ভিখারী দশা পাকিস্থানের! ভারতীয় মুদ্রা এবার পাকিস্থানি মুদ্রার তুলনায় কয়েকগুণ শক্তিশালী।

সম্পূর্ণভাবে বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে পাকিস্থানের অর্থব্যবস্থা। ভারতের কূটনীতি পাকিস্থানোর উপর এমন ভারী পড়েছে যে সমস্ত দেশ পাকিস্থানকে ফান্ডিং করা বন্ধ করে দিয়েছে। ইসলামের নামে ধার্মিক উন্মাদনা ছড়াবে নাকি নিজেদের সংসার বাঁচাবে সেটাই এখন বুঝে উঠতে পারছে না কট্টরপন্থী পাকিস্থানিরা। পাকিস্থানের প্রধানমন্ত্রী ইমরান খান অর্থব্যবস্থা সচল করার একদিকে যখন পোল্ট্রি চাষ ও মোষ পালনের চিন্তাভাবনা করছে, তখন আরো একটা বড়ো ঝটকা সামনে চলে এসেছে পাকিস্তানের কাছে। প্রাপ্ত খবর অনুযায়ী, ভারতীয় মুদ্রা পাকিস্থানি মুদ্রার তুলনায় ২ টাকা বেশি উপরে চলে এসেছে। ১ আমেরিকান ডলারের তুলনায় ভারতের মুদ্রা যেখানে ৬৯.৭৭ এ এসে দাঁড়িয়েছে।

সেখানে পাকিস্থানের মুদ্রা ১ আমেরিকান ডলারে ১৪৪ টাকায় গিয়ে দাঁড়িয়েছে। পাকিস্থানের খারাপ ইকোনমি ও পাকিস্তানের ভুল নীতির কারণে পাকিস্থানের মুদ্রার মূল্য লাগাতার কমেই চলেছে। অন্যদিকে মোদীর হাত ধরে ভারতের ইকোনমি উপরে উঠে চলেছে। কিছুমাস আগেই ভারত আফ্রিকার দুই দেশকে আর্থিক সাহায্য করে এসেছে। শুধু এই নয়, সম্প্রতি ভারত মালদ্বীপকে ২ বিলিয়ন ডলার আর্থিক সাহায্য দান করার ঘোষণা করেছে।

যাতে মালদ্বীপ চীনের ঋণ মিটিয়ে চীনের প্রভাব নষ্ট করতে পারে এবং সেখানে ভারতের প্রভাব বৃদ্ধি করতে পারে। অর্থাৎ ভারত এখন অন্যান দেশকে অর্থ সাহায্য করতে শুরু করেছে। সেই জায়গায় পাকিস্থান ছোট বড়ো সমস্থ দেশের কাছে অৰ্থ সাহায্য তথা ভিক্ষা চাইছে। আর্থিক বিশেষজ্ঞদের মতে ভারতের অর্থব্যাবস্থা আরো মজবুত হবে এবং পাকিস্থানের অর্থব্যবস্থা আরো দুর্বল হয়ে ডলারের তুলনায় ১৫০ এর পরিসংখ্যান পর করে যাবে।

ভারতে নিরীহ সেজে বসে থাকা কট্টরপন্থীরা এখন পাকিস্থানকে আর্থিক সাহায্য পাঠানোর চেষ্টা করছে। কিছু মিডিয়া খোলাখুলি পাকিস্থানকে সাহায্যে জন্য ভারতের এগোনো উচিত বলে দাবি করছে। ভারতে থাকা পাকিস্থান সমর্থক মিডিয়াগুলোর দাবি এখন মোদী সরকারের উচিত পাকিস্থানের সাহায্য করা। অর্থাৎ নিজের পায়ে কুড়ুল মারার জন্য ভারতীয়দের উৎসাহিত করছে পাক সমর্থক মিডিয়া। অবশ্য মোদী সরকার পাকিস্থানকে কোন সাহায্য করবে না , এর ইঙ্গিত স্পষ্টভাবে দিয়েছে।

প্রিয় পাঠকদের জন্য প্রশ্নঃ পাকিস্থানের ভেঙে পড়া অর্থ ব্যাবস্থার উপর আপনাদের প্রতিক্রিয়া অবশ্যই জানান।

Leave a Reply

Open

Close