Press "Enter" to skip to content

POK বাঁচানোর জন্য সৌদি আরবের পায়ে পড়লো পাকিস্তান! ডাকা হলো মুসলিম দেশগুলির OIC বৈঠক।

কেন্দ্রে মোদী সরকার ক্ষমতায় আসার পর থেকে ভারতের সাথে পাকিস্তান ব্যতীত বিশ্বের অন্যান্য দেশের সম্পর্ক মজবুত হয়েছে তা নিয়ে সন্দেহ নে। সৌদি আরবের সাথেও পাকিস্তানের সম্পর্ক বেশ মজবুত হয়েছে। তবে আগামী দিনে কাশ্মীর ও পাকিস্তান অধিকৃত কাশ্মীর নিয়ে এমন কিছু পরিস্থিতি উৎপন্ন হতে পারে যা সৌদি আরবের মতো দেশগুলির সাথে সম্পর্কে ব্যাঘাত ঘটাতে পারে। আসলে সবথেকে বড়ো সৌদি আরব ইসলামী দেশগুলির বিদেশমন্ত্রীদের নিয়ে ‘অর্গানাইজেশন অফ ইসলামিক কোঅপা’ () এর বৈঠক আয়োজন করেছে। এই বিষয়ের মূল বৈঠক হলো কাশ্মীর।

জানিয়ে দি, ২৬ শে ডিসেম্বর ইসলামাবাদ সফরে সৌদির বিদেশমন্ত্ৰী পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী ইমরান খানের সাথে দেখা করেছিলেন। এ সময় পাকিস্তানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী শাহ মেহমুদ কুরেশি, পররাষ্ট্র সচিব সোহেল মেহমুদ, আইএসআইয়ের মহাপরিচালক লেঃ ফয়েজ হামেদ এবং অন্যান্য উর্ধ্বতন কর্মকর্তারাও এতে অংশ নেন। বৈঠকে যুবরাজ ফয়সাল কাশ্মীর ইস্যু নিয়ে আলোচনা করার আশ্বাস দিয়েছিলেন।

এটি উল্লেখযোগ্য যে এর আগে, মালয়েশিয়ায়ও ইসলামিক শীর্ষ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা ছিল। কিন্ত সেই সময় পাকিস্তান সামিল হওয়ায় সৌদি আরব সেখানে যোগ দিতে অস্বীকার করেছিল। আর এখন সৌদি আরব OIC এর বৈঠকের আয়োজন করেছে। OIC কোন তারিখে হবে না তা এখনও ঠিক হয়নি। তবে ধারণা করা হচ্ছে যে এই বৈঠকটি ভারত ও সৌদি সম্পর্কের ক্ষেত্রে নেতিবাচকতা নিয়ে আসবে।

জানিয়ে দি, ভারত OIC এর সদস্য নয় তবে 2019 সালের মার্চ মাসে প্রথমবারের মতো ভারতকে অতিথির সম্মান হিসাবে বিদেশমন্ত্রীদের বৈঠকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছিল। পাকিস্তান এখনও কাশ্মীর নিয়ে কোনো কোনো দেশের কাছে সমর্থন পায়নি। তাই বিশেষজ্ঞদের মতে পাকিস্তান সরকার এখন POK (পাক অধিকৃত কাশ্মীর) বাঁচানোর চেষ্টায় রয়েছে। ভারতের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ POK কে ফেরত নেওয়ার ঘোষণা আগেই করেছেন। আর এখন LOC ও POK জুড়ে বেশ মুভমেন্ট দেখা যাচ্ছে। এমন পরিস্থিতিতে OIC এর বৈঠককে বেশ গুরুত্ব দিয়ে দেখা হচ্ছে।

অর্গানাইজেশন অফ ইসলামিক কর্পোরেশন (OIC) হলো ইসলামী দেশগুলির একটি সংগঠ। যেখানে 57 টি সদস্য দেশ রয়েছে। এর সদর দফতর সৌদি আরবের জেদ্দায় অবস্থিত। OIC (Organisation of Islamic Cooperation) জাতিসংঘের পরে দ্বিতীয় বৃহত্তম আন্তঃসরকারী সংস্থা। এই সংস্থার লক্ষ্য হ’ল শান্তি ও সম্প্রীতির প্রচারের চেতনায় মুসলিম বিশ্বের স্বার্থ রক্ষা ও সুরক্ষা করা।