Press "Enter" to skip to content

ভিডিওঃ রাহুল গান্ধীর নতুন ঘোষণা! বছরে ৭২ হাজার না, মাথা পিছু ৩ লক্ষ ৬০ টাকা দেবে কংগ্রেস সরকার !!!

বৃহস্পতিবার রাজস্থানের একটি জনসভার পর রাহুল গান্ধী (Rahul Gandhi ) একটি নিজস্ব টিভি চ্যানেলে দেওয়া সাক্ষাৎকারে কংগ্রেসের জয় এবং BJP এর হারের দাবি করেন। ওই সাক্ষাৎকারে রাহুল গান্ধী অনেক প্রশ্নের জবাব দেন। ওই সাক্ষাৎকারে রাহুল গান্ধীকে উত্তর প্রদেশে আর দিল্লি জোট না হওয়ার প্রশ্নও জিজ্ঞাসা করা হয়। রাহুল গান্ধী এই জোট না হওয়ার জন্য সোজাসুজি মায়াবতী, অখিলেশ এবং অরবিন্দ কেজরীবালকে দায়ী করেন।ওই সাক্ষাৎকারে রাহুল গান্ধী প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর ১৫ লক্ষ টাকা দেওয়ার প্রসঙ্গ তুলে বলেন, প্রধানমন্ত্রী এখন এই কথা আর বলতে পারবে না। আপনাদের জানিয়ে রাখি, বিরোধীরা বারবার প্রধানমন্ত্রীর দিকে অভিযোগ তুলে বলেছে যে,

বিজেপি ক্ষমতায় আসলে মোদী সবার অ্যাকাউন্টে ১৫ লক্ষ করা টাকা দেওয়ার কথা বলেছিল। কিন্তু প্রধানমন্ত্রীর পদপ্রার্থী নরেন্দ্র মোদী কোনদিনও বলেন নি যে, তিনি সবার অ্যাকাউন্টে ১৫ লক্ষ করে টাকা দেবেন। তিনি বলেছিলেন, ‘ দেশের যত টাকা বিদেশের ব্যাংকে কালো টাকা হিসেবে গচ্ছিত আছে, সেগুলো দেশে ফিরিয়ে আনতে পারলে, দেশের প্রতিটি মানুষ ১৫ লক্ষ টাকা করে পেতে পারে।” নরেন্দ্র মোদীর এই কথাকে বিকৃত করে বিরোধীরা বারবার ভুল প্রচার করে যায়।রাহুল গান্ধী ওই সাক্ষাৎকারে বলেন, আমরা দেশের কোটি কোটি মানুষকে বছরে ৩ লক্ষ ৬০ হাজার টাকা করে দেবো। এবার এর মধ্যে তাৎপর্য পূর্ণ কথা হল, কংগ্রেসের ইস্তেহারে বলা হয়েছিল যে, কংগ্রেস ক্ষমতায় আসলে দেশের প্রতিটি গরিব মানুষকে মাসে ৬ হাজার টাকা করে বছরে ৭২ হাজার টাকা দেবে কংগ্রেস সরকার।

কিন্তু এখন রাহুল গান্ধী ৭২ হাজার টাকা থেকে সোজাসুজি ৩ লক্ষ ৬০ হাজার টাকায় চলে গেছেন! যেটা সকলের জন্য বড় চিন্তার বিষয়।যদিও হিসেব করলে দেখা যায় যে, প্রতি বছরে ৭২ হাজার টাকা করে দিলে পাঁচ বছরে সেই টাকা ৩ লক্ষ ৬০ হাজার হয়। কিন্তু রাহুল গান্ধী ওই নিজস্ব টিভি চ্যানেলে দেওয়া সম্পূর্ণ সাক্ষাৎকারে নিজের বক্তব্য নিয়ে কোন সাফাই দেননি। উনি কোন সময় বলেননি যে, উনি ভুল করে বছরে ৩ লক্ষ ৬০ হাজার টাকা দেওয়ার কথা বলেছেন।এখন প্রশ্ন এটাই যে, রাহুল গান্ধী নিজেই কনফিউজ? নাকি ক্ষমতায় আসার জন্য উনি দেশের গরিব মানুষদের লোভ দেখানোর চেষ্টা করছেন?

কারণ এর আগে রাজস্থান আর মধ্য প্রদেশে কংগ্রেস কৃষি ঋণ মুকুবের প্রতিশ্রুতি দিয়ে ক্ষমতায় এসেছিল। আর সরকার গঠনের পর কৃষি ঋণ মুকুব তো দূরের কথা! ওই ঋণ মুকুবের নামে কোটি কোটি টাকার দুর্নীতি করে ফেলেছে কংগ্রেস সরকার।