Press "Enter" to skip to content

ব্রেকিং খবরঃ কোচবিহারের চান্দামারিতে তৃণমূলের হাত থেকে পঞ্চায়েত ছিনিয়ে নিলো বিজেপি

লোকসভা ভোটের পর একের পর এক পুরসভা আর পঞ্চায়েত হাত ছাড়া হচ্ছে শাসক দল তৃণমূলের (All India Trinamool Congress)। মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জীর (Mamata Banerjee) শত চেষ্টার পরেও আটকানো যাচ্ছেনা তৃণমূলের ভাঙন। রাজ্যে যে গেরুয়া শক্তি দ্রুত গতিতে জাঁকিয়ে বসছে সেটা বলাই বাহুল্য। আরেকদিকে তৃণমূলের সবথেকে বড় গলার কাটা হয়ে দাঁড়িয়েছে বিজেপির (Bharatiya Janata Party) নব নির্বাচিত সাংসদ অর্জুন সিং (Arjun Singh)। বিজেপির এই সাংসদের হাত ধরে উত্তর ২৪ পরগনায় একের পর এক তৃণমূলের দুর্গে ফাটল ধরছে।

ব্যারাকপুর লোকসভা আর ভাটপাড়া বিধানসভা দখলের পর এবার হালিশহর আর ভাটপাড়া পুরসভা দখল করেছে অর্জুন সিং। এরপরে বারাকপুরের কাউগাছি পঞ্চায়েতের ২৩ জন সদস্য বিজেপিতে যোগ দেওয়ার পর সেই পঞ্চায়েতও হাত ছাড়া হল শাসক দল তৃণমূলের। বিজেপির সাংসদ দুদিন আগে হুমকি দিয়ে বলেছিলেন ব্যারাকপুর লোকসভার অন্তর্গত যতগুলো পুরসভা তৃণমূলের দখলে আছে, সব গুলোকেই গেরুয়া করবেন তিনি। তবে ওনার এই হুমকি শুধু পুরসভার জন্যই ছিল না। এবার একে একে পঞ্চায়েত গুলোতেই দখল বসাচ্ছে বিজেপি।

আরেকদিকে শুক্রবার উত্তরবঙ্গ থেকে শাসক দল তৃণমূলের জন্য চরম দুঃসংবাদ আসে। উত্তরবঙ্গের কোচবিহারে চান্দামারি পঞ্চায়েতের নয় জন পঞ্চায়েত সদস্য যোগ দেন বিজেপিতে। সদ্য বিজেপিতে আসা পঞ্চায়েত সদস্যদের হাতে দলীয় পতাকা তুলে দেন বিজেপির ১৮ নম্বর মণ্ডল কমিটির সভাপতি প্রানেশ চন্দ্র রায়।

১৬ আসনের এই পঞ্চায়েতে একটা আসন আগে থেকেই বিজেপির দখলে ছিল। আর গতকাল ৯ জন তৃণমূলের পঞ্চায়েত সদস্য বিজেপিতে যোগ দেওয়ার পর বিজেপির সদস্য সংখ্যা হয়ে দাঁড়ালো ১০। পঞ্চায়েতে ১৬ টি আসনের মধ্যে সংখ্যাগরিষ্ঠতার জন্য দরকার ৯ টি আসন। আর বিজেপির এখন সদস্য সংখ্যা হয়ে দাঁড়িয়েছে ১০। তৃণমূলে এই ভাঙনের পরেই কার্যত ওই পঞ্চায়েতে সংখ্যালঘু হয়ে পড়ল তৃণমূল। তবে ওই গ্রাম পঞ্চায়েতের উপ প্রধান এবং প্রধান এখনো তৃণমূলে আছে বলেই জানা যাচ্ছে।

Comments are closed.

you're currently offline