Press "Enter" to skip to content

সর্দার প্যাটেলের মূর্তির জন্য ২.৫ লক্ষ মানুষ পাবেন রোজকার! তৈরি হবে নতুন কর্মসংস্থান, এলাকার হবে বিকাশ।

সর্দার বল্লভ ভাই প্যাটেলের বিশালাকায় উধবোধনের পর থেকে বামপন্থী মানসিকতার লোকজন খুব অস্থিতে রয়েছে। ভারতের মহাপুরুষকে সন্মান জানিয়ে এত বড়ো মূর্তি তৈরি করায় বামপন্থীরা নান ইস্যু দেখিয়ে মূর্তির বিরোধ শুরু করেছে। আসলে এর পেছনে মূলত দুটি কারণ রয়েছে, প্রথম এই যে এতদিন অবধি চীনে সবথেকে বেশি উচ্চতাবিশিষ্ট মূর্তি ছিল কিন্তু মোদী চীনের সেই রেভর্ড ভেঙে দিয়েছে। দ্বিতীয় কারণ এটা সকলেই জানে যে ওই মূর্তি নির্মাণের ফলে এলাকায় ব্যাপক বিকাশ হবে এবং বহুজন রোজকার পাবেন।সর্দার প্যাটেলের মূর্তি যে জায়গায় নির্মাণ করা হয়েছে ওই এলকা বেশি বিকশিত এলাকা নয়। এটা গুজরাটের নর্মদা জেলায় স্থাপন করা হয়েছে। এবার ওই স্থানে শুধু দেশের প্রান্ত প্রান্ত থেকে নয়, বিশ্বের প্রত্যেক প্রান্ত থেকে মানুষজন আসবে।

ধীরে ধীরে এলাকায় পুরো জমজমাট হবে এবং সারি দিয়ে ৫ স্টার হোটেল নির্মাণ হবে। কারণ এটা বিশ্বের সবথেকে উচ্চতম মূর্তি। প্রাপ্ত খবর অনুযায়ী, পুরো এলাকাজুড়ে প্রশস্ত রাস্তা নির্মান করার কাজ শুরু হবে একই সাথে পরিকল্পনা মাফিক জমি রাখা হবে যাতে হোটেল রেস্টুরেন্টের চাপে ট্রাফিক জ্যাম না সৃষ্টি না হয়। শুধু এই নয় , পরিবহন ব্যাবস্থা উন্নত করার জন্য এয়ারপোর্ট পর্যন্ত তৈরি করা হবে। আগত তিন বছরের মধ্যে এই মূর্তির কারণে ২.৫ লক্ষ মানুষ রোজকার পাবে যাতে বহুলক্ষ পরিবার চলবে।

ত্রিপতি, অন্ধ্রতে মানুষ এত সংখ্যায় কি শহর দেখতে যান! না কখনোই না, সকলেই মন্দির দর্শন করতে যান। ১ টা মন্দিরে ওই এলাকায় ৩০ লক্ষ মানুষকে রোজগার দিয়েছে। এখন গুজরাটের এই মূর্তিও বহু লক্ষ মানুষের রোজগারের মাধ্যম হয়ে দাঁড়াবে। এই মূর্তির জন্য ভারতের নাম, খ্যাতি তো বাড়বেই একইসাথে এই মূর্তি স্থানীয় লোকেদের মুখে রুটি তুলে দেবে। আর এই কারণেই বামপন্থীরা সোশ্যাল মিডিয়ায় মূর্তির বিরোধ তুলেছে।

এক মূর্তি একদিকে যেমন বহু লক্ষ মানুষকে রুটি দেবে, তেমনি ভারতের যুবসমাজকে প্রেরণা দেবে ভারতের একতা বজায় রাখার নীতিকে। ভারতবর্ষ এর হিন্দু রাজার বরাবর নতুন নতুন স্মারক তৈরি করে ভারতের নাম বিশ্বে তুলতেন কিন্তু বহু সময় ধরে এই পরম্পরা বন্ধ হয়ে রয়েছে , যা আবার নরেন্দ্র মোদীর হাত ধরে ভারত শুরু করেছে। আবার ভারতবর্ষ নিজেদের ঐতিহ্য সৃষ্টির দিকে মন জুগিয়েছে।