Press "Enter" to skip to content

সর্দার প্যাটেলের মূর্তি নিয়ে মায়াবতী করলেন বিতর্কিত মন্তব্য! উত্তরে মোদীজি দিলেন কড়া জবাব।

সকলের জানা, প্ৰধানমন্ত্রী কয়েকদিন আগেই স্ট্যাচু অফ ইউনিটির উন্মোচন করেছেন। এখন বিশ্বের সবথেকে উঁচু মূর্তি হিসেবে দাঁড়িয়ে রয়েছে যা নিয়ে দেশজুড়ে বিতর্ক সৃষ্টি হয়েছে। স্ট্যাচু অফ ইউনিটির উচ্চতা ১৮২ মিটার যা চীন ও আমেরিকার সবথেকে উঁচু স্টাচুগুলিকে অতিক্রম করে দিয়েছে। ভারতের স্ট্যাচু ইউনিটি নিয়ে দেশের বড়ো বড়ো নেতারা নিজের নিজের মতো করে মন্তব্য প্রকাশ করেছে। কিছুজনের দাবি এটা বিশ্বে, ভারতের নাম উজ্জ্বল করেছে। কিছুজন দাবি করেছে এই মূর্তি করে অর্থ অপচয় করা হয়েছে। সম্প্রতি ের মূর্তি নিয়ে বিবাদিত মন্তব্য করেছেন যা নিয়ে চর্চা এখন সোশ্যাল মিডিয়ায় ছেয়ে রয়েছে।

বসপা সুপ্রিমো মায়াবতী বলেছেন ভারতীয় জনতা পার্টি ও RSS সর্দার প্যাটেলের মূর্তি এত টাকা খরচ করে বানিয়েছে কিন্তু আমি প্রদেশের সরকারের থাকাকালীন বাবা সাহেব আম্বেদকরের অনেক মূর্তি বানিয়েছিলাম যেগুলোকে টাকা অপচর বলে দাবি করা হয়েছিল। মায়াবতী বলেন যদি আমার সরকারের সময় লাগানো মূর্তি যদি টাকার অপচয় হয় তাহলে এটাও তো টাকার অপচয়। মায়াবতী বলেন সর্দার প্যাটেল ইংরাজি ও ইংরেজদের পছন্দ করতেন না কিন্তু মূর্তির নাম ইংরেজিতে রাখা হয়েছে যা অন্যায়।

জানিয়ে দি, প্রধানমন্ত্রী মোদী সর্দার প্যাটেলের মূর্তি উন্মোচন করার পর এক ভাষায় সমস্থ বিরোধীদের উত্তর দিয়েছেন। প্রধানমন্ত্রী তার ভাষণের মাধ্যমে সমস্থ বিরোধীদের মুখ চুপ করিয়ে দিয়েছেন। প্রধানমন্ত্রী বলেছেন, এতক কোনো সাধারণ মূর্তি নয়, এটা অনেক মানুষকে রোজকার দেবে এবং লাগাতার কর্মসংগস্থান উৎপন্ন করবে। এখানে প্রতিদিন কমপক্ষে ১৫,০০০ মানুষ মূর্তি দর্শন করতে আসবে যা একটা বড়ো রোজকার দেবে।

উনি এটাও বলেন যে, কিছুলোক যেখনে সেখানে মূর্তি স্থাপন করে দেন যাতে সরকার বা জনগণ কিছু আমদানি করতে পারে না, এগুলো শুধুমাত্র অর্থের অপচয় হয়। প্রধানমন্ত্রী বুঝিয়ে দিয়েছেন যে উনি অনেক কিছুর বিষয়ের উপর লক্ষ রেখে মূর্তি নির্মাণের কাজ করেছেন। একদিকে যেমন সর্দার প্যাটেলের মূর্তি দেশের আসল ইতিহাসকে পূর্নজিবিত করে গান্ধী পরিবারের মুখোশ খুলবে , দেশের মুখ উজ্জল করবে তেমনি একটা বড়ো রকমের লাভ সরকার করতে পারবে ও সাধারণ মানুষও রোজকার করতে পারবে।