Press "Enter" to skip to content

অসভ্যতামির সীমা ছাড়ালেন রাহুল গান্ধী! জাতীয় সংগীতের অপমান করলেন কংগ্রেস সভাপতি।

দেশের সবথেকে পুরানো রাজনৈতিক দল ও দেশে সবথেকে বেশি সময় ধরে রাজত্ব চালানো কংগ্রেসের অবস্থা এখন বেহাল হয়ে পড়েছে। ২০১৪ লোকসভা নির্বাচনে জয়লাভের পর থেকে লাগাতার প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর বৃদ্ধি পাওয়া জনপ্রিয়তা সমস্যায় ফেলেছে বিরোধী দল কংগ্রেসকে। কংগ্রেস এমন একটা দল যারা দাবি করে যে তারাই একমাত্র দেশ স্বাধীন করেছে। যদিও সত্য এই যে দেশভাগের জন্য সবথেকে জওহরলাল নেহেরু দায়ী ছিলেন। এমনকি কংগ্রেস সেই দল যাদের সভাপতি পদে এক বিদেশের মহিলাকে রাখা হয়েছিল যার উপর গোয়েন্দাগিরি করার অভিযোগ ছিল।

সম্প্রতি আরো একটা ঘটনা সামনে এসেছে যা কংগ্রেসের দেশভক্তি কতটা তা প্রমাণ করে। আসলে শনিবার দিন রাহুল গান্ধী এক সমাবেশে যোগ দিয়েছিলেন। এই সমাবেশকে রাজস্থানে কংগ্রেসের প্রচারের শুরু বলেও মনে করা হচ্ছে। এমনিতে তো রাহুল গান্ধী প্রায় ভুলভাল কান্ড ও বক্তৃতা দিয়ে থাকেন কিন্তু এবার রাহুল গান্ধী যা করেছেন তা ভুল নয় বরং একটা বড়ো অপরাধ করেছেন। রাজস্থানের জয়পুরে সভার সমাবেশ করার সময় রাহুল গান্ধী রাষ্ট্রগানের(জাতীয় সংগীত) অপমান করেন এবং সেটা ক্যামেরা বন্ধি হয়ে যায়।

আসলে সমাবেশের মঞ্চে রাহুল গান্ধীর সাথে শচীন পালেট, অশোক গালেট সহবড়ো বড়ো কংগ্রেসি নেতারা উপস্থিত ছিলেন। মঞ্চে দেশের রাষ্ট্রগান শুরু হলে রাহুল গান্ধী তার সহকারীদের সাথে গল্পগুজব ও হাসিমজাতে মেতে ওঠেন। এমনকি রাষ্ট্রগীত অনেক সময় ধরে বাজার পরেও রাহুল গান্ধী হাসি মজাতে মেতে থাকেন। পরে যখন রাহুল গান্ধী উপলদ্ধি করেন যে ক্যামেরা ও মিডিয়ার তার দিকে লক্ষ রেখেছে তখন সচেতন হয়ে তিনি নিস্তব্ধ হন।

দেশে এমন মানুষ অনেক আছে যারা দেশের রাষ্ট্রগানকে(জাতীয় সংগীত) কোন সন্মান দেন না কিন্তু রাহুল গান্ধীর মতো এখন বড়ো নেতার এই রকম আচরণ যে কত বড়ো অপরাধ তার নূন্যতম আভাস নেই কংগ্রেসের।রাষ্ট্রগানের সময় সাবধান মুদ্রায় দাঁড়িয়ে সন্মান জানানো উচিত কিন্তু রাহুল গান্ধী রাষ্ট্রগান চলার সময় নেতাদের সাথে গল্পগুজব করতে ব্যস্ত হয়ে পড়েছিলেন যা অত্যন্ত লজ্জাজনক। সবথেকে বড় ব্যাপার এই যে এটা কোনো সাধারণ নাগরিক করেন নি। এটা করেছে সেই রাহুল গান্ধী যার দল সবথেকে বেশি সময় ধরে দেশে রাজত্ব করেছেন।