Press "Enter" to skip to content

কেরালার বামপন্থী সরকারের নতুন আইন! সমস্থ হিন্দু মন্দির নিয়ন্ত্রণে থাকবে মুসলিম ও খ্রিস্টানদের হাতে।

অন্য সম্প্রদায়কে তোষণ ও হিন্দু সমাজকে অবহেলা, হিন্দুদের এই রকম অবস্থার জন্য অন্য কোনো সম্প্রদায়, কোনো ধর্ম দায়ী নয়। হিন্দুদের দুর্দশার জন্য শুধুমাত্র হিন্দুরায় দায়ী। দেশে হিন্দুরা বহুসংখ্যক তা সত্ত্বেও সরকারেরা হিন্দুদের দমন করে এসেছে। কোনো অন্য ধর্মের আয়ের উপর ট্যাক্স নেওয়া হয় না, কিন্তু হিন্দু ধর্মের ধর্মীয় স্থান থেকে সরকার মোটা ট্যাক্স নেয়। কোনো অন্য ধর্মের ধর্মীয় স্থানকে সরকার নিয়ন্ত্রণ করে না কিন্তু বড়ো বড়ো সব সরকারের নিয়ন্ত্রণে থাকে। বুদ্ধিজীবী ও মিডিয়া এটাকে সেকুলারিজম(ধৰ্মনিরপেক্ষতা) বললেও এটা আসলে সরাসরি অন্যায়। আসলে সমস্থ কিছুর মূল কারণ হিন্দু সমাজ জাতপাতের মধ্যে আটকে পড়ে রয়েছে এবং জাতপাতের উর্দ্ধে উঠে কখনো এক হতেই পারে না।

তবে বিষয়টি হিন্দুরাও বোঝে কিন্তু ধর্মনিরপেক্ষতা এমনভাবে ব্রেনওয়াশ করে নিয়েছে যে সরকার ভোটের লোভে একটা ধর্মকেই টার্গেট করতে শুরু করেছে। এতদিন পর্যন্ত সরকার হিন্দু মন্দির নিয়ন্ত্রণ করতো কিন্তু এবার থেকে ও খ্রিস্টানরা মন্দির নিয়ন্ত্রন করবে এমন খবর সামনে আসছে শাসিত রাজ্যে কেরালা থেকে। কেরালার সরকার মন্দির কন্ট্রোল করার আইনে পরিবর্তন এনে ফেলেছে। এবার কেরালায় মন্দির নিয়ন্ত্রণ করার যতগুলি ট্রাস রয়েছে, মন্দির নিয়ন্ত্রণ করার যতগুলি সংস্থা রয়েছে সেখানে ও খ্রিষ্টানদের নিযুক্তি করা সম্ভব হবে।

এতদিন পর্যন্ত মন্দির চালানো সংগঠনে শুধুমাত্র হিন্দুদের নিযুক্ত করা হতো কিন্তু এবার মুসলিম ও খ্রিস্টান দ্বারা মন্দির চালিত হবে। শুধু এই নয় এবার থেকে মুসলিম ও ক্রিষ্টানরা মন্দির সংগঠনের সভাপতি পদেও থাকতে পারবেন। উদাহরণসরূপ কেরালার পাদ্মান স্বামী মন্দিরে সভাপতিত্বে কিছুদিনের মধ্যে মুসলিম নিযুক্ত হলে আশ্চর্য হওয়ার কিছু নেই। প্রশ্ন উঠেছে এমন নিয়ম তৈরি করা হলো কেন! উত্তরে বামপন্থীদের দাবি এতে কেরালায় ধর্মনিরিপেক্ষতা বজায় থাকবে।

কিছুদিন আগেই কেরালার এক ধর্মগুরু হিন্দু মন্দিরকে শয়তানের ঘর বলে দিয়েছেন, এখন যদি সেই সকল মানুষের হাতে মন্দিরের নিয়ন্ত্রণ ক্ষমতা চলে আসে তাহলে কি হতে পারে সেই নিয়ে চিন্তিত হিন্দুরা। এর জন্য সামান্য কিছু হিন্দু পথে নেমে প্রতিবাদও জানিয়েছিল কিন্তু সরকার ক্ষমতা প্রয়োগ করে প্রতিবাদ দমন করে। জানিয়ে দি, সরকারের বর্তমান নিয়ম অনুযায়ী চার্চ বা মসজিদ যেমন মুসলিমরা ও ক্রিষ্টানরা চালাচ্ছিল তারাই চালাবে, শুধুমাত্র হিন্দু মন্দিরের নিয়ন্ত্রণ মুসলিম বা ক্রিষ্টানদের হাতে থাকবে।