Press "Enter" to skip to content

কৈলাশ পর্বত ভ্রমণের ফটোশপ করা ছবি পোস্ট করে হাতেনাতে ধরা পড়লেন রাহুল গান্ধী।

দেশের রাজনীতিতে সবথেকে বিতর্ক যদি কোনো নেতাকে নিয়ে হয়ে থাকে তাহলে তিনি হলেন কগ্রেস সভাপতি । আপনাদের জানিয়ে হিন্দুদের ভোট টানার জন্য ৪৮ বছরে এই প্রথম যাত্রা করেছিলেন। আসলে মোদী সরকার আসার পর থেকে দেশের রাজনীতিতে সম্পূর্ণভাবে বদলে গেছে। আগে যেখানে হিন্দুদের আস্থাকে গুরুত্ব দেওয়া হতো না আজ হিন্দুদের একতার কারণে কংগ্রেস সহ অন্যান্য দলের নেতারা নিজেকে হিন্দু প্রমান করার জন্য ব্যাস্ত হয়ে পড়েছে। মানস সরোবর যাত্রা পথে কাঠমান্ডুর এক রেস্টুরেন্টে চিকেন কুরকুরে ও শুয়োরের মাংস খেয়েছিল বলে খবর সামনে এসেছিল যারপর থেকে মানস সরোবর যাত্রা নিয়ে বিতর্ক তুঙ্গে রয়েছে।

সময়ের হিসেব অনুযায়ী রাহুল গান্ধীর মানস সরোবর পৌঁছানোর কথা ছিল ৭ তারিক অর্থাৎ আজ কিন্তু রাহুল গান্ধী ৫ তারিখ ও ৬ তারিখ নিজের টুইটার হ্যান্ডেল মানস সরোবরে দুটি ছবি(ছবিতে রাহুল গান্ধী ছিলেন না) পোস্ট করেন। কংগ্রেস সমর্থকরা ৫ তারিক ও ৬ তারিখ দাবি করে রাহুল গান্ধী মানস সরোবর পৌঁছে গেছিলেন। তবে আজ কংগ্রেসের টুইটার হ্যান্ডেল থেকে নিজের ছবি পোস্ট করে দাবি করা হয় রাহুল গান্ধী মানস সরোবরে রয়েছেন।

যদিও বিজেপি নেতা গিরিরাজ সিং ছবিতে থাকা ত্রুটি ধরে ফেলেন আসলে ছবিতে দেহের ছায়া দেখা গেলেও রাহুল গান্ধী যে লাঠি ধরে ছিলেন তার ছায়া ছিল না। শুধু এই নয় আজ কংগ্রেসের তরফ থেকে আরো অনেক ছবি ও ভিডিও পোস্ট করা হয় কিন্তু কোনো কোনো ভিডিওতে মানস সরোবরের প্রধান পাহাড় ও রাহুল গান্ধীকে একসাথে দেখা যায়নি। আর যে ছবি পোষ্ট করা হয়েছে তা সম্পূর্ণভাবে ফটো শুটের বলে মনে করা হচ্ছে। কারণ রাহুল গান্ধী ৫ তারিখ যে ছবি পোস্ট করেছিলেন তার সাথে আজকের ছবির পার্থক্য রয়েছে।

ফোটোশপ ছবি পর কংগ্রেসের তরফ থেকে আরো একটা ছবি পেশ করা হয়। এখন এই ছবিও ফটোশপ কিনা তা জানতে হলে বিশেষজ্ঞদের দিয়ে যাচাই করিয়েই জানা যাবে। বিজেপি সমর্থকদের দাবি এই ছবিও আগের মতোই ফটোশপ ছবি কারণ রাহুল গান্ধীর কোনো ভিডিও দেখাতে পারছে না যেখানে কৈলাশ পর্বত দেখা যাচ্ছে। যে ভিডিও বের করা হয়েছে সেখানে রাহুল গান্ধী রয়েছেন কিন্তু কৈলাস পর্বত নেই। তাই সমস্ততাই কংগ্রেসের মিথ্যা প্রচার বলে দাবি অনেকের।

পাঠকদের জন্য প্রশ্নঃ রাহুল গান্ধী শিব ভক্তির কারণে মানস সরোবরে গেছেন, নাকি পুরোটাই হিন্দুদের মূর্খ বানানোর জন্য?