Press "Enter" to skip to content

সামনে এলো মোদী যুগে রেল ব্যাবস্থার রিপোর্ট কার্ড! দেখে হুশ উড়বে বিরোধীদের।

আজকের দিনে ভারত বিকাশের নতুন নতুন উচ্চতা লাভ করেছে। এই পেছনে যদি কারোর কঠোর পরিশ্রম থেকে থাকে তাহলে তা হলো এবং উনার টিমের। ক্ষমতায় আসার পর থেকে উনি দেশের হইতে একের পর এক বড় সিধান্ত নিয়েছেন।যার জন্য বিশ্বস্তরে ভারতের একটা আলাদা পরিচয় তৈরি হয়েছে। ভারতের অর্থব্যাবস্থা ফ্রান্সের মতো দেশকে পেছনে ফেলে দিয়েছে। শুধু এই নয় মোদী সরকার নিজের কাজের মাধ্যমে বিভিন্ন ক্ষেত্রে রেকর্ড তৈরি করে ফেলেছে। সম্প্রতি ভারতের রেলওয়ে নিয়ে এমন রিপোর্ট সামনে এসেছে যা দেখার পর কংগ্রেস নেতাদের হুশ উড়ে গেছে। সেপ্টেম্বর 2017 থেকে সেপ্টেম্বর 2018 পর্যন্ত ৭৫ টি রেল দুর্ঘটনা ঘটেছে। যাতে ৪০ জন ব্যাক্তির মৃত্যু ঘটেছে। রেলওয়ের এক আধিকারিক রিপোর্ট অনুযায়ী জানান সেপ্টেম্বর 2016 থেকে সেপ্টেম্বর 2017 এর মধ্যে ৮ টি রেল দুর্ঘটনা ঘটেছে।

এই ঘটনায় ২৪৯ লোক হতাহত হয়েছিলেন। যদি সেপ্টেম্বর 2013 থেকে আগস্ট 2014 এর কথা বলা হয় তাহলে সেই সময় কংগ্রেস সরকার ছিল এবং ১৩৯ টি রেল দুর্ঘটনা ঘটেছিল। এর ফলে ২৭৫ জন মানুষ প্রাণ হারিয়েছিলেন। অন্যদিকে 2014 থেকে 2015 অবধি ১০৮ টি রেল দুর্ঘটনা হয়েছিল এবং ১৯৬ জন মারা গেছিলো। আধিকারিক রিপোর্ট পেশ করে বলেন এক সেপ্টেম্বর 2013 থেকে আগস্ট থেকে 2014 এর তুলনায় সেপ্টেম্বর 2017 থেকে আগস্ট 2018 তে এই দুর্ঘটনা প্রায় ৯৩ শতাংশ কমে গেছে।

উল্লেখ্য, মোদী সরকারের আমলে রেলওয়ের দিশা বদলে দেওয়ার জন্য রেল মন্ত্রী ে মাধ্যমে বড়ো বড়ো সিধান্ত নিয়ে তা পূরণ করার চেষ্টা চলছে। রিপোর্টে পরিষ্কার বোঝা যাচ্ছে মানুষের জীবনকে গুরুত্ব দিয়ে কাজ করেছিল এবং এখন তার ফলাফল সামনে এসেছে। রেলওয়ে কর্তৃপক্ষ দুর্ঘটনাকে মাথায় রেখে ৪ বছরে শোধরানোর চেষ্টা করেছে। জানিয়ে দি রেলওয়ে ২০২০ এর মধ্যে কিছু স্টেশনকে বিমান বন্দরের রূপে সাজানো শুরু করবে যার মধ্যে পশ্চিমবঙ্গের কিছু স্টেশন সামিল রয়েছে।

২০২০ এর মধ্যে মানব রোহিত রেলওয়ে ক্রসিংকে হটিয়ে দেওয়ার যোজনা তৈরি করছে যাতে এই দুর্ঘটনাকে সম্পূর্ণভাবে এড়ানো যায় এবং মানব জীবনকে রক্ষা করা যায়। জানিয়ে দি পীযুষ গোয়েল টিকিট বুক কোম্পানি IRCTC এর নাম বদলে দেওয়ার সিধান্ত নিয়েছে যাতে নেট ব্রাউসিং করার সময় কাউকে সমস্যায় না পড়তে হয়। গোয়েল বলেন, এই নাম স্মরণ রাখতে খুব সমস্যায় পড়তে হয় তাই পরিবর্তন করে নতুন আকর্ষণীয় নাম রাখা হবে যা সহজেই মনে রাখা যাবে। একই সাথে কিছু নতুন টেকনোলজি রেলওয়েতে আনা হবে যাতে ভারতের রেল ব্যবস্থাকে আধুনিকতার নতুন উচ্চতায় পৌঁছানো যায়।