ট্রীয় কার্যকরিনি ও মহাসচিবদের সাথে এই বিষয়ে চর্চাও সম্পন্ন হওয়ার পর এবার রাষ্ট্রীয় কার্যকরিনি এই বিষয়ে একটা পস্তাব পেশ করবে যার মাধ্যমে অমিত শাহের কার্যকালকে বাড়ানো হবে। যার মাধ্যমে এটা নিশ্চিত হবে যে অমিত শাহ লোকসভার নির্বাচন অবধি সর্বভারতীয় সভাপতি পদে থাকবেন। অর্থাৎ ২০১৯ নির্বাচনের লড়াই অমিত সাহের সভাপতিত্বেই হবে। অমিত শাহের কূটনৈতিক বুদ্ধির কারনেই বিজেপি অনেকগুলি রাজ্যকে দখল করেছিল। এই কারণে অমিত শাহকে বিজেপির চান্যক বলা হতো যদিও তিনি এই নামটি নিতে অস্বীকার করতেন। আমিত শাহের বক্তব্য ছিল এত মহান ব্যাক্তির সাথে তার তুলনা করা অনুচিত।