Press "Enter" to skip to content

নরেন্দ্র মোদীকে ক্ষমতাচ্যুত করার শক্তি কারোর মধ্যে নেই। মোদীকে হারাতে একমাত্র…

২০১৯ এর লোকসভা নির্বাচন সামনে আসছে আর সেই দিকে লক্ষ রেখে দেশের রাজনৈতিক দলগুলি নিজেদের মতো করে প্রচার শুরু করে দিয়েছে। জানিয়ে দি ভারতবর্ষে যেহেতু এখনো হিন্দু সংখ্যা গুরু হিসেবে রয়েছে তাই যে দল যতই অন্য সম্প্রদায়ের তোষণ করুক , দেশে শাসন কার হাতে থাকবে তার পুরোটাই হিন্দুদের উপর নির্ভর করে। হিন্দুরাই দেশের সৰ্বকালের অন্যতম প্ৰধানমন্ত্রী অটল বিহারী বাজপেয়ীকে সরিয়ে ছিল এবং শাসন ক্ষমতা ইতালির সোনিয়া গান্ধীর হাতে তুলে দিয়েছিল। অটল বিহারী বাজপেয়ীকে সরিয়ে হিন্দুরা কি পেল? ১০ বছর সোনিয়া গান্ধীর রাজে উন্নয়ন তো দূর উল্টে আতঙ্কবাদী তকমা কপালে জুটলো। ১০ বছর সোনিয়ার শাসনের পর ক্ষমতায় নরেন্দ্র মোদীর সরকার এলো। কারণ হিন্দুরা একজোট হয়ে মোদীকে প্রধানমন্ত্রী হিসেবে নির্বাচিত করেছিল। এখন আবার নির্বাচন সামনে আসছে।

নানান মিশনারি থেকে শুরু করে নকশালী ও জঙ্গি সংগঠন মোদীকে শাসন ক্ষমতা থেকে সরানোর জন্য একের পর এক পরিকল্পনা ফাদঁছে। তথাকথিত সেকুলার ও বামপন্থীরা মোদীর বিরুদ্ধে গতিবিধি চালাচ্ছে তার প্রমান এই কয়েকদিন বেশ ভালোভাবেই পাওয়া গেছে। সকলে মোদীকে হারানোর জন্য উঠে পড়ে লেগেছে কিন্তু আসল সত্য এই যে মোদীকে হারানোর মতো কোনো শক্তি এদের মধ্যে নেই। মোদীর আসন সরিয়ে ফেলা তো দূর আসনের একটা পা পর্যন্ত হেলানোর ক্ষমতা নেই এই শক্তিগুলির। এই দেশের হিন্দুরাই দেশের ভাগ্য বিধাতা, বাকি কোনো শক্তি দেশের ভাগ্য নির্ধারণ করার শক্তি রাখে না।

শুধু মাত্র নিজের শক্তিকে চিনতে পারার অক্ষমতায় ভুগছে হিন্দু সমাজ। নাহলে এই দেশে হিন্দুরা চাইলে দেশ নাম্বার ১ হবে আর নাহলে হিন্দুদের কারণেই দেশ ক্ষতিগ্রস্থ হবে। লোভী,অলস ও জাতিবাদী হিন্দুরা একসময় অটল বিহারী বাজপেয়ীজিকে ক্ষমতা থেকে সরিয়ে ছিল এবং ইতালির এক মহিলার হাতে শাসন ক্ষমতা অর্পণ করেছিল। আজও ভারতে হিন্দুরা বহুসংখক তাই ভারতের ভাগ্য হিন্দুদের হাতেই রয়েছে। কোনো সংগঠন, কোনো বামপন্থী, কোনো তথাকথিত সেকুলার অথবা চীন-পাকিস্থানের হাতে ভারতের ভাগ্য নেই আর এদের এত ক্ষমতাও নেই। মোদীকে হারালে সেই হিন্দুই হবে যারা অটলজিকে ক্ষমতা থেকে সরিয়ে ছিলেন। লোভী, অলস আর জাতিবাদী হিন্দুর দেশ বা নিজের ভবিষ্যৎ নিয়ে কিছু যায় আসেনা। লোভীদের আজকের দিনে সোনা হিরা পেলেই হলো, অলস দেশের ভবিষ্যৎ নিয়ে মাথা ঘামায় না, আর জাতিবাদী হিন্দুরা শতাব্দী থেকে নিজেরাই নিজেদের শত্রু হয়ে রয়ে গেছে।

ভারতে এরাই একমাত্র মোদীকে ক্ষমতা থেকে সরাতে পারে। একবার অটলজিকে সরিয়ে এই হিন্দুরা ভুল করেছিল কিন্তু ২০১৪ তে ভুল শুধরে আরো একবার নরেন্দ্র মোদীর মতো নেতাকে ক্ষমতায় এনেছে। কিন্তু যদি আরো একবার হিন্দুরা মোদীকে সরিয়ে ফেলে তাহলে এই বার বার ভুল অপরাধ বলেই গণ্য হবে। হিন্দু ব্যাতিত আর কারোর বা কোনো শক্তির এত ক্ষমতা নেই যে মোদীর চেয়ার হেলাতে পারবে। হিন্দু ছাড়া , মোদীর চেয়ার তো দূর কোন শক্তি মোদীর চুল পর্যন্ত বাঁকা করতে পারবে না। কারণ দেশে হিন্দুরাই দেশে সংখ্যাগুরু রয়েছে, হিন্দুরাই দেশের দেশের ভাগ্য নির্ধারণ করবে। নাহয় হিন্দুরায় দেশের পরিস্থিতি খারাপ করবে। ভারত বিশ্বগুরু হোক বা বিনষ্ট হোক, সবকিছুর জন্যেই ইতিহাসে হিন্দুরাই দায়ী থাকবে।