Press "Enter" to skip to content

পাক অধিকৃত কাশ্মীর থেকে পালিয়ে আসা জঙ্গিরা পোল খুলে দিলো পাকিস্থানের! আন্তর্জাতিক স্তরে অপমানিত ইমরান খান।

পাকিস্তান হল একটা সন্ত্রাসবাদী দেশ এই বিষয় আর কোনো দেশের কাছে লুকিয়ে নেই।
পাকিস্তান সবসময় চাই যে ভারতে জঙ্গি প্রবেশ করিয়ে ভারতের ক্ষতি করতে। এখন এই ধরণের একটা ঘটনা হাতেনাতে ধরা পড়েছে। আপনাদের জানিয়ে রাখি পাকিস্তান কিছু তীব্র ভারত বিরোধী যুবক কে ভারতের বিরুদ্ধে ব্যাবহার করার জন্য ঠিক করেছিল। তাই তাদের কে পাকিস্তানের মুজফফরাবাদে বন্দি করে ট্রেনিং দেওয়া হচ্ছিল। কিন্তু এবার সেই যুবকরাই খুলে দিল পাকিস্তানের সন্ত্রাসবাদী মুখোশ। সেই সমস্ত ট্রেনিং প্রাপ্ত সন্ত্রাসবাদী সেখানকার জেল থেকে পালিয়ে ভারতে চলে এসেছে এবং তারা প্রত্যেকেই ভারতীয় সেনাবাহিনীর কাছে আত্মসমর্পণ করেছে।

এই তিন জন যুবককে জিজ্ঞাসাবাদ করার পর জানা গিয়েছে যে কাশ্মিরের যুবকদের কেমন ভাবে লোভ দেখিয়ে ভারতের বিরুদ্ধে ব্যাবহার করত পাকিস্তানি জঙ্গি সংগঠন গুলি। কিন্তু পাকিস্তানের মুখোশ খোলা সেই যুবকেরা কে? আসুন জেনে নেওয়া যাক। মোহাম্মদ সোফি ভাট যার বয়স মাত্র ২২ বছর। সাজ্জাদ আহমদ ওয়ানি নামে এক সসন্ত্রাসবাদী যার ২০ বছর বয়স আর একজন হল ২১ বছর বয়সী আবিদ আহমেদ দার।

এরা প্রত্যেকেই কাশ্মিরের বান্দিপোরার বাসিন্দা। জানা গিয়েছে এই তিন জন কে পাকিস্তানি সেনাবাহিনী ধরে নিয়ে যায় এবং তাদের কে সেখানকার জেলে ভরে দেওয়া হয়। তারপর শুরু হয় তাদের ব্রেন ওয়াস। এই তিন জন যুবকে এমনভাবে ব্রেন ওয়াস করা হয়েছিল যে, তারা যেকোনো মুহূর্তে ভারতের বিরুদ্ধে অস্ত্র ধরতে রাজি ছিল।

একটি বিশেষ সূত্রে জানা গিয়েছে যে, পাক অধিকৃত কাশ্মীরে পাকিস্তানের একটি গোপন জেল রয়েছে, সেখানে তারা কাশ্মীরি যুবকদের লোভ দেখিয়ে নিয়ে যাওয়া হয় এবং সন্ত্রাসবাদী গড়ে তোলার ট্রেনিং দেয় যাতে তারা ভারতের ক্ষতি করতে কাজে লাগানো যায়। জানলে অবাক হবেন যে, সেই জেলে সন্ত্রাসবাদের কামান্ডোরাও আসে শুধুমাত্র সেই সকল কাশ্মীরি যুবকদের ইসলামের নামে ব্রেন ওয়াস করবার জন্য যাতে তারা ভারতের বিরুদ্ধে যেকোনো প্রকার অস্ত্র তুলতে রাজি হয়ে যায়। প্রথমে পাকিস্তানি সেনা কাশ্মীরি যুবকদের কে ধরে নিয়ে যায়।

তারপর তাদের কে সেই জেলে নিয়ে গিয়ে নির্যাতন করে সন্ত্রাসবাদী হতে বাধ্য করা হয় পরে তাদের হাতে A.K 47 বন্ধুক তুলে দিয়ে ভারতের বিরুদ্ধে সন্ত্রাসবাদী কাজকর্মে নিযুক্ত করা হয়। কিন্তু তাদের কে কি করে ধরে নিয়ে যায় পাকিস্তানি সেনা। আজ আপনাদের সামনে সেই সত্যিও তুলে ধরা হবে। প্রথমে পাকিস্তানি সেনা কাশ্মিরের যুবকদের তাদের দেশে(ে) আসতে কোনো বাঁধা দেয় না অর্থাৎ সীমান্তে তাদের কে সহজেই যেতে দেওয়া হয়।

তারা যেই সীমানা অতিক্রম করে সেই তাদের কে ধরে নিয়ে যাওয়া হয় সেই জেলে তারপর তাদের কে তুলে দেওয়া হয় জঙ্গি গোষ্ঠী গুলির হাতে তারা সেই সমস্ত যুবক দের পুরোপুরিভাবে ট্রেনিং দিয়ে ভারতের বিরুদ্ধে লড়াই করার জন্য বাধ্য করে। এমটাই জানিয়েছেন সেই জেল থেকে পালিয়ে আসা তিন জন কাশ্মীরি যুবক। এই খবর আন্তর্জাতিক হওয়ার পর থেকে এখন পর্যন্ত পাকিস্থান মুখ খোলেনি। আন্তর্জাতিক মিডিয়া সংস্থাগুলি এই নিয়ে পাকিস্থানের প্রধানমন্ত্রীর তীব্র নিন্দা করেছে। অবশ্য পাকিস্থানের কিছু মিডিয়া এটাকে ভারতের ষড়যন্ত্র বলে দাবি করেছে।
#অগ্নিপুত্র