in ,

NIA এর চাঞ্চল্যকর রিপোর্ট! নিজের বেস তৈরী করতে ভারতের মাদ্রাসায় অর্থ জোগান দিচ্ছে হাফিজ সঈদ।

দেশের গোয়েন্দা সূত্র থেকে বিশেষ ভাবে খবরটি পাওয়া যাচ্ছে যে সন্ত্রাসবাদের মদত দেয়ার জন্য দেশের বিভিন্ন জায়গায় অর্থের যোগান নিয়ে বড়সড় একটা চক্রান্ত চলছে। ন্যাশনাল ইনভেস্টিগেশন এজেন্সি যখন সন্ত্রাস দমন ব্যাপারগুলো নিয়ে তদন্ত করতে গিয়েছিল সেই সময় তাদের হাতে উঠে এসেছে বিশেষ কিছু গুরুত্বপূর্ণ তথ্য। জঙ্গি সংগঠন লস্কর-এ-তৈবা যেটা মূলত পাকিস্থানে অবস্থিত সেই জঙ্গি সংগঠনগুলি ভারতবর্ষের কয়েকটি মাদ্রাসাতে অর্থের যোগান দিচ্ছে এমনটাই দাবি করা হয়েছে দেশের জাতীয় তদন্তকারী সংস্থার তরফে। প্রাথমিক তদন্তে গোয়েন্দারা যে সমস্ত বিশেষ মাদ্রাসাগুলি চিহ্নিত করেছেন তাদের মধ্যে রয়েছে হরিয়ানার মেওয়াত সহ বেশ কয়েকটি মাদ্রাসা।

এনআইএ তরফে দাবি করা হয়েছে যে এই দেশে নিজেদের ঘাঁটি মজবুত করার জন্য লস্কর হরিয়ানার মেওয়াত সহ আরো বেশ কয়েকটি মাদ্রাসাকে অর্থের লোভ দেখিয়ে নিজেদের আয়ত্তে আনার চেষ্টা করছে। গত সপ্তাহে এন আই এর জালে ধরা পড়েছে দিল্লি থেকে তিন হাওয়ালা ট্রেডার। তাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ সন্ত্রাসবাদীদের বিভিন্ন ভবে আর্থিক সহায়তা করা।

গ্রেপ্তার হওয়া ব্যক্তিদের মধ্যে ছিলেন সালমান নামে একজন সে পুলিশি জেরার কাছে নত হয় এবং স্বীকার করে নেন যে, ফলাহ-এ-ইনসানিয়ত নামে একটি সংস্থা যেটা দুবাইয়ে আছে সেই সংস্থাটি হল হাফিজ সঈদের সে ওই সংস্থার হয়েই কাজ করে এবং বিভিন্ন দেশে গিয়ে গিয়ে অর্থ বিনিয়োগ করে।

তাদেরকে জেরা করে এন আই এ এর কাছে উঠে আসে আরও বেশ কিছু চাঞ্চল্যকর তথ্য। জানা গিয়েছে এই হাওয়ার মাধ্যমে অর্থ পৌঁছে দেওয়া হয় জম্মু ও কাশ্মীরে বিচ্ছিন্নতাবাদীদের ও সন্ত্রাসবাদী কাছে। এবং সেখান থেকেই দেশের বিভিন্ন জায়গায় নাশকতামূলক কাজে অর্থ জোগান দেওয়া হয়।
#অগ্নিপুত্র

এবার কলকাতা শহরে বড়ো ভাঙ্গন তৃণমূলের! মুকুল রায়ের হাত ধরে বিজেপিতে যোগ তৃণমূললের….

মহালয়ার পূণ্য দিনে তর্পণ করে উঠে, তৃণমূলকে ২০ এর বেশি আসন না দেওয়া প্রতিজ্ঞা করলেন মুকুল রায়।