Press "Enter" to skip to content

পাকিস্থানে ঢুকে গুপ্ত অপারেশন! মেরে ফেলা হলো ভারত বিরোধী কট্টরপন্থী মৌলানা শামিউল হককে।

ের বড়ো নেতা, ইসলামিক ধর্মগুরু ও একইসাথে মৌলানা শামিউল হককে মেরে ফেলা হয়েছে। মৌলানা শামিউল হোক একজন অনেক বড়ো পাকিস্থানি ছিল একইসাথে একজন বড়ো নেতা ছিল। আসলে পাকিস্থানের বড়ো বড়ো আতঙ্কবাদীরাই বড়ো আতঙ্কবাদীর পদ পেয়ে থাকে। মৌলানা শামিউল হক নামক এই আতঙ্কবাদীকে পাকিস্থানে তাবিলানের পিতা বলা হতো। এই জিহাদি উন্মাদী ভারতকে গজবা এ হিন্দ অর্থাৎ ভারতকে ইসলামিক দেশে পরিণত করার মিশনে ছিল। এখন এই কুখ্যাত উন্মাদীকে পাকিস্থানের ভেতরেই শেষ করে দেওয়া হয়েছে। জানিয়ে দি, পাকিস্থানে এই তালিবানির কোনো শত্রু ছিল না কারণ পাকিস্তানের সরকার, জনগণ ও পাকিস্থান সেনার খুব প্রিয় ছিল এই উন্মাদী।

তবে আজ সন্ধেয় এই উন্মাদী জিহাদিকে অজ্ঞাত ব্যাক্তি গুলি করে শেষ করে দিয়েছে এবং তারপর অজ্ঞাত ব্যাক্তিকে আর খুঁজে পাওয়া যায়নি। পাকিস্থানের জনগণ ও মিডিয়া এই নিয়ে হতবাক যে এই তালিবানি নেতাকে কে হত্যা করেছে। পাকিস্থানে এমনিতেই ইমরান খানের সরকার রয়েছে যিনি এনার শিষ্য। এই ঘটনার পর সবথেকে বেশি চিন্তিত পাকিস্থানের মিডিয়া এবং জঙ্গি হাফিজ শাহিদ। হাফিজ শাহিদ ভয়ে গা ঢাকা দিয়েছে বলে শোনা যাচ্ছে।

হাফিজ শাহিদ

পাকিস্থানে কি করতে পারে এটা শুধু তার একটা নমুনা, কোনো দিন খবর আসবে যে হাফিজকও শেষ করে দেওয়া হয়েছে। এরপর কোনো দিন খবর আসবে দাউদ ইব্রাহিমকেও শেষ করে দেওয়া হয়েছে। কিছু সপ্তাহ আগে নেপালে মুম্বাই হামলায় জড়িত এক আতঙ্কবাদীকে এইভাবেই শেষ করে দেওয়া হয়েছে। এখন আপাতত পাক মিডিয়া ও রাজনেতারা মোদী ও দোভালের নাম মুখে না আনলেই তাদের জন্য মঙ্গল হবে।

প্রাপ্ত খবর অনুযায়ী, মৌলানা শামিউল হককে শেষ করে দেওয়ার পর থেকে উন্মাদী হাফিজ শাহিদ পাক সেনারা ক্যাম্পে স্মরণ নিয়েছে। হাফিজ এখন কোনোভাবেই ঝুঁকি নিতে চাইছে না। হাফিজ জ শামিউল এরা সকলে সেই লোকজন যারা ভারতকে ইসলামিক দেশ তথা গাজবা হিন্দ করার হুমকি দেয়, ভারত থেকে কাশ্মীরকে আলাদা করার হুমকি দেয়।