Press "Enter" to skip to content

মোদীর এক সিদ্ধান্তে ভেঙে পড়ল পাকিস্থানের অর্থব্যবস্থা ! ১০ হাজার কোটি টাকার বড়ো ক্ষতি পাকিস্থানের।

: প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর কূটনীতির কারনে, পাকিস্তানের অর্থব্যবস্থায় হলো বড় ক্ষতি !

কিছুমাস আগেই ইমরান খান ের প্রধানমন্ত্রী পদে বসেছেন, ের দায়িত্ব কাঁধে নেওয়ার সাথে উনি এর বিকাশের জন্য মাঠে নেমেছেন। কিন্তু এখন পর্যন্ত ের সাথে ভালো সম্পর্ক গড়ে তুলতে পারেনি। অন্যদিকে ের শক্তিশালী প্রধানমন্ত্রী পাকিস্থানকে আন্তর্জাতিক স্তরে বিচ্ছিন্ন করে দিয়েছেন। মোদী পাকিস্থানকে ভাতে মেরে ফেলতে শুরু করে দিয়েছেন ২০১৪ থেকেই যার প্রভাব এখন খুব ভালোভাবেই দেখা যাচ্ছে। ২০১৩ সালে ের এক বিখ্যাত সাংবাদিক দাবি করেছিল যদি ের ক্ষমতা নরেন্দ্র মোদীর হাতে চলে আসে তাহলে ২০২০ এর মধ্যে শেষ হয়ে যাবে। এমনকি CIA এমন ইঙ্গিত দিয়েছিল যার প্রমান এখন হাতেনাতে মিলছে।

আরও পড়ুন: রামমন্দিরের জন্য কানুন আনার প্রক্রিয়া শুরু! রাজ্যসভায় পেশ করা হবে বিল।

নরেন্দ্র মোদী আন্তর্জাতিক স্তরে পাকিস্থানের অবস্থা এমন বেহাল করেছেন যে পাকিস্থান আর ঘুরে দাঁড়ানোর অবস্থাতেও নেই। মোদীর তীব্র কূটনীতির কারণে চীন ছাড়া বাকি সমস্থ দেশ পাকিস্থানে নিবেশ ও অর্থ সাহায্য বন্ধ করে দিয়েছে। ফলে পাকিস্থান লাগাতার বিদেশি মুদ্রার অভাবে ভুগতে শুরু করেছে। জানিয়ে দি পাকিস্থান এমন একটা দেশ যা ইসলামের নামে ভারত ছাড়াও আফগানিস্থানেও আতঙ্কবাদ ছড়ায়। এই কারণে মোদী কূটনীতির মধ্যমে আফগানিস্থানে চলা পাকিস্তানের বিজনেসের অর্ধেক ভারতের দিকে টেনে নিয়েছেন।

অর্থাৎ সোজা ভাষায় ভারত এখন আফগানিস্থানে পাকিস্থানের মার্কেট পুরো ডুবিয়ে দিয়েছে। আফগানিস্থানের জয়েন্ট চেম্বার্স এন্ড ইন্ডাস্ট্রি চেয়ারম্যান জুবের বলেছেন আফগানিস্থানে পাকিস্থান তাদের ৫০% ব্যাবসা হারিয়েছে অন্যদিকে ভারত ৫০% ব্যাবসা বৃদ্ধি করে নিয়েছে। এই কারণে পাকিস্তান ২ বছরে ১০ হাজার কোটি টাকা ক্ষতি করেছে। এই সময় পাকিস্থান খুবই আর্থিক সংকটের মধ্যে দিয়ে যাচ্ছে তার মধ্যে এত বড়ো ক্ষতি তাদের চিন্তায় ফেলেছে।

, নরেন্দ্র মোদী

এখন যদি পাকিস্থান ইসলামের নামে চলা আতঙ্কবাদী সংগঠন ও জঙ্গিদের উপর ফান্ডিং করা বন্ধ না করে তাহলে পাকিস্থান পুরো শেষ হয়ে যাবে। যদি পাকিস্থান আতঙ্কবাদ বন্ধ করে তাহলেও সচল অর্থনীতিতে ফিরে আসতে পাকিস্থানের ৩ বছর সময় লাগবে। কিন্তু পাকিস্থানের সরকার সম্পূর্ন তদের সেনার নির্দেশে চলে তাই এখন আতঙ্কবাদ বন্ধ করবে না বলেই অনুমান করা হচ্ছে।