Press "Enter" to skip to content

পেট্রোল ডিজেলের মূল্য বৃদ্ধি নিয়ে মোদী সরকার যা সিধান্ত নিলো, জানার পর ঘুম উড়বে বিরোধীদের।

মোদী আমলে খাদ্য দব্র থেকে LED লাইট সমস্থ নিত্য প্রয়োজনীয় জিনিসের দাম ব্যাপক হারে কমলেও , ের সেই হারে কমেনি। আসলে ২০১৪ সালে কংগ্রেসকে বিদায় দেওয়া পর তেলের দাম বেশ ভলোরকম কমিয়ে এনেছিল কিন্তু বিগত কিছুমাস ধরে আরো একবার পেট্রোল ের দাম বৃদ্ধি পেয়েছে। আর নিয়েই বিরোধীরা দেশে উথালপাতাল ধরিয়ে দিয়েছে। যেহেতু বাকি সমস্থ ইস্যুতে মোদী সরকার উত্তীর্ণ হয়েছে, তাই তেলের দাম নিয়েই বিরোধীরা ফায়দা লুটে নেওয়ার চেষ্টায় লেগে পড়েছে। তেলের দাম নিয়ে কখনো মিথ্যা প্রচার কখনো তেলের দাম বৃদ্ধির প্রতিবাদে নামে রাস্তায় ভাঙচুর, কিছুই বাকি রাখনি বিরোধীরা। তবে এই ইস্যুকেও বিরোধীদের কাছ থেকে ছিনিয়ে নিতে চলেছে মোদী সরকার। তেলের দাম নিয়ে চিন্তিত জনতাকে মোদী সরকার এবার জবরদস্ত উপহার দিতে চলেছে যা বিরোধীদের জন্য একটা বড়ো ঝটকার কাজ করবে।

নীতিন গতকারী কিছুদিন আগেই জানিয়েছিলেন যে ইথানল উৎপাদন কারখানার কাজ সম্পূর্ন হয়েছে, খুব তাড়াতড়ি পেট্টোল ও ডিজেলের দাম যথাক্রমে ৫৫ ও ৫০ হবে। কিন্তু তার জন্য জনতাকে আরো ৬ মাস অপেক্ষা করতে হতে পারে। তবে তার আগে তেলের সময়ে মোদী সরকার অন্যকিছু ব্যাবস্থা অবশ্যই নেবে। অপপাতত সরকার ওই বিষয়ে দুটি বড়ো সিধান্ত নিয়ে ফেলেছে। এখন ভারতী নিউজে ছাপা খবর অনুযায়ী জানা গেছে মোদী সরকার পেট্রোল ,ডিজেলের দাম এর অন্তর্গত আনার শেষ সিধান্ত নিয়ে ফেলেছে।

সুশীল কুমার মোদী এই ব্যাপারে মিডিয়ার কাছে মোদী সরকারের সিদ্ধান্তের ব্যাপারে মুখ খুলেছেন। উনি বলেন পেট্রোল ও।ডিজেলের উপর GST এর রেট ধার্য করা সম্পূর্ন হয়েছে এখন শুধু ঘোষণা বাকি রয়েছে। উনি বলেন GST কাউন্সিলিং এর বৈঠক ২৮ সেপ্টেম্বর হবে। ের দাম GST এর অন্তর্গত হলে দাম অনেকটা কম হওয়ার সম্ভাবনা দেখা যাবে। জানিয়ে দি, ছোট ব্যাবসায়ীদের জন্য আলাদা সফটওযের আনা হবে। মন্ত্রীসমূহের ১০ তম বৈঠকের পর নরেন্দ্র মোদী বলেন ১৮ কোম্পানিকে নির্বাচন করা হয়েছে ছোট ব্যাবসায়ীদের সফটওয়ার বিকাশ করার জন্য।

যার মাধ্যমে ছোট ব্যাবসায়ী GST রিটার্ন খুন সহজে দিতে পারবেন। এছাড়াও পেট্রোল ও ডিজেলের দাম কমানোর জবন এত একটা উপায় বেরিয়ে এসেছে। আসলে সরকার ইরান থেকে যে তেল আমদানি করে তা সমস্থতাই ডলারের বিনিময়ে। এখন ভারতের পরিশোধন কোম্পানিরা ঠিক করেছে যে তারা কাঁচা তেল ভারতীয় মুদ্রার বিনিময়ে আমদানি করবে। এর ফলে ডলারের মূল্য বৃদ্ধি বা হ্রাসের কোন প্রভাব পেট্রোল, ডিজেলের দামের উপর পড়বে না।

ভারতীয় মুদ্রার মধস্থার জন্য ইউকো ব্যাঙ্ক ও আইকো ব্যাঙ্ককে নির্বাচিত করা হয়েছে কারণ ডলারের সাথে এই দুটি ব্যাঙ্কের কোনো সম্পর্ক নেই। যদিও পরিশোধন কোম্পানিগুলোর প্রথম পছন্দ ইউকো ব্যাঙ্ক বলে জানা গিয়েছে। এই সমস্ত পক্রিয়া নভেম্বর মাসের ৪ তারিখ থেকে শুরু হবে বলে জানা গেছে। ভারতীয় মুদ্রার বিনিময়ে পেট্রোল, ডিজেল আমদানি হলে দামের উপর যে বড়ো পরিমান লাগাম লাগবে তা নিয়ে কোনো সন্দেহ নেই।