Press "Enter" to skip to content

‘ভারতে নারীরা অসুরক্ষিত’- জার্মানিতে গিয়ে এইভাবেই ভারতের অপমান করলেন রাহুল গান্ধী।

রাজনৈতিক ক্ষমতায় যে সরকার থাকে তার বিরোধিতা করায় বিরোধীদের মূল কাজ। শুধু ভারত নয় প্রত্যেক লোকতান্ত্রিক দেশে এই নিয়ম রয়েছে। কিন্তু রাজনৈতিক স্বার্থে সরকারের বিরোধিতা করতে গিয়ে দেশের দুর্নাম ও দেশের ক্ষতি যদি কোনো দেশের বিরোধীরা করে থাকে তাহলে সেটা একমাত্র ভারতেই। হ্যাঁ আরো একবার মোদী সরকারের বিরোধিতা করতে গিয়ে দেশের এক বিশাল ক্ষতি করে বসলো সোনিয়া পুত্র কংগ্রেসের সভাপতি । আসলে এখন জার্মানিতে রয়েছেন। জার্মানি এই মুহূর্তে ইউরোপের মূল কেন্দ্রে পরিণত হয়েছে কারণ জার্মানির জিডিপি সবথেকে বেশি রয়েছে। জানিয়ে দি, ইউরোপে গিয়ে বেশকিছু বক্তব্য রেখেছেন যার মধ্যে ২ টি বক্তব্য মিডিয়ার খুব বেশি চর্চিত হচ্ছে। প্রথমত জার্মানিতে বলেছেন ভারতে নারীরা খুবই অসুরক্ষিত, ভারতের পুরুষ সমাজ নারীদের উপর ভীষণ অত্যাচার করে।

দ্বিতীয়ত রাহুল বলেন বেকারত্বের কারণে কম বয়সী যুবকরা যোগ দান করে। এখন প্রশ্ন উঠতে পারে যে রাহুল গান্ধীর এই মন্তব্যে ভারতের কি এমন ক্ষতি হবে। ভারত একটা দেশ প্রাচীন দেশ যার সঙ্গস্কৃতি খুবই আকর্ষণীয় আর এই দিকেই লক্ষ রেখে বহু বিদেশি পর্যটক প্রত্যেক বছর ভারতে বেড়াতে আসেন। এই কারণে এই পর্যটক ব্যাবস্থার উপর দেশের প্রায় কয়েক লক্ষ মানুষের রোজকার দাঁড়িয়ে রয়েছে। তাতে সেটা বিভিন্ন পর্যটন স্থানে থাকা হোটেলের সাথে জুড়ে থাকা মানুষ হোক , গাইডের কাজ করা ব্যাক্তি হোক বা অন্য কোনোভাবে পর্যটন কেন্দ্রের সাথে জুড়ে থাকা ব্যাক্তি হোক।

রাহুল গান্ধী ভারতের সবথেকে পুরানো দল কংগ্রেসের সভাপতি হয়ে যখন এই কথা বলেছেন তখন নিশ্চিতভাবে ইউরোপের কিছু শতাংশ মহিলার উপর এই বক্তব্যের প্রভাব পড়বে আর এতে ক্ষতি হবে ভারতের পর্যটনক্ষেত্রের সাথে জুড়ে থাকা ব্যাক্তিদের। লক্ষণীয় বিষয় এই যে রাহুল গান্ধী শুধুমাত্র নিজের ব্যক্তিগত লাভের জন্য ভারতের সম্পর্কে এই রকম কুমন্তব্য রোটিয়েছে। এটা সকলের কাছেই স্পষ্ট যে ভারতে নারীরা অন্যান্য দেশের তুলনায় অনেক বেশি সুরক্ষিত। যদিও কিছু ব্যাক্তি ভারতের দুর্নাম করার জন্য কট্টরপন্থী ইসলামিক দেশগুলির থেকেও ভারতকে অসুরক্ষিত বলে ঘোষণা করে।

দ্বিতীয়ত, রাহুল গান্ধী বলেছেন যুবকেরা বিনা রোজকারের জন্য isis এ যোগ দান করেন। আসলে এই বক্তব্যের মাধ্যমে রাহুল গান্ধী আত্নকবাদীদের মূল শিকড়ে মাটি দিয়ে সেটাকে লুকানোর চেষ্টা করছেন। একই সাথে রাহুল গান্ধী বেকার যুবকদের অপমানও করেছেন। এটা এখন যেকোনো সচেতন ব্যাক্তি জানেন যে আতঙ্কবাদীর মূল শিকড় ধর্মীয় গোঁড়ামি। কিন্তু রাহুল গান্ধী ও বামপন্থী নেতারা নিজেদের স্বার্থে মূল কারণকে লুকিয়ে রেখে এই আতঙ্কবাদীদের বাঁচানোর কাজ করে যায়।