Press "Enter" to skip to content

৯ বছর ধরে আটকে থাকা প্রজেক্ট চালু করে সম্পুর্ন করলেন মোদীজি ! পশ্চিম পেরিফেরাল এক্সপ্রেসওয়ের উদঘাটন করবেন প্রধানমন্ত্রী মোদী! Bengali News

দেশের খবর : ( western peripheral expressway ) পশ্চিম পেরিফেরাল এক্সপ্রেসওয়ের উদঘাটন করবেন প্রধানমন্ত্রী মোদী ।

মোদীজি দেশের প্রধানমন্ত্রী হওয়ার পর থেকে একের পর এক উন্নয়নমূলক প্রকল্প চালু করছেন। অনেক গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্তও উনি নিয়েছেন। তাই এবার আরও একটি দেশপ্রেম মূলক সিদ্ধান্ত নিয়ে নিলেন। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী এবার উদ্ধোধন করতে চলেছেন ওয়েস্টার্ন পেরিফেরাল এক্সপ্রেসওয়ে। জানা গিয়েছে যে আগামী সপ্তাহেই মোদীজি এই এক্সপ্রেসওয়েটির উদ্ধোধন করতে চলেছেন। আপনাদের জানিয়ে রাখি যে, মোদীজি যে নতুন পেরিফেরাল এক্সপ্রেসওয়েটির উদ্ধোধন করতে চলেছেন সেটি মিলিত হবে চারটি মহাসড়কের সাথে। এই মহাসড়ক গুলি হল N.H -1 যেটি বিস্তারিত দিল্লী-আম্বালা-অমৃতসর এর মধ্যে। N.H -২ কলকাতা-দিল্লি-আগ্রা-বারাণসী মধ্যে সংযোগ স্থাপন করেছে। দিল্লি-জয়পুর- আহমেদাবাদ মুম্বাই এর মধ্যে বিস্তারিত N.H -8, এবং N.H -10 যেটি দিল্লি-হিজার-ফজিলকা-ইন্দো-পাক সীমান্ত অব্দি বিস্তৃত। এই চারটি ন্যাশনাল হাইওয়ে এর সংযোগ যেটি লম্বা হবে ৮৩ কিমি সেটার উদ্ধোধন করবেন মোদীজি। এই পেরিফেরাল এক্সপ্রেসওয়েটি করার ফলে একদিকে যেমন উত্তর ভারতের মধ্যে যোগাযোগব্যাবস্থা উন্নত হবে সেই রকমই দক্ষিন ও পশ্চিম ভারতের অনেক ট্রাফিক কম হবে।

আপনাদের জানিয়ে রাখি, ভূমি অধিগ্রহনের সমস্যার জন্য এই পেরিফেরাল এক্সপ্রেসওয়ের কাজ বন্ধ ছিল। এই কাজ শুরু হয়েছিল ২০০৫ – ২০০৬ সালে। কিন্তু সমস্যা থাকার কারনে ২০০৯ সালে কাজ বন্ধ করে দিয়েছিল নির্মাণ কোম্পানি। সেই সময়কার কংগ্রেস সরকার কাজ শুরু করার ব্যাপারে আর জোর দেয় নি। কিন্তু মোদী সরকার আসার পর ২০১৬ সালের এপ্রিল মাসে আবার নুতন করে কাজ শুরু করেন। কিন্তু সেই প্রকল্পকে আরও উন্নত মানের করার জন্য সেটাকে চার লেনের পরিবর্তে ৬ লেন এক্সপ্রেসওয়ে করা হয়েছে। এই ৮৩ কিমি এক্সপ্রেসওয়ে করার জন্য খরচ হয়েছে প্রায় ১৮৬৩ কোটি টাকা।

western peripheral expressway

এই প্রকল্পের প্রধান দীনেশ কুমার সিং জানিয়েছেন যে, পশ্চিমী পেরিফেরাল এক্সপ্রেসওয়ে এবং পূর্ব পেরিফেরাল এক্সপ্রেসওয়ে এর মাধ্যমে একটি আলাদা ভাবে রিং তৈরি করা হয়েছে। যার ফলে প্রতিদিন অন্তত ৫০০০ বাণিজ্যিক যানবাহন দিল্লি তে প্রবেশ না করেই আলাদা রাস্তা দিয়ে অর্থাৎ এই এক্সপ্রেসওয়ে দিয়ে সরাসরি নিজেদের গন্ধ্যব্যে যেতে পারবে। এর ফলে একদিকে যেমন ট্রাফিক জ্যাম কমানো যাবে, অন্যদিকে রাজধানীতে যে দূষন হয় সেটাও অনেকটা কম করা যাবে।

এছাড়াও এই এক্সপ্রেসওয়েতে আরও একটি বিশেষ যন্ত্র ব্যাবহার করা হবে যেটা জানার পর প্রধানমন্ত্রী মোদীজির উপর আপনাদের ভক্তি অনেক গুন বেড়ে যাবে। ভারতবর্ষতে প্রথমবার এই এক্সপ্রেসওয়েতে গতি সেন্সর ও ওজন সেন্সর ব্যাবহার করা হবে। যার ফলে কোনো গাড়িতে যদি অধিক ওজন নিয়ে যাওয়া হয় বা কোনো গাড়ি যদি অধিক গতিতে যায় তাহলে ট্রাফিক পুলিশ সহজেই সেই গাড়িটিকে শনাক্ত করতে পারবেন

এছাড়াও এই এলাকাটি কে বাণিজ্যিক ভাবে উন্নতি করার জন্য শিল্পকৌশল ও অর্থনৈতিক দিকটিও দেখা হবে। এর সুন্দরতা বাড়ানোর জন্য এক্সপ্রেসওয়েটির চারিদিকে মোট ২১ টি মূর্তি স্থাপন করা হবে। সেগুলি দেখাশোনা করার জন্য আলাদা লোক রাখা হবে। এছাড়াও রেলপথের সুবিধা করা হবে। এক্সপ্রেসওয়ে সংস্থার তরফে জানানো হয়েছে যে, এই প্রকল্পটির কাজ কংগ্রেস সরকারের আমলে বন্ধ ছিল কিন্তু দেশে বিজেপি সরকার আসার পর কাজ শুরু করা হয়েছে। এর ফলে দেশের যাতায়াত ব্যাবস্থার ব্যাপক উন্নতি হবে। এর জন্য প্রধানমন্ত্রী মোদীজি কে ধন্যবাদ জানানো হয়েছে।
#অগ্নিপুত্র