Press "Enter" to skip to content

৭৮ কোটি টাকায় বিক্রি হলো টয়লেটের জল,যাতে ৫০ টি বাস দৌড়াচ্ছে রাস্তায়। পুরো বিষয় জানলে মোদী সরকারের প্রশংসা করবেন।

বর্তমান যুগে বায়োগাসের গুরুত্ব যে কতটা বেশি তা আর কারোর অজানা নয়। এমন একটা যা পরিবেশের কোনো ক্ষতি না করে লাভদায়ক ফলাফল প্রদান করে। ের এই মানের দিকে লক্ষ রেখে সরকার এই জ্বালানির ব্যাবহারের দিকে উদ্যোগ নিতে শুরু করেছে। এর ফল এই যে মহারাষ্ট্রে নাগপুরে এক সরকারি এজেন্সি টয়লেটের জলকে ৭৮ কোটি টাকায় বিক্রি করেছে। অবাক হওয়ার এখনো কিচ্ছু হয়নি, অবাক করার ব্যাপার ওই যে জল থেকে প্রাপ্ত গ্যাসের ব্যাবহার করে ৫০ টি চালানো হবে। কেন্দ্রীয় পরিবহন মন্ত্রী নিতিন গতকারী জানিয়েছেন মহারাষ্ট্রের নাগপুরে বিকল্প জ্বালানির খোঁজে নানান পরীক্ষা নিরীক্ষা করা হচ্ছে। এর মধ্যে একটা টয়লেটের জল থেকে গ্যাস বের করে সেটা দিয়ে চালানোর যোজনা। ভারতে আপাতত এইরকম ৫০ টি চালানো হচ্ছে।

কেন্দ্রীয় পরিবহন মন্ত্রী জানান পেট্রোলিয়াম মন্ত্রণালয়ের অধীনে কাজ করা তেল ও গ্যাস কোম্পানিগুলোর সাথে চুক্তি করা হয়েছে। এতে গঙ্গার পাড়ে বসা ২৬ টি শহর বেশ উপকৃত হবে। উনি বলেন জলের নোংরা থেকে বের হওয়া মিথেন গ্যাস থেকে বায়ো CNG তৈরি করা হবে। এই বায়ো গ্যাস ২৬ টি শহরের সিটি বাস চলবে। আরো একটা বড় বিষয় এই যে এতে প্রায় ৫০ লক্ষ যুবক রোজগার পাবে এবং একই সাথে গঙ্গাও পরিষ্কার থাকবে।

এছাড়াও কেন্দ্রীয় পরিবহন মন্ত্রণালয় কয়লা থেকে মিথেন বের করে মুম্বাই, পুনে ও গোহাটিতে সিটি বাস চালানোর প্রস্তুতি নিচ্ছে। প্রসঙ্গত আপনাদের জানিয়ে দি কেন্দ্র সরকার গাড়ি প্রস্তুতকারী সংস্থাগুলিকে ধীরে ধীরে নিজেদের পরিকাঠামো পরিবর্তনের নির্দেশ দিয়েছে। ২০৩০ থেকে যাতে সড়কে পেট্রোল ও ডিজেল চালিত গাড়ি শুন্য করে ইলেক্ট্রিক চালিত গাড়ি নামানো যায় তার ব্যাবস্থা করতে বলা হয়েছে। যদি কোনো গাড়ি প্রস্তুতকারী সংস্থা এই নির্দেশ পালন করে, তাহলে ভবিষ্যতে কড়া আইন আনা হলে তখন সংস্থাগুলি সরকারকে দায়ী করতে পারবে না বলে জানান কেন্দ্রীয় মন্ত্রী।

ইলেক্ট্রিক চালিত গাড়ির জন্য রাস্তায় রাস্তায় তৈরি করা হবে চার্জিং পয়েন্ট যার কাজ বর্তমানে বিভিন্ন জায়গায় শুরু হয়ে গিয়েছে। বর্তমানে এক সংস্থা দ্বারা তৈরি কিছু ইলেক্ট্রি বাস পাহাড়ে এলাকায় পর্যবেক্ষন করা হচ্ছে। আসলে ের উদেশ্য একদিকে একদিকে ইলেক্ট্রিক চালিত গাড়ি করে যেমন পরিবেশ রক্ষা ও মানুষের খরচের উপর লাগাম লাগানো যাবে তেমনি অন্য দেশের উপর নির্ভরশীলতাও কমবে।