Press "Enter" to skip to content

“ভারত অনেক এগিয়ে, মোদীকে দেখে পাকিস্তানের শেখা উচিত ” – পাকিস্তানি মিডিয়া।

বিশ্বের সবথেকে ক্ষমতাশালী নেতাদের মধ্যে থাকা রুশের রাষ্ট্রপতি লাদিমির চলে এসেছেন। পুতিন ২ দিনের জন্য সফরে এসেছেন। পুতিন দিল্লীতে নামার পর তাকে স্বাগত জানবার জন্য ের বিদেশমন্ত্রী সুষমা স্বরাজ নিজে এয়ারপোর্ট পৌঁছেছিলেন। পুতিনের এই ২ দিনের সফরে কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ চুক্তি ও রুশের মধ্যে সম্পন্ন হবে। যার মধ্যে বিশ্বের সবথেকে শক্তিশালী ও আধুনিক মিসাইল ডিফেন্স সিস্টেম s-400 রয়েছে। পুতিনের সফর নিয়ে ও বিশেষ করে খুব অস্বস্থি ও ঈর্ষা বোধ করছে। রুশ রাষ্ট্রপতির ভারত সফর নিয়ে এতটাই ঈর্ষান্বিত যে তারা পাকিস্থানের সরকারের উপর আক্রমণ করতে শুরু করে দিয়েছে। আসলে পাকিস্থানের অবস্থা খুব খারাপ হয়ে পড়েছে যার জন্য কোনো শক্তিশালী দেশের প্রধান পাকিস্থান আসা তো দূর, পাকিস্থানের প্রধানমন্ত্রীকে নিজের দেশের আমন্ত্রণ পর্যন্ত করে না।

অন্য দিকে নরেন্দ্র মোদী ক্ষমতায় আসার পর থেকে লাগাতার বিশ্বের শক্তিশালী দেশগুলি ভারতের সাথে সুসম্পর্ক গড়ে তোলার জন্য ব্যস্ত হয়ে পড়েছে। মোদী প্রধানমন্ত্রী পদে বসার পর আমেরিকা, রুশ সহ বাকি শক্তিশালী দেশের রাষ্ট্রপতিরা ভারতে এসে চুক্তি করে যাচ্ছে যা কোনোভাবেই পাকিস্থানি মিডিয়ার গলা দিয়ে পার হচ্ছে না। এক উচ্চপদস্থ পাকিস্থানি মিডিয়া কর্মী বলেন, ” ের মতো বড়ো বড়ো নেতারা নিজে আসছেন , যেখানে আমাদের দেশে কুয়েত থেকে আসা অতিথিদের মানি ব্যাগ পর্যন্ত চুরি করে নেওয়া হচ্ছে।” মোদীর থেকে শিক্ষা নেওয়ার জন্য সরকারকে পরামর্শ পর্যন্ত দিয়ে দিয়েছে

পাকিস্থানের সরকারকে উপর আক্রমণ করে মিডিয়া বলে, ” ভারতের নিয়ে নেতারা ডায়ালগবাজি করলেও, এটা সত্য যে ভারত দেশ পাকিস্থানের থেকে অনেক এগিয়ে গেছে। আর পাকিস্থানের নেতারা শুধু মোদী মোদী করতে ব্যস্ত।” পুতিনের ভারত সফর নিয়ে পাকিস্থানে হৈচৈ রয়েছে কারণ ভারত s-400 মিসাইল পেতে চলেছে। যার পর বিশ্বের কোনো দেশের বায়ু সেনা ভারতের দিকে চোখ তুলে তাকাতে পারবে না। কারণ এই মিসাইলের জবাব এখনও অবধি আবিষ্কার হয়নি।

পাকিস্থানের মিডিয়া এই নিয়ে পাকিস্থানের সরকারের উপর লাগাতার আক্রমণ করছে। যদিও যতদিন না পর্যন্ত পাকিস্থান জঙ্গি উৎপাদন বন্ধ করছে ততদিন পাকিস্থানে কোনো ক্ষমতাশালী দেশের নেতা পা রাখবে না।আন্তর্জাতিক মহলে নরেন্দ্র মোদী ও সুষমা স্বরাজ পাকিস্থানের সম্পূর্ণ পোল খুলে দিয়েছে। ফলে কোনো বড়ো কোম্পানি পাকিস্থানে ইনভেস্ট করতে রাজি হচ্ছে না। পাকিস্থান বর্তমানে কাঙাল দেশে পরিণত হয়েছে।