Press "Enter" to skip to content

মানি ব্যাগ চুরির পর , এবার পাকিস্থান সেনারা চুরি করলো শ্রীলঙ্কার রাজদূতের বাড়িতে।

নির্লজ্জ্ব, কাঙ্গাল, ভিখারি, অজ্ঞ, জিহাদি- পাকিস্থানের বা পাকিস্থানীদের জন্য কোন শব্দ ব্যবহার করা হবে তা খুঁজে পাওয়া মুশকিল। এবার হয়তো পাকিস্থানীদের জন্য নতুন শব্দ আবিষ্কার করতে হবে। কারণ ইসলামের নামে সন্ত্রাসবাদ ছড়ানো ছাড়াও এখন পাকিস্থানিরা এমন এমন কান্ড করছে যার পর, আমার পাকিস্থানের প্রতিবেশী দেশ, এটা বলতেও লজ্জা বোধ করছেন ভারতীয়রা। যদিও পাকিস্থানিরা এখনো নির্লজ্জের মতো আচরণ নিয়েই জীবনযাপন করছে এবং ইসলামের নামে জঙ্গি উৎপাদন করছে। সম্প্রতি কিছুদিন আগেই পাকিস্থানের এক রাজনেতা, কুয়েতের রাজনেতার মানি ব্যাগ চুরি করেছিল যা নিয়ে খুব হাসি ঠাট্টাও হয়েছিল। কুয়েত থেকে ২ জন রাজনীতিবিদ পাকিস্থানে ের সাথে দেখা করতে এসেছিলেন। যেখনে পাকিস্থানের এল রাজনেতা কুয়েত থেকে আসা অতিথিদের মানি ব্যাগ চুরি করে নিয়েছিলেন।

পাকিস্থানের ওই রাজনীতিবিদকে গ্রেপ্তারও করা হয়েছিল যদিও পাকিস্থানের কোর্ট তাকে ছাড় দিয়েছে। এই ঘটনা সপ্তাহ পেরোতে না পেরোতেই আবার পাকিস্থানিরা এমন কুকান্ড ঘটিয়েছে। আসলে পাকিস্থানের রাজধানী ইসলামাবাদে ের যে বাড়ি রয়েছে সেখানেও চুরি করেছে পাকিস্থানিরা। তবে এবার কোনো রাজনেতা নয় বরং পাকিস্থানের সেনা চুরি করতে ঢুকে পড়েছিল ের বাড়িতে। শ্রীলঙ্কার রাজদুতের বাড়ি থেকে নানান দামি জিনিসপত্র চুরি করে নিয়েছে

যেকোনো রাজদূতের বাড়ি কড়া সুরক্ষায় রাখা হয় এবং সুরক্ষার দায়িত্ব স্থানীয় প্রশাসন ও সরকারের উপর থাকে। সেই অনুযায়ী শ্রীলঙ্কার রাজদূতের বাড়ির দেখাশোনার দায়িত্ব ছিল সরকারের হাতে। শ্রীলঙ্কার রাজদুতের বাড়িতে যে ঢুকেছিলো তা কোনো CCTV তেও উঠেনি এবং কোনো সুরক্ষা কর্মী টের পাইনি। পরে জানা যায়, যারা দায়িত্বে থাকা সুরক্ষাকর্মী অর্থাৎ পাকিস্থানের সেনারায় এই চুরি করেছে যার জন্য চুরির সময় CCTV বন্ধ করে রেখেছিল পাকিস্থানি সেনা। কুয়েতের রাজনেতার মানি ব্যাগ চুরি করতে গিয়ে CCTV তে ধরা পড়ে গেছিল পাকিস্থানি রাজনেতা।

কিন্তু এবার সেই ভুল করেনি পাকিস্তানিরা, এবার CCTV ক্যামেরা বন্ধ করে চুরি করেছে তারা। আগের বার চুরির পর চুরির ঘটনার পর পাকিস্থানি মিডিয়া সরকারের উপর আক্রমণ করে বলেছিল ‘ ভারতে পুতিনের মতো নেতারা আসছে আর আমাদের নেতারা অতিথিদের মানিব্যাগও ছাড়ছে না। কিছু শেখা উচিত মোদীর কাছে ।’ যারপর পাকিস্থান সরকার মিডিয়াকে হুমকি পর্যন্ত দিয়ে দিয়েছিল। তাই শ্রীলঙ্কার চুরি নিয়ে এখন তেমন কোনো খবর প্রকাশ করছে না পাকিস্থানি মিডিয়া।