Press "Enter" to skip to content

এবার জনসংখ্যা নিয়ন্ত্রণ আইনের উপর কাজ শুরু। রাষ্ট্রপতির কাছে ড্রাফ পেশ করলেন সাংসদরা।

দেশ বদলাচ্ছে, কারণ এতদিন যে দেশের মন্ত্রী সাংসদরা ভোট নেওয়ার পর নিজেদের ব্যাঙ্ক ব্যালান্স বৃদ্ধি করার জন্য লেগে পড়তেন সেই দেশের নির্বাচিত সাংসদরা এখন দেশের মানুষের মনের কথা খুলে ব্যাক্ত করছেন। আসলে ভারতের মতো দেশে জনসংখ্যা নিয়ন্ত্রন আইন খুবই জরুরি হয়ে পড়েছে। কিন্তু ভোটব্যাঙ্কের লোভে কোনো নেতা মন্ত্রী মুখ খুলতে রাজি ছিলেন না। কিন্তু এবার পরিবর্তন হয়েছে দেশের নেতা মন্ত্রীদের মানসিকতার। যার কারণে দেশের লোকসভার ১২৫ সাংসদ এবার জনগণের মনে কথা প্রকাশ করে জনসংখ্যা নিয়ন্ত্রণ আইনের দাবি উঠিয়েছে।

হ্যাঁ যে সাংসদদের আমরা ভোট দিয়ে নির্বাচিত করেছে তারা এতদিনে দেশের স্বার্থে মুখ খুলতে শুরু করেছে। এই সাংসদরা জনসংখ্যা নিয়ন্ত্রণ আইনের ড্রাফও তৈরি করে ফেলেছে যেখানে তার এই আইনের নিয়ম কানুনের একটা প্রাথমিক খসড়া দেশের সামনে প্রকাশ করেছে। পরশুদিন এই সাংসদেরা এই বিষয়ে দেশের রাষ্ট্রপতির সাথেও দেখা করেন। আগের সপ্তাহে এই বিষয়ে লোকসভায় চর্চা উঠেছিল যেখানে বিজেপি, টিডিপি ও শিবসেনার সাংসদেরা জনসংখ্যা নিয়ন্ত্রণ আইনের উপর স্পষ্ট সমর্থন জানায়।

এর আসল উদেশ্য কড়াভাবে আইন তৈরি করে দেশের লাগাতার বৃদ্ধি পাওয়া জনসংখ্যার উপর লাগাম লাগানো। ড্রাফে বলা হয়েছে আইন জাতি ধর্ম এর উপরে করা হবে এবং দুটো বাচ্চা নেওয়ার পর যদি কেউ তৃতীয় বাচ্চা নেয় তাহলে তাদের উপর কড়া পদক্ষেপ নেওয়া হোক। ড্রাফ অনুযায়ী তৃতীয় বাচ্চার জন্ম দিলেই মা বাবার প্রাপ্ত সরকারি সমস্ত সাবসিডি বন্ধ করা হবে এবং মাতা পিতার সরকারি চাকরি থাকলে সেটাও কেড়ে নেওয়া হবে। তৃতীয় বাচ্চা হওয়ার পর যদি চতুর্থ বাচ্চা হয় তাহলে বাবা মাকে ১০ বছর জেল দেওয়ার কথা বলা হয়েছে আইনে।

বিজেপি সাংসদ সঞ্জীব পালোয়ান বলেন, আজ দেশে এই আইনের খুব প্রয়োজন রয়েছে,আইন এমন তৈরি হোক যাতে আইন ভঙ্গ করলে জেলের বন্দোবস্ত করা হয়। উদয় প্রসাদ সিং বলেন, প্রত্যেক ব্যাক্তির এই ইচ্ছা যে দেশে জনসংখ্যা নিয়ন্ত্রণ আইন আনা হোক কারণ দেশ জনসংখ্যা ধারণের সর্বোচ্চ মাত্রার ব্যারিকেটকে ভেঙে ফেলেছে। বিজেপির আরেক সাংসদ বলেন, আমরা দেশের যতই উন্নতি করি না কেন জনসংখ্যা নিয়ন্ত্রণ আইন না আনলে আমার দেশকে সেই হারে কখনোই উন্নতি করতে পারবো না।