Press "Enter" to skip to content

বামপন্থীদের তোষণনীতি! বন্যার জন্যে ১৫ আগস্ট পালন বন্ধ হলেও বকরি ঈদের জন্য কেরল সরকার নিচ্ছে প্রস্তুতি।

কেরলে ব্যাপক বন্যার মধ্যেও বামপন্থীরা নিজেদের আসল রূপ দেখাতে শুরু করে দিয়েছে। প্রথমত আপনাদের জানিয়ে দি, রাজ্য স্বাধীনতার পর থেকেই বামপন্থী অথবা কংগ্রেসের অধীনে ছিল। বর্তমানে কেরল একটা বামপন্থী শাসিত রাজ্য। প্রবল বন্যার মধ্যেও কেরালার সরকার দারুণভাবে তুষ্টিকরণ(তোষণ নীতি) দেখাচ্ছে। কেরালায় বেশ কিছু দিন ধরেই বন্যার প্রলয় শুরু হয়েছে। এই কারনে রাজ্য সরকার স্বাধীনতা দিবস অর্থাৎ ১৫ আগস্ট ও অনামের অনুষ্ঠান বাতিল করে দিয়েছিল। কিন্তু এই কেরল সরকার বকরি ঈদ পালনের জন্য নিরাপদ স্থানের ব্যাবস্থা করতে লেগে পড়েছে যাতে সেখানে বকরি ঈদ পালন করা যায়।কিছুদিন পরেই ইসলামিক ধর্মীয় উৎসব বকরি ঈদ আসছে আর সেই উদ্যেশে কেরলের বামপন্থী সরকার সেই প্রস্তুতিতে নেমে পড়েছে।

বামপন্থীরা এখন চরম পর্যায়ে নিজেদের আসল রূপ দেখাতে শুরু করেছে। এছাড়াও মিশনারি ও কট্টরপন্থী সংগঠনগুলি জনগণের কাছে বন্যার নামে টাকা সংগ্রহ করতে শুরু করেছে। এছাড়াও কেরলের রাজ্য সরকারকেও দেশের মানুষ ডোনেশন প্রদান করছে। এখন এই তোষণকারী রাজ্য সরকার এই দানের টাকাগুলো নিয়ে কি করতে পারে তার আন্দাজ লাগানো কঠিন ব্যাপার।

যদি আপনারা দান করেন তাহলে অবশ্যই প্রধানমন্ত্রী রাহাত কোষে দান করুন অথবা সেবাভারতীকে দান করুন। কেরলের কিছু মন্ত্ৰী তো এখন জার্মানিতে ছুটি কাটাতে গেছেন তার খবরও সামনে এসেছে। আপনাদের মনে করিয়ে দি, এটা সেই বামপন্থী দল যারা সেনাকে রেপিস্ট বলে অপমান করে আর ধর্মনিরপেক্ষতার নামে তোষণ চালায়।

তবে শুধু বামপন্থীরা নয় আমরাও তো সেই জনগণ যারা সমস্ত বিপদে সেনাকে ডাকি আর কোনো কিছু অনুষ্ঠানে বা উদ্বোধনে ফিতে কাটতে শারুখ খান, সালমান খানকে ডাক দি। পাথরবাজি হলে সেনাকে ডাক দি, আতঙ্কবাদী হামলা হলে সেনাকে ডাক দি, বন্যা হলে সেনাকে ডাক দি, আর যখন হিরো বলে ডাকবার সময় আসে তখন বলিউডের ভন্ডগুলোকে হিরো বলে ডাক দি। আমরা এখন এটা শিখতেই পারিনি যে আসল হিরো কারা, আর নকল ভন্ড হিরো কারা।