Press "Enter" to skip to content

জনসংখ্যা নিয়ন্ত্রণ আইন আনার জন্য শীঘ্রই মাঠে নামবে মোদী সরকার!

ভারত দেশের সম্পদের একটা সীমা থাকলেও জনসংখ্যা বৃদ্ধির কোনো সীমা এখনো অবধি তৈরি করা সম্ভব হয়নি। যার জন্য আগত দিনে বড় সমস্যার সম্মুখীন হতে পারে ভারত। পরিবেশ মন্ত্রণালয় বৃদ্ধি পাওয়া জনসংখ্যার উপর যে রিপোর্ট পেশ করেছে তা যেকোনো সচেতন মানুষকে উদ্বিগ্ন করে তুলবে। রিপোর্ট অনুযায়ী ভারত যদি আজও সজাগ না হয় তবে আগত সময়ের মধ্যে ভারত বিপদে পড়বে। জনসংখ্যা বিস্ফোটের জন্য ভারতের জনগণ ফল, সবজির জন্য হাহাকার সৃষ্টি করবে। জনসংখ্যা বৃদ্ধির জন্য কৃষিপ্রধান দেশকে বাইরের দেশের কাছে হাত পেতে আমদানি করতে হবে।

ভারতের একটা বড় বর্গ জনসংখ্যা নিয়ে সচেতন হয়েছে এবং জন্মের দেওয়ার উপর নিয়ন্ত্রণ এনেছে। কিন্তু এক বিশেষ বর্গ এখনো লাগাতার দেশের জনসংখ্যা বৃদ্ধি করেই চলেছে যা পরবর্তীকালে দেশের সরকারের জন্য বড় সমস্যার কারণ হতে চলেছে। কিছুজন এখনো দেশে ৪ টি বিয়ে করে ৪০ টি বাচ্চার জন্ম দিতে ব্যাস্ত। এখন সরকার এই সমস্থ জনগণের উপর লাগাম লাগাতে না পারলে পুরো দেশ জনসংখ্যা বিস্ফোটের জন্য সমস্যায় পড়বে। ২০১৯ সালের লোকসভা নির্বাচন শেষ হলে সরকার এই আইনের উপর বিবেচনায় বসতে পারে বলে সূত্রের খবর।


দেশের এই বৃদ্ধি পাওয়া জনসংখ্যা নিয়ে চিন্তা প্রকাশ করে বিজেপিও পদক্ষেপ নেওয়ার আশ্বাস দিয়েছে। কিন্তু বিজেপি সূত্রে খবর, যদি মোদী সরকার জন্মনিয়ন্ত্রণ আইন আনার চেষ্টাও করে তাও সফল হওয়া যাবে না। কারণ রাজ্যসভায় বিলা পাস করতে পারবে না সরকার। কংগ্রেস পার্টি তাদের ভোট ব্যাঙ্কের উপর লক্ষ রেখে এই বিলকে সমর্থন জানাবে না। তাই এর জন্য দেশবাসীকে আরো কিছুদিন অপেক্ষা করতে হবে বলে জানান উনি। কিছু সপ্তাহ আগেই বিজেপির কিছু সাংসদ প্রধানমন্ত্রী মোদীর কাছে আইন নিয়ে চিঠি করেছিলেন।

রাজস্থানের পূর্ব মন্ত্রী এবং বিধানসভার প্রাক্তন নেতা গোলাপচাঁদ কাটারিয়া বলেন, যদি দেশের হিন্দুরা দুই বাচ্চা নেওয়ার নিয়মে চলছে তাহলে বাকি ধর্মের মানুষকেও এই নিয়ম মানতে হবে। আর যদি না হয় তাহলে বিজেপিকে আইন আনতেই হবে তবে তার জন্য অবশ্যই রাজ্যসভা ও লোকসভায় বহুমত চাই। কাটারিয়া বলেন, দেশের জনগণ নিজের দেশ, ধর্ম নিয়ে সচেতন নয়। যদি মানুষ সচেতন হয় তবেই তারা শক্তিশালী সরকারকে মজবুতভাবে সমর্থন জানিয়ে কাজ করিয়ে নিতে পারবে। এখনও মোদী সরকারকে কোনো বড় আইন পাশ করাতে হলে রাজ্যসভায় কংগ্রেসের মুখ দেখতে হয়। ততবে সরকার শীঘ্রই এই ইস্যুতে পরিকল্পনা নেওয়ার জন্য সিধান্ত নিচ্ছে বলে জানান বরিষ্ট বিজেপি নেতা কাটারিয়া।

7 Comments

Leave a Reply

Your email address will not be published.