Press "Enter" to skip to content

ব্রেকিং খবরঃ ভারতের ভয়ে আতঙ্কিত হয়ে চরম বড় সিদ্ধান্ত নিতে বাধ্য হল পাকিস্তান

পুলওয়ামা হামলার পর পাকিস্তানের ভারতের ভয়ে আতঙ্কিত। আর এরই মধ্যে পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী যিনি পরোক্ষ ভাবে সন্ত্রাসবাদের সমর্থকও, তিনি সুরক্ষা সমিতির বৈঠক ডাকেন। পাকিস্তানি পত্রিকা ডন এর অনুসারে পকিস্তান জঙ্গি সংগঠন জামাত-উত-দাবা এর উপর নিষেধাজ্ঞা জারি করল। আর তাঁর সাথে ফলাহ এ ইনসানিয়ত যারা মানবতার নামে চারিদিকে মানুষ মেরে চলেছে তাঁদের উপরেও নিষেধাজ্ঞা জারি করেছে পাক সরকার। এই দুই জঙ্গি সংগঠনই মুম্বাই হামলায় অভিযুক্ত হাফিজ সৈয়দ এর সাথে যুক্ত।

Jamaat-ud-Dawa

পাকিস্তানের সুরক্ষা কমিটির বৈঠকে এই দুই জঙ্গি সংগঠনকে অবৈধ ঘোষণা করা হয়। যদিও এটা লোক দেখানো, তাও এই ঘোষণার পর পরিষ্কার হল যে পাকিস্তান ভারত সরকারের পাল্টা হানায় কতটা আতঙ্কিত। কারণ এই জঙ্গি সংগঠন গুলোকে বছরের পর বছর পাকিস্তান পুষে এসছে। ভারত বারবার অভিযোগ করলেও, এদের বিরুদ্ধে কোন ব্যাবস্থা নেয়নি পাক সরকার।

Falah-e-Insaniat

কিন্তু এখন ভারতের পাল্টা হানা আর কূটনৈতিক চালে আতঙ্কিত হয়ে অবশেষে এদের নিষিদ্ধ করতে বাধ্য হল পাক সরকার। আর করবেই না কেন? নরেন্দ্র মোদীর নেতৃত্বে থাকা ভারত সরকার এখন পাকিস্তানকে হাতে মারার আগে ভাতে মারার সবরকম পরিকল্পনা করে নিয়েছে।

প্রথমে পাকিস্তানের থেকে মোস্ট ফেভারিট নেশন এর মর্যাদা কেড়ে নিয়েছে । তারপর পাকিস্তান থেকে ভারতে আমদানি হওয়া প্রতিটা দ্রব্যের উপর ২০০ শতাংশ অতিরিক্ত শুল্ক চাপিয়ে দিয়েছে । পাকিস্তান মুখে যতই ফটর ফটর করুক না কেন, ভারতের এই দুই কড়া সিদ্ধান্তে পাকিস্তানের অর্থনীতি একেবারে গর্তে ঢুকে গেছে।

তারপর ভারত জৈশ এর জঙ্গি মৌলানা মাসুদ আজহারকে আন্তর্জাতিক জঙ্গি ঘোষণা করার জন্য উঠেপড়ে লাগে। আর ভারতের সমর্থনে এই মামলায় পাশে এসে দাঁড়ায় ভিটো ক্ষমতাসীন তিনটে দেশ। পাকিস্তানের সমর্থনে শুধু চীন। আবার ভারতের সাথে যুদ্ধ লাগলে ইজরায়েল আর ইরান ভারতকে আনলিমিটেড সমর্থন দেওয়ার কথা ঘোষণা করেছে। এর ফলেও চরম চাপে পরে গেছে পাকিস্তান।

মোদী সরকারের সফল কূটনীতির ফলে আজ বিশ্বে একঘরে হতে চলেছে পাকিস্তান। আগামী এক্মাসের মধ্যে আরও খারাপ অবস্থা হবে ওদের। তারমধ্যে ভারত সরকার তিনটি নদীর জল পাকিস্তানে না পাঠানোর সিদ্ধান্ত নিয়ে পাকিস্তানকে পিপাসায় মারার ও সিদ্ধান্ত নিয়ে নিয়েছে। আর এইসব কারণেই পাকিস্তান আজ চাপে পরে তাঁদের লালিত পালিত জঙ্গি সংগঠনকে নিষিদ্ধ করতে বাধ্য হল।

একদিন এমনও আসবে যেদিন, পাক প্রধানমন্ত্রী নিজে হাফিজ সাইদ আর মাসুদ আজহারকে ভারতে হাতে তুলে দিতে বাধ্য থাকবে।

7 Comments

Leave a Reply

Your email address will not be published.