Press "Enter" to skip to content

লালকেল্লায় জাতীয় সংগীত হওয়ার সময় প্রধানমন্ত্রীর সাথে এমন কিছু হলো, যা জানালে আপনারও লোম খাঁড়া হবে।

দেশ আজ ৭২ তম স্বাধীনতা দিবস পালন করছে। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী তার এই ৫ বছরের এই কার্যকালের শেষ ভাষণ লালকেল্লা থেকে দিলেন। প্রধানমন্ত্রীর ভাষণের উপর আজ শুধু দেশের মানুষের নয়, পুরো বিশ্বের সচেতন মানুষদের নজর ছিল মোদীজির ভাষণের উপর। আজ সকাল সকাল প্রধানমন্ত্রী রাজঘাট পৌঁছে যান এবং সেখানে শ্রদ্ধাঞ্জলি অর্পণ করেন। এরপর উনি লালকেল্লা পৌঁছে যান যেখান উনি একটু ভাবুক হিসেবে নজরে পড়েন। আপনাদের জানিয়ে দি, দেশের প্রধানমন্ত্রী লালকেল্লায় পৌঁছালে হাততালিতে ভরিয়ে তুলেন জনগণ।

এরপর প্রধানমন্ত্রী ত্রিরঙ্গা উত্তোলন করেন এবং তারপরেই জাতীয় সংগীত বেজে উঠে যা শুনে ভারতীয়দের বুক চওড়া ও শরীরের লোম খাঁড়া হয়ে যায়। তবে সেই সময় প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীকে ভাবুক মনে হয়। ত্রিরঙ্গাকে সেলামি জানানোর পর যখন রাষ্ট্রগান চলছিল তখন প্রধানমন্ত্রীকে খুব ভাবুক মনে হচ্ছিল। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর চোখে আবেগের একটা স্পষ্ট ছবি ফুটে উঠছিল যা তিনি বক্তব্যের মাধ্যমে প্রকাশ করেননি বলে মনে করা হচ্ছে।

যদিও তারপর প্রধানমন্ত্রী জোরদার ভাষণ দেন। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী মহিলা, কৃষক, দরিদ্র, পিছিয়ে পড়া, দলিত সহ ভারতীয় বিজ্ঞানীদের প্রাক্রমনশালী লড়াই এর ব্যাপারে পক্ষ রাখেন। দেশের ভবিষ্যৎসময়কালের সম্পর্কেও বক্তব্য রাখেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। মোদীজি দেশকে পুনরায় বিশ্বগুরু করার জন্য সর্বচেষ্টা প্রয়োগ করেছেন তা নিয়ে কোনো সন্দেহ নেই আর সেই লক্ষ্যে ভারতবর্ষ কতটা এগিয়েছে তারও সংক্ষিপ্ত বিবরণ দেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী।

প্রসঙ্গ আপনাদের জানিয়ে দি প্রধানমন্ত্রী আজ লালকেল্লা থেকে টানা ৮২ মিনিটের ভাষণ দিয়ে একটা নতুন রেকর্ডও তৈরি করে ফেলছেন বলেও খবর এসেছে। ভাষণে প্রধানমন্ত্রী জম্মু কাশ্মীর থেকে শুরু করে মাওবাদী ও তিনতালাক বিল কিছুই বাকি রাখেননি। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী বিশ্বের একজন অন্যতম বক্তা হিসেবে পরিচিত তাই উনার বক্তব্য সর্বদা স্মরণীয় হয়ে থাকে তবে এবারের বক্তব্য একটু বেশি উল্লেখযোগ্য ছিল বলে মনে করা হচ্ছে।