Press "Enter" to skip to content

রাহুল গান্ধীর পর্দাফাঁস! এই কারণে রাহুল গান্ধী যাচ্ছেন হিন্দুদের পবিত্র ধর্মস্থল।

আরো একবার তার ভন্ড রাজনীতির জন্য চর্চায় উঠে এসেছেন। আপনাদের জানিয়ে দি, আজ থেকে যাত্রা শুরু করেছেন। গান্ধীর এই যাত্রা ১২ দিনের হবে অর্থাৎ উনি সেপ্টেম্বরের ১২ তারিখে ফিরবেন। রাহুল গান্ধীর এই যাত্রা নিয়ে প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে। মনে করা হচ্ছে রাহুল গান্ধীর রি পদক্ষেপ একটা পাবলিসিটি স্টান্ট ছাড়া আর কিছুই নয়। রাহুল গান্ধি যাত্রার জন্য সম্পূর্ন ভাবে প্রস্তুতি নিয়ে চীনের রাস্তায় ের যাত্রা শুরু করবেন। ১২ দিনের এই যাত্রার জন্য রাহুই গান্ধী আজকেই রওনা দেবেন যার উপর বিভিন্ন রাজনৈতিক দল প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে। বিজেপি নেতা শাহনওয়াজ হোসেন বলেছেন নির্বাচন সামনে এলেই রাহুল গান্ধীর মনে পড়ে যায়। অন্যদিকে গিরিরাজ সিং বলেছেন রাহুল গান্ধী যাত্রায় যাত্রায় যাচ্ছেন তার জন্য শুভকামনা কিন্তু কোন রাহুল গান্ধী যাচ্ছেন?

হিন্দু রাহুল গান্ধী, খ্রিস্টান রাহুল গান্ধী নাকি জৈন রাহুল গান্ধী! আসলে রাহুল গান্ধী বিজেপির হিন্দুত্ব নীতিকে টক্কর দেওয়ার জন্য নরম হিন্দুত্ব মিথ্যা প্রকাশ করছেন যা সমগ্র দেশবাসী ধরে ফেলেছে। আসলে এর আগেও গুজরাট নির্বাচন ও কর্ণাটক নিবাচনের আগে রাহুল গান্ধী যাওয়া ছেড়ে মন্দিরে মন্দিরে যাত্রা করেছিলেন। পরে অবশ্য মুসলিম বুদ্ধিজীবীদের কাছে ও বাপরে ক্ষমা চেয়েছিলেন এবং মুসলিম পার্টি বলে মিডিয়ার কাছে স্বীকারও করেছিলেন। কিন্তু এখন আরো একবার নির্বাচন সামনে আসছে দেখে হিন্দুদের খুশি করতে মানস সরোবর যাত্রায় নেমেছেন।

হিন্দু বিরোধী রাহুল গান্ধী!

আপনাদের স্মরণ করিয়ে দি এটা সেই রাহুল গান্ধী যিনি বলেছিলেন লোকে মন্দিরে যায় মেয়েদের টোন টিটকারি কাটার জন্য, শুধু এই নয় রাহুল গান্ধী আমেরিকায় বলেছিলেন, আমি জঙ্গি বা সন্ত্রাসবাদ থেকে বেশি ভয় পাই না যতটা হিন্দুত্ব থেকে পায়। এমনকি রাহুল গান্ধী ও সোনিয়া গান্ধী ভগবান শ্রী রামকে কাল্পনিক বলেও ঘোষণা করেছিলেন। এমনকি সোনিয়া গান্ধীর নির্দেশে কংগ্রেস ভারত ও শ্রীলঙ্কার সুমদ্রপথে থাকা রামসেতুকে ভেঙে ফেলতে চেয়েছিলে। পরে অবশ্য বিজেপি সাংসদ সুব্রামানিয়াম স্বামী আদালতের দ্বারস্থ হয়ে রাম সেতু রক্ষা করেন। এখন সময় বদলে গেছে, দেশে হিন্দুত্ববাদী মোদী সরকার শাসন করছে, দেশের জনগণ রাজনীতি নিয়ে অনকেটা সচেতন হয়েছেন। যার কারণে রাহুল গান্ধী নিজের রূপ বদলে মন্দিরে ও হিন্দুদের পবিত্র স্থানে ভ্রমণ করতে শুরু করেছেন।

কর্ণাটকের নির্নাচনের আগে রাহুল গান্ধী নিজেকে পৈতেধারী হিন্দু ব্রাহ্মণ বলে ঘোষণা করেছিলেন। শুধু এই নয় রাহুলের সমর্থকরা উনাকে প্রকৃত শিবভক্ত বলেও দাবি করেছিলেন। তবে এক মন্দিরে প্রবেশকালে নিজের নাম নন হিন্দু লিস্টে লিখিয়েছিলেন। এমনকি এক মঠে গিয়ে নামাজের ভঙ্গিতে বসার জন্য সন্তের কাছে ধমকিও খেয়েছিলেন। তবে এখন হিন্দুদের আচ্ছে দিনে দেখা দিতে শুরু করেছে বড়ো বড়ো হিন্দু বিদ্বেষীরা হিন্দুদের পবিত্র স্থানের যাত্রা করতে শুরু করেছেন।যারা একদিন হিন্দুদের আতঙ্কবাদী তকমা দিয়ে জেলে দিত তারাই মোদী যুগে হিন্দু সেজে ভোটের ভিক্ষা শুরু করে দিয়েছেন।