Press "Enter" to skip to content

তিন তালাক নিয়ে অভিনেত্রী পায়েল রাহত্যাগী যা বললেন, তাতে মুখ লুকিয়ে রাখার জায়গা পাচ্ছে না কংগ্রেস ও কট্টরপন্থীরা।

টপ ১০ মুসলিম দেশে বহু বছর আগেই নামক কুপ্রথা ব্যান করে দেওয়া হয়েছে। কিন্তু ভারতের মতো লোকতান্ত্রিক দেশে এই কুপ্রথাকে নিষিদ্ধ করতে ৭০ বছরের বেশি সময় লেগে গেল কিন্তু এখনো এর উপর কানুন তৈরি করা বাকি রয়েছে। যদিও মোদী সরকার ের উপর অধ্যাদেশ নিয়ে এসে ইতিহাস তৈরি করে দিয়েছে। কারণ দেশের বিরোধী রাজনৈতিক পার্টিগুলি বিশেষ করে স্বাধীনতার পর থেকে দেশে এত বছর রাজত্ব করার পরেও এইরকম সংবেদনশীল ও অমানবিক সমস্যা থেকে এড়িয়ে চলেছে। এখন থেকে কেউ আর তিনবার তালাক বলে তার কোনো বিবিকে তালাক দিতে পারবে না, কারণ টিম তালাক দিলে তিন বছরের জেল হতে পারে। কেন্দ্র সরকার বুধবার দিন একবারে তিন তালাক দেওয়ার উপর অধ্যাদেশ এনেছে এবং দেশের মাননীয় রাষ্ট্রপতি মহাশয় এটা মঞ্জুর করেছেন। এখন এই বিষয় নিয়ে নানাজন নিজের নিজের মত ব্যাক্ত করেছে।

তবে বিখ্যাত অভিনেত্রী পায়েল রাহত্যাগী এতদিন ধরে দেশে কুপ্রথা তিন তালাক টিকে থাকার জন্য সরাসরি কংগ্রেসকে দায়ী করেছে। পায়েল একটা প্লে কার্ডের সাথে টুইট করেছেন যার মাধ্যমে উনি কংগ্রেসের উপর আক্রমন করেছেন। একই সাথে তিন তালাকের জন্য কিভাবে মুসলিম মহিলা অত্যাচারিত হতো সেটাও পায়েল ব্যাক্ত করেছেন।

পায়েল রাহত্যাগী প্লে কার্ড নিয়ে টুইট করে লিখেছেন, ” নেহেরু/গান্ধী ফ্যামিলি ট্রি এর অনুযায়ী প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী ইন্দ্রিরা গান্ধীর স্বামী ছিলেন ফিরোজ , যিনি একজন মুসলিম ছিলেন। আর এই কারণেই কংগ্রেস তিন তালাক বিল পাস করতে পারেনি। এখন তিন তালাক অধ্যাদেশের উপর উনাদের কি প্রতিক্রিয়া? গান্ধী পরিবার এখন খুশি না হতাশ? ”

পায়েল প্লে কার্ডে লিখেছেন, ” আমি হিন্দুস্থান, আমি খুব খুশি। ৭০ বছর ধরে আমাকে একটা বস্তুর মতো ব্যাবহার করা হতো। না জানিয়ে রিপ্লেস করে দেওয়া হতো। স্বামী মৌখিক রূপে তালাক দিয়ে দিত। এখন তিন তালাকের উপর অধ্যাদেশ আসার পর মুসলিম মহিলারা ন্যায় পেলো।” জানিয়ে দি কিছু সময় আগে যখন কেরালায় বন্যার সময় এক টুইট নিয়ে কংগ্রেসের ও বামপন্থী সদস্যের সাথে পায়েলের দ্বন্দ লেগেছিল। পায়েল টুইট করে লিখেছিলেন, “কেরলে গো হত্যার উপর ব্যান নেই। কেরলবাসী ও সেখানের রাজনীতিবিদদের উচিত হিন্দু ধর্মের উপর শ্রদ্ধা রাখা ও তাদের আস্থার সন্মান জানানো নাহলে ভগবান আপনাদের সাজা দেবে।”