Press "Enter" to skip to content

চাঞ্চল্যকর খবর: কংগ্রেসকে সাহায্য করার জন্য ইসলামিক ধৰ্মগুরুদের কড়া নির্দেশ পাক সেনা জেনারেলের।

পাকিস্তানের নির্বাচনে, ের সেনার মুখ্য ভূমিকা থাকে একথা সবার জানা। তবে এবার পাকিস্তানি সেনা ভারতের নির্বাচনেও প্রভাব ফেলার চেষ্টা করছে। ি সেনা যেভাবে নিজেদের ইচ্ছামত সরকার ও প্রধানমন্ত্রী নির্বাচন করে সেইভাবে এবার ভারতের নির্বাচনে সক্রিয় হতে চাইছে তারা। খবর আসছে, ের জেনারেল বাজওয়া পাকিস্তানের নেতা ও ইসলামিক ধৰ্মগুরুদের এক বিশেষ নির্দেশ দিয়েছেন। পাকিস্তানের জেনারেল নির্দেশ দিয়েছে, তারা যেন কংগ্রেসকে সমস্থদিক থেকে সাহায্য করে। এর জন্য তারা যেন সমস্থ রকম সৌর্স ও ভারতের সঙ্গে সমস্থ রকমের লিঙ্কের সাহায্য নেয়, এমনটাই নির্দেশ দেন ের জেনারেল বাজওয়া। নির্দেশ মতো ের শাসক দলে থাকা ও বিপক্ষে থাকা নেতারা মোদীর বিরুদ্ধে নেমে পড়েছে। একইসাথে ইসলামিক ধর্মগুরুরাও এই অভিযানে নেমেছে।

আসলে স্পষ্টভাবে বললে, মুসলিম সমাজের খুব কম ভোট পাবে প্রায় সমস্ত ভোট কংগ্রেস পাবে। তবে মুসলিমদের সুন্নি সমাজ মোদীকে ভোট না দিলেও সমাজের কিছু পরিমান ভোট পাবে বলে মনে করা হচ্ছে। এখন পাকিস্থান তাদের সিয়া ধর্মগুরুদের লাগিয়ে দিয়েছে ভারতের নির্বাচনে প্রভাব ফেলানোর জন্য। ১৫% ভোট মোদীর দিকেই আসবে এটা রাজনীতি বিশেষজ্ঞরা সকলেই জানে যার জন্য পাকিস্থান শিয়া ইসলামিক ধর্মগুরুদের নির্দেশ দিচ্ছে যেনতেন প্রকারে ভারতে মোদীর ভোটকে ডুবিয়ে দিতে।

এর জন্য নানান পরিকল্পনা তৈরি করে ফেলেছে পাকিস্থানের সেনা ও পাকিস্তানের সিয়া ধর্মগুরুরা। পাকিস্থানের ইসলামিক ধর্মগুরুরা শুধু পাকিস্থানেই নয়, ভারতের মুসলিমদের মধ্যেও জনপ্রিয়। এই বিষয়কে কাজ লাগিয়ে সোশ্যাল মিডিয়ায় বরাবর পাকিস্থান ভারতের ভোটকে প্রভাবিত করে। সোশ্যাল মিডিয়ায় নানা গ্রুপ তৈরি করে এই ধর্মগুররা ইসলামের নামে তাদের এজেন্ডা চালায়।

এখন বাজওয়ার নেতৃত্বে সেই কাজ আর সক্রিয়ভাবে করার জন্য নেমে পড়েছে ইসলামিক ধর্মগুরুরা। গুজরাট দাঙ্গা নিয়ে আগে যেভাবে মোদীর নিয়ে অপপ্রচার করা হয়েছিল সেই একইভাবে কাজ করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।বাজওয়া যেনতেন প্রকারে ২০১৯ এ মোদীকে শাসন ক্ষমতার বাইরে দেখতে চাই যার জন্য সমস্থরকম পরিকল্পনা চালাতে শুরু করেছে। বাজওয়ার নির্দেশ মতো পাকিস্থানের পূর্ব স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী রহমান মালিক রাহুল গান্ধীকে লিখিত সমর্থন জানিয়েছেন এবং ভারতবাসীর কাছে আবেদন করেছেন রাহুলকে প্রধানমন্ত্রী করার জন্য।