Press "Enter" to skip to content

কংগ্রেস নেতা পর্দাফাঁস করে বললেন , “কোরানের দিব্যি খেতে পারি, হোটেলে রাহুল গান্ধী ও নীরব মোদী…”

বিজয় মালিয়াকে নিয়ে দেশে রাজনৈতিক তর্ক বিতর্ক শুরু হয়ে গিয়েছে। ও মেহুল চোকসির নামও এই তালিকায় রয়েছে। হীরা ব্যাবসায়ী PNB ব্যাঙ্ক ঘোটালা করে দেশ থেকে হয়েছে। ও নীরব মোদীর সম্পর্ক নিয়ে দাপুটে এবং বড়ো নেতা শাহাজাদ পুনওয়ালা বড়ো পর্দা ফাঁস করেছেন। জানিয়ে দি মদ ব্যাবসায়ী দাবি করেছে যে সে দেশ ছাড়ার আগে অর্থ মন্ত্রীর সাথে দেখা করেছিল এবং সেটেলমেন্ট করেছিল। যদিও অর্থমন্ত্রী এই দাবি সম্পূর্ণভাবে অস্বীকার করেছে। অন্যদিকে নেতা শাহাজাদ পুনওয়ালা , রাহুল গান্ধী সম্পর্কে বড়ো পর্দাফাঁস করেছে। শাহজাদ বলেন, নীরব মোদীকে যখন লোন দেওয়া হচ্ছিল তখন রাহুল গান্ধী এক বিশেষ কার্যক্রমের আয়োজন করেছিলেন এবং সেখানেই তার সাথে দেখা করেছিলেন।

শাহাজাদ পুনওয়ালা বলেন, ২০১৩ সালে ককটেল পার্টিতে রাহুল গান্ধী, নীরব মোদীর সাথে সাক্ষাৎ করেছিলেন যা তিনি বর্তমানে অস্বীকার করেছেন। শাহাজাদ বলেন, এই সাক্ষাৎ তখন হয়েছিল যখন পলাতক নীরব মোদী ও মেহুল চোকসিকে লোন দেওয়া হয়েছিল। শাহাজাদা বলেন, এটা চরম সত্য এবং এর জন্য সে কোরানের দিব্যি খেতেও রাজি। এটা প্রমাণের জন্য উনি ‘লায় ডিটেক্টর টেস্ট’ করাতেও রাজি। কংগ্রেস নেতা শাহাজাদা বলেন, যদি তার দাবি ভুল প্রমাণিত হয় তাহলে তিনি রাজনীতি ছেড়ে দেবেন।

আসলে কংগ্রেস সরকার এই পলাতক দূর্নীতিগ্রস্থদের লাগাতার লোন দিয়েছে এর পেছনে কংগ্রেস ও পলাতকদের সম্পর্ক রয়েছে। এখন কংগ্রেস মোদী সরকারকে হারানোর চেষ্টা করছে যখন সরলার পলাতক আর্থিক অপরাধী কানুন নিয়ে এসেছে। একই সাথে লাগাতার পলাতকদের উপর আইনি কড়া মজবুত করে চলেছে। বিরোধীরা এখন এই বিষয়ে রাজনীতি করতে শুরু করে নিজের জালেই ফাঁসছে।কারণ গান্ধী পরিবার সমস্থ কিছু নিজের হাতে রাখতে চাওয়ায় বাকি সদস্যদের সাথে দ্বন্দ সৃষ্টি হচ্ছে। যার জন্য দলের ভেতরের নেতারাই সমস্থকিছু ফাঁস করে দিতে শুরু করেছেন।

এখন দেখার যে রাহুল গান্ধী পলাতক নীরব মোদীর সাথে সাক্ষাতের ব্যাপারে কি সাফাই দেন। রাহুল গান্ধী যদি এই ব্যাপারে না মুখ খোলেন এবং নিজেদের দিকটা পরিষ্কার না করেন তাহলে কংগ্রেস ও পলাতকদের সম্পর্ক আছে বলে মনে করবে রাজনৈতিক মহল। জানিয়ে দি এখনো পর্যন্ত যতজন দুর্নীতিগ্রস্থ মানুষ দেশ ছেড়ে পলাতক হয়েছে এরা সকলেই কংগ্রেস আমলে লোন নিয়েছে। যারপর দেশ ছেড়ে পালিয়ে গেল দোষারোপ মোদী সরকারের উপর দিয়েদেওয়া হয়েছে।