Press "Enter" to skip to content

মুসলিম সম্প্রদায়ের নিকাহ হালালা প্ৰথা এক প্রকারের ধর্ষন, এটা ব্যান করা হোক:দিল্লি মহিলা কমিশন।

কমিশনের (DCW) চেয়ারম্যান স্বাতি মালিওয়াল,  হালালা  ও বহু বিয়ে (একাধিক স্ত্রীকে রাখার বিষয়ে ঐতিহ্য) সম্পর্কে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির কাছে একটি চিঠি লিখেছেন। স্বাতি মালিওয়াল চিঠি লিখে দাবি জানিয়েছেন বিলের মধ্যে নিকাহ হালালা ও বহুবিবাহকে যুক্ত করা হোক। স্বাতি মালিওয়াল বলেছেন নিকাহ হালালা এবং ের মধ্যে কোন পার্থক্য নেই। উনি ত্রিপিল তালাক বিলকে সংসদে পাশ হওয়ার আশা প্রকাশ করেছেন। একই সাথে নিকাহ হালালাকে ব্যান করার দাবি তুলে বলেছেন এটা একটা অমানবীয় জগন্য কুপ্ৰথা।

হালালা কি?- আসলে মুসলিম সম্প্রদায়ে কোনো পুরুষ যদি তার বিবিকে তালাক দিয়ে দেয় তাহলে ওই মহিলা তার স্বামীর সাথে থাকতে পারবে না। এবার যদি মহিলাটি আবার তার স্বামীর সাথে নিকাহ বা বিয়ে করতে চাই তবে তাকে প্রথমে এক অন্য পুরুষের সাথে নিকাহ করে তার সাথে শারীরিক সম্পর্ক করতে হবে। এরপর ওই পুরুষের থেকে তালাক নিয়ে প্রথম স্বামীর সাথে পুনরায় নিকাহ করতে পারবে। অনেকে এটাকে একটা বর্বর কুপ্রথা বলে গণ্য করে কারণ এতে সরাসরিভাবে নারীর উপর অত্যাচার করা হয়।

মোদী সরকার ত্রিপিল তালাক বিলকে কানুনে পরিবর্তন করার জন্য ভরপুর প্রয়াস করছে। কেন্দ্র সরকার চাইলে এখন রাম মন্দির নির্মানের বিল এনে মন্দির তৈরির প্রয়াস করতে পারে। কিন্তু সবকিছু ছেড়ে মোদী সরকার ত্রিপিল তালাক করানোর প্রয়াস করছে। কারণ এতে বিজেপি মুসলিম মহিলাদের একটা বড় ভোট ব্যাঙ্ককে হাত করে নিতে পারবে। একই সাথে মহিলাদের এক জঘন্য কুপ্রথা থেকে মুক্তি দিতে পারবে। জানিয়ে দি, বামপন্থী বুদ্ধিজীবী যারা সব ক্ষেত্রে হিন্দু কালচারে কুপ্রথা, কুসংস্কার দেখতে পায় তারা নিকাহ হালালা নিয়ে কথা বলতে রাজি নয়।

আসলে এরা সেই সমস্ত তথাকথিত বুদ্ধিজীবী যারা ইংরেজদের সাথে মিলে এটা প্রচার করেছিল যে ভারতে নাকি সতীদাহ প্ৰথা ছিল যা রাম মোহন রায়ের প্রচেষ্টায় নির্মূল করা হয়েছে। যদিও আসল সত্য এই যে ভারতে কখনোই সতীদাহ প্ৰথা ছিল না, যেটা ছিল এবং আজও রয়েছে ( কিছু সম্প্রদায়ের মধ্যে) তা হলো সতী প্ৰথা। কিন্তু ইংরেজরা ও চাইতো ভারতীয়রা যেন সংস্কৃতিকে ছোটো করে দেখে। এই কারণেই সতীদাহের মতো মনগড়া গল্প ঢুকিয়ে দেওয়া হয়েছিল।