Press "Enter" to skip to content

‘রাহুল গান্ধীর DNA হিন্দুও নয় আর ব্রাহ্মণও নয়’ বরং উনার DNA এই বলে সম্বোধন করলেন সম্বিত পাত্র।

কংগ্রেসের রাষ্ট্রীয় এবং সবথেকে বড়ো আধিকারিক প্রবক্তা রণদীপ সিং সূর্যেওলা আরো একবার রাহুল গান্ধীকে ব্রাহ্মণ বলে ঘোষণা করলেন। সূর্যেওলা আগেই রাহুল গান্ধীকে পৈতেধারী ও শিবভক্ত বলেছিলেন। এবার উনি রাহুল গান্ধীকে ব্রাহ্মণ বললেন। মঙ্গলবার দিন সূর্যেওলা কিছুজনকে সম্বোধিত করছিলেন সেখানেই উনি কংগ্রেস পার্টির DNA কে ব্রাহ্মণ DNA বলে দাবি করেন। সূর্যেওলা বেশকিছু পুরানো কগ্রেস পার্টির নামের উদাহরণ দিয়ে কংগ্রেস পার্টি ব্রাহ্মণ DNA যুক্ত বলে দাবি করেন। আসলে লোকসভা নির্বাচনে কংগ্রেস ব্রাহ্মণ ভোট পেতে চাইছে যার জন্য কংগ্রেসের প্রবক্তারা রাহুল গান্ধীর ব্যান্ডিং একজন ব্রাহ্মণরূপে করতে শুরু করে দিয়েছে। তাই সূর্যেওলাও রাহুল গান্ধীকে ব্রাহ্মণ বলে প্রচার শুরু করে দিয়েছে।

সূর্যেওলার বক্তব্যের উপর বিজেপির প্রবক্তা তীক্ষ্ণ জবাব দিয়েছেন। বলেন, কিছুদিন আগে মুসলিম বুদ্ধিজীবীদের কাছে গিয়ে ঘোষণা করেছিলেন যে কংগ্রেস মুসলিম পার্টি। এখন কংগ্রেস দাবি করছে ব্রাহ্মণ। সম্বিত পাত্র বলেন, ও কগ্রেসের DNA হিন্দুরও নয়, আর ব্রাহ্মহনেরও নয়। কংগ্রেসের ও রাহুল গান্ধীর DNA গিরগিটির।

পাত্র বলেন রাহুল গান্ধী ও কংগ্রেসের মধ্যে গিরগিটির DNA রয়েছে যা বদলাতে থাকে যার জন্য কখনো মুসলিম পার্টি তো কখনো ব্রাহ্মণ পার্টি হয়ে যায়। জানিয়ে দি,কয়েকমাস আগেই রাহুল গান্ধী মুসলিম বুদ্ধিজীবীদের কাছে গিয়ে কংগ্রেসকে মুসলিমদের পার্টি বলে জানিয়েছিলেন যা সেই সময় খুবই বিতর্কে উঠেছিল। প্রসঙ্গত জানিয়ে দি, কংগ্রেস এখন হিন্দুদের মূর্খ বানানোর জন্য পুরো প্রচেষ্টা লাগিয়ে দিয়েছে।

কারণ কংগ্রেস এটা পরিষ্কারভাবে জানে, ভারতের বহু সংখ্যক হিন্দুদের রাজনৈতিক স্মরণশক্তি ও রাজনৈতিক অভিজ্ঞতা খুবই কম। রাহুল গান্ধী হিন্দুদের খুশি করতে মানস সরোবর যাত্রা সরু করেছেন, মধ্যপ্রদেশে জিতলে প্রত্যেক পঞ্চায়েতে গোসালা নির্মাণের ঘোষণা করেছে। যাতে হিন্দু ভোট টেনে নেওয়া যায়। অবশ্য রাহুল গান্ধী মানস সরোবরের যাত্রা পথে কাঠমান্ডুতে চিকেন ও শুয়োরের মাংস খেয়েছে বলেও খবর প্রকাশিত হয়েছে। যার পর সেই নিয়েও বিতর্ক শুরু হয়েছে।