Press "Enter" to skip to content

তোলাবাজি, গুন্ডাগিরি আর সন্ত্রাসের অভিযোগে তৃণমূল কাউন্সিলরের বাড়ি ভাঙচুর করলো স্থানীয় মানুষ

ভোটের পরেও উত্তপ্ত আসানসোল। ভোটের দিনে আসানসোলে তৃণমূলের সন্ত্রাস দেখেছিল বাংলা সমেত গোটা দেশের মানুষ। বুথ জ্যাম, ছাপ্পা, বিরোধীদের মারধর কি না হয়নি সেদিন? আর এত কিছু হওয়ার পরেও তৃণমূলের প্রার্থী বলেছিলেন, ‘বেদ টি সময় মত পাইনি, তাই এসব জানিনা।” তৃণমূলের প্রার্থীর এই বক্তব্যের পর ঝড় উঠেছিলো নিন্দার সোশ্যাল মিডিয়ায়। এমনকি টলিউড অভিনেত্রীও তৃণমূল প্রার্থী মুনমুন সেনকে চরম কটাক্ষ করেছিলেন।

ভোট চলে গেছে বুথ জ্যাম, ছাপ্পার অবসর না থাকলেও তৃণমূলের সন্ত্রাস কমেনি। বুধবার বিকেলে দুর্গাপুর স্টেশন সংলগ্ন এলাকায় তৃণমূলের দুষ্কৃতীরা এক ঠেলা ওয়ালার ঠেলা গাড়িতে ভাঙচুর চালায়। স্থানীয় সুত্রে জানা যায় যে, ওই গরিব ঠেলা ওয়ালা সিপিএম এর পোলিং এজেন্ট ছিলো। আর সেই কারণেই তৃণমূলের গুণ্ডারা ওনার উপরে আক্রমণ চালায়। এরপর সিপিএম এর কর্মীরা অভিযুক্তদের শাস্তির দাবিতে এলাকায় অবরোধ করে।

এরপরেই উত্তপ্ত হয়ে ওঠে দুর্গাপুরের ৩৯ নং ওয়ার্ডের আশীষ নগর এলাকা। স্থানীয় বাসিন্দারা গুন্ডাগিরি, তোলাবাজি আর সন্ত্রাসের অভিযোগে তৃণমূল কাউন্সিলর শশাঙ্ক শেখর মণ্ডলের বাড়িতে ভাঙচুর চালায়। রাজনৈতিক ভেদাভেদ ভুলে অভিযুক্ত কাউন্সিলরের বাড়িতে চড়াও হয় এলাকাবাসী। শাসক বনাম বিরোধীদের সংঘর্ষে রণক্ষেত্রর চেহারা নেয় এলাকা। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে ঘটনাস্থলে যায় পুলিশ, নামানো হয় র‍্যাফ। পুলিশের হস্তক্ষেপে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রনে আসে। এলাকায় বসানো হয় পুলিশ পিকেট।

স্থানীয় মানুষ সেখানে তৃণমূল কাউন্সিলরের অপসারণ করে পুনঃনির্বাচনের দাবি তোলে। তাঁরা অভিযোগ করে জানায় যে, সেখানে তৃণমূলের মিটিংয়ে উপস্থিত না হলে এলাকাবাসীদের হুমকি দেওয়া হয়। কেড়ে নেওয়া হয় বাড়ি ঘর। ভাঙচুর, মারধরও করা হয় স্থানীয় বাসিন্দাদের। তাছাড়াও ওই এলাকায় তৃণমূল কাউন্সিলরের নেতিত্বে নানারকম অসাধু কাজকর্ম চলে বলে অভিযোগ করেন স্থানীয় বাসিন্দারা।

Be First to Comment

Leave a Reply

Your email address will not be published.