Press "Enter" to skip to content

চাওয়ালা নরেন্দ্র মোদীর মাস্টারস্ট্রোক! এবার ইরান থেকে আসা কাঁচা তেলের পরিবর্তে ভারত থেকে যাবে চাল।

আমেরিকার দ্বারা কড়া প্রতিবন্ধকতা লাগানোর পরেও ভারত, ের সাথে বাণিজ্যিক সম্পর্ক ভাঙতে প্রস্তুত নয়। ভারত, ের সাথেও সম্পর্ক ভাঙবে না আর রুশের সাথেও বাণিজ্যিক সম্পর্ক ভাঙবে না। একই সাথে ভারত আমেরিকার সাথেও সম্পর্ক টিকিয়ে রাখছে। আসলে এটা কিভাবে সম্ভব হচ্ছে যে মোদী সরকার তিন দেশের সাথেই সুদৃঢ় ও সুসংগত সম্পর্ক বজায় রাখছে। ের সাথে ডলারের পেমেন্ট নিয়ে আমেরিকার নিষেধাজ্ঞা লাগানোর পর ভারত ের সাথে নতুন বাণিজ্যিক সম্পর্কে প্রবেশ করতে চলেছে। যা ৪ নভেম্বর ২০১৮ থেকে প্রভাবিত রূপে লাগু হবে। এখানে নতুন চুক্তি অনুযায়ী থেকে ের পরিবর্তে ভারত চাল পাঠাবে। এটা পুরানো সময়ের বাণিজ্যিক পদ্ধতির একটা আধুনিক রূপ। যখন বস্তুর পরিবর্তে আমরা বস্তু বিনিময় করবো তখন ডলারের উপর আমাদের নির্ভরতা কমবে এবং ভারতীয় মুদ্রা নতুন একটা জীবন পাবে।

সোভিয়েত সমাজবাদী গণরাজ্যের সাথে ভারতের বিনিময় প্রথা আগে থেকেই ছিল , এখন ইরানের সাথেও ভারতের বস্তু বিনিময় প্রথা এই বছর নভেম্বর থেকে শুরু হয়ে যাবে। আমেরিকা ভারতের ডলার প্রদানের উপর নিষেধাজ্ঞা লাগিয়েছিল কিন্তু বস্তু বিনিময় প্রথার উপর আমেরিকার কোনো জোর নেই। আর এই বিষয়ের সুযোগ মোদী সরকার উঠিয়ে নিয়েছে। এক তীরে কিভাবে দুটি লক্ষভেদ করতে হয় তা মোদী সরকারের কাছে শেখার মতো বিষয়।

মোদী ও পুতিন

একদিকে ইরানও খুশি আর অন্যদিকে ভারতও খুশি। আমেরিকাকে সাথে নিয়ে চলছে অন্যদিকে রুশের সাথে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে বাণিজ্য করবে ভারত। মোদী বিরোধী হোক বা মোদী সমর্থক এটা সকলকেই স্বীকার করতে হবে যে মোদীর মতো কূটনীতি বিদ্যা সম্পন্ন রাজনৈতিক ব্যাক্তি এখন দেশে একটাও নেই। ২০১৭-১৮ তে আমদানি করা তেলের ১৬% ইরান থেকেই এসেছিল যেখানে ২৩ মিলিয়ন টন তেল আনা হয়েছিল।

মোদী ও ট্রাম্প

নভেম্বর মাস থেকে ইরানের কাঁচা তেলের বদলে ভারত থেকে চাল পাঠিয়ে দেওয়া হবে। এতে আমেরিকি ডলারে দেওয়া বড়ো সংখ্যার টাকা বেঁচে যাবে, একই সাথে পতনশীল ভারতীয় মুদ্রাও সমর্থন পেয়ে যাবে। এখন দেশের অভ্যন্তরে যাতে লাগাতার চাল সরবরাহ হয় সেই দিকে নজর রাখতে হবে। একই সাথে কৃষকদের আয় ও জনগণের ক্রয়মূল্যর মধ্যে  ভারসাম্য বজায় থাকে।