Press "Enter" to skip to content

ভারতের চক্রবুহে ফেঁসে গেল পাকিস্থান!লোকসভা নির্বাচনের আগে মোদী সরকার করতে চলেছে এই কাজ।

নরেন্দ্র মোদী ক্ষমতায় আসার পর থেকে ের আসল রূপ পুরো বিশ্বের কাছে পর্দাফাঁস হয়েছে। কট্টরপন্থী জিহাদিদের দেশ পাকিস্থানকে এবার ের মোদী সরকার জালে ফাঁসিয়ে নিয়েছে। এর ফলে পাকিস্থানের মধ্যে হওয়া অস্বস্থির ছাপ সম্পূর্ন দেখা যাচ্ছে। ইসলামের নামে দেশকে ভাগ করে পাকিস্থান তৈরি হওয়ার সময় ের বেশকিছু ঐতিহাসিক স্থল যেমন মন্দির, গুরুদুয়ারা ইত্যাদি পাকিস্থানের হাতে চলে গেছিলো। তার মধ্যে বহু মন্দিরকে পাকিস্থানের কট্টরপন্থীরা জিহাদের নামে ভেঙে ফেলেছে এবং বহু স্থান এখন রক্ষণাবেক্ষনের অভাব ভুগছে। একইভাবে পাকিস্থানের কট্টর মানসিকতার সাথে জুড়ে থাকা কিছু স্থান ে রয়েছে যার উপর পাকিস্থান নিজের অধিকার দেখানোর চেষ্টা করে।

মোদী সরকার আসার আগে পাকিস্থান বহুবার এই জায়গা নিয়ে ভারতকে চিটিও পাঠিয়েছিল। মোদী সরকার আসার আগে যতগুলি সরকার ভারতে ক্ষমতায় এসেছে প্রত্যেকটি তথাকথিত সেকুলার সরকার হওয়ার কেউই পাকিস্থানের দাবির উপর কোনো কথা বলতে পারেনি। কিন্তু মোদী ক্ষমতায় এসে সেই জায়গার উপর নিজের কবজা বসিয়ে দিয়েছে যা পাকিস্থানকে ব্যাতিবস্ত করে তুলেছে।

পাকিস্থান ভারতের যে স্থানের উপর নিজের প্রভাব দেখানোর চেষ্টা করে তা হলো জিন্না হাউস(মোহম্মদ জিন্নার বাংলো)। মোহম্মদ জিন্না পাকিস্থান দেশের সৃষ্টিকর্তাদের মধ্যে একজন।তবে এখন মোদী সরকার একটা বড় ইঙ্গিত দিয়েছে। মোদী সরকার জিন্না হাউসকে ভেঙে গুঁড়িয়ে সেখানে আন্তর্জাতিক মিটিং স্থল তৈরি করতে পদক্ষেপ নিচ্ছে। পকিস্থান তাদের প্রভু জিন্নাহর বাংলো রক্ষার জন্য ভারতকে আবেদন পর্যন্ত জানিয়েছে।

লোকসভা নির্বাচনের আগেই জিন্না হাউসের অস্থিতকে মুছে ফেলা হবে এবং সেখানে আন্তর্জাতিক মিটিং এর টাউন হল তৈরি করা হবে। এখন পাকিস্থানের অসস্থি বহুগুন বেড়ে গেছে কারণ পাকিস্থান কোনোভাবেই ভারতের কাছে থেকে জিন্না হাউস ছিনিয়ে নিতে পারছে না। বর্তমানে মোদী ক্ষমতায় থাকায় ইসলামিক আতঙ্কবাদ প্রবেশেরও কোনো সুযোগ নেই। এখন পাকিস্থান মন থেকে চেয়েও তাদের দেশের প্রভু তথা সৃষ্টিকর্তা জিন্নাহর বাংলো বাঁচাতে অক্ষম।

7 Comments

Leave a Reply

Your email address will not be published.