Press "Enter" to skip to content

রাজীব কুমারের বিরুদ্ধে কড়া ব্যাবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দিলো কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রক

আইন ভাঙার জন্য কলকাতা পুলিশের কমিশনার রাজীব কুমারের বিরুদ্ধে রাজ্যকে চিঠি লিখে বিভাগীয় তদন্তের নির্দেশ দিলো কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রক। আজ ৫ই ফেব্রুয়ারি রাজ্যেয় মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জীর মুখ্যসচিব এর কাছে ওই চিঠি পাঠায় কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রক।উক্ত চিঠিতে বলা হয়েছে, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রক প্রশাসনিক সুত্র মারফত জানতে পেরেছে যে, ১৯৮৯ ব্যাচের আইপিএস অফিসার এবং কলকাতা পুলিশের কমিশনার রাজীব কুমারের বিরুদ্ধে সার্ভিস ‘রুল বুক” ভাঙার জন্য দায়ী করে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রক। উক্ত চিঠিতে রাজীব কুমারের তৃণমূল সুপ্রিমো এবং তৃণমূলের নেতা নেত্রীদের সাথে মেট্রো চ্যানেলে বসে ধর্না দেওয়ার উল্লেখ করা আছে।

 

কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকের অনুসারে রাজনৈতিক দল এবং তাঁদের নেতা নেত্রীদের সাথে ধরনায় বসে অল ইন্ডিয়া সার্ভিস কন্ডাক্ট রুলস, ১৯৬৮/এআইএস (ডি অ্যান্ড এ) রুলস, ১৯৬৮ এর অবমাননা করেছে কলকাতা পুলিশ কমিশনার রাজীব কুমার। আর সেই জন্যই স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকের চিঠিতে রাজীব কুমারের বিরুদ্ধে রাজ্যকে কড়া ব্যাবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দেয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রক।উল্লেখ্য, গত রবিবার রাজীব কুমারের বাড়ির সামনে থেকে সিবিআই কর্তাকে কলকাতা পুলিশ আটক করার পর, কেন্দ্র এবং সিবিআই এর বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্রে অভিযোগ তুলে মেট্রো চ্যানেলে ধরনায় বসেন তৃণমূল নেত্রী মমতা ব্যানার্জী। ওই ধর্নায় তৃণমূল নেত্রী মমতা ব্যানার্জীর পাশেই বসে ছিলেন, সারদা কাণ্ডের তথ্যপ্রমাণ লোপাটে অভিযুক্ত আইপিএস অফিসার রাজীব কুমার। আর সেই ধর্নায় যোগ দিয়ে ইন্ডিয়া সার্ভিস কন্ডাক্ট রুলস এর অবমাননা করেছেন আইপিএস অফিসার রাজীব কুমার।

সোমবার আইপিএস অফিসার রাজীব কুমারের বিরুদ্ধে ব্যাবস্থা নেওয়ার ইঙ্গিত দিয়েছিলেন কেন্দ্রীয় আইন মন্ত্রী রবিশঙ্কর প্রসাদ। দিল্লিতে বিজেপির সদর দরফতরে একটি প্রেস মিটিং করে উনি বলেছিলেন, ‘ যদি রাজ্যের অধীনে কাজ করা কোন আইপিএস অফিসার নিয়মকে অবজ্ঞা করে, তখন তাঁর বিরুদ্ধে পদক্ষেপ রাজ্যের নেওয়া উচিৎ। কেন্দ্র শুধু রাজ্যকে নির্দেশ দিতে পারে”আজ মঙ্গলবার কেন্দ্র থেকে সেই নির্দেশই রাজ্যকে পাঠানো হল। এখন দেখার বিষয় এটাই যে আইন অবজ্ঞা করার জন্য রাজ্য প্রশাসন ওই আইপিএস অফিসারের বিরুদ্ধে ব্যাবস্থা নেয় কি না।