Press "Enter" to skip to content

মমতার শাসনে রাজ্যে পাকিস্তান মুর্দাবাদ বলতেই শহীদ মিছিলে হামলে, পরিস্থিতি সামাল দিতে নামানো হল র‍্যাফ

পুলওয়ামায় সিআরপিএফ এর ৪৪ জওয়ান শহীদ হওয়ার পর গোটা দেশ শোকস্তব্ধ। চারিদিকে চলছে পাকিস্তানের বিরুদ্ধে বিক্ষোভ প্রদর্শন। কেউ কেউ তো যুদ্ধ ও চাইছে পাকিস্তানের বিরুদ্ধে। শুধু আম জনতাই না, এই হামলার পর চরম তেতে আছে দেশের সেনারাও।

সিআরপিএফ এর অফিসিয়াল টুইটার হ্যান্ডেল থেকে দুদিন আগে টুইট করে এই হামলার বিরুদ্ধে বদলার হুঁশিয়ারি ও দেওয়া হয়। সিআরপিএফ এর অফিসিয়াল টুইটারে লেখা হয়, ‘না ভুলব, না ক্ষমা করব। এর বদলা আমরা নেবই” শুধু সিআরপিএফই না, দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে ফেসবুক আর টুইটারে জওয়ানদের ভিডিও ভাইরাল হচ্ছে। যেখানে জওয়ানেরা বলছে আমদের ৬০ মিনিট সময় দিন, আমরা ৫৯ মিনিটে পাকিস্তান উড়িয়ে দেবো।

এই হামলার পর প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী দেশের সেনাদের পূর্ণ স্বাধীনতা দিয়েছেন। তবে স্বাধীনতা বলে এই নয় যে যা খুশি তাই করবে। যোগ্য জবাবের স্বাধীনতা দিয়েছেন তিনি। আর আমাদের সেনাও যা খুশি তাই করে না। তাঁরাও এই হামলার যোগ্য জবাব দেওয়ারই কাজ করছে।

গতকাল রবিবার ১২ঃ৩০ নাগাদ হুগলীর শ্রীরামপুরের মিল্কি বাদামতলায় বেশ কিছু সংখ্যাক মানুষ হাতে মোমবাতি নিয়ে শহীদ সেনাদের শ্রদ্ধা জানাতে একটি মিছিল করেন। ওই মিছিলে পাকিস্তান মুর্দাবাদ বলাতেই বেশ কিছু দুষ্কৃতী অতর্কিত হামলা চালায়।

এই অতর্কিত হামলার পর হতবাক হয়ে জান মিছিলে অংশগ্রহণকারীরা। তবে তাঁরাও চুপ না থেকে ওই পাকিস্তান পন্থীদের উপর আক্রমণ করে। শুরু হয় দুই পক্ষ থেকেই ইট বৃষ্টি। পেয়েই ঘটনাস্থলে পৌঁছায় পুলিশ। নামান হয় র‍্যাফ। আহতদের স্থানীয় স্বাস্থ কেন্দ্রে নিয়ে গিয়ে প্রাথমিক চিকিৎসার পর ছেড়ে দেওয়া হয়। এই ঘটনার পিছনে কারা রয়েছে সেটা খতিয়ে দেখছে পুলিশ।

শুধু এই ঘটনাই নয়, এর আগে নদীয়ার হরিণঘাটায় শহীদদের প্রতি সন্মান জানিয়ে দুষ্কৃতীদের হাতে আক্রান্ত হয়েছেন প্রাক্তন সেনা অফিসার। বারবার এই ঘটনা গুলো প্রমাণ করে দিচ্ছে যে, এরাজ্যে দেশদ্রোহীদের সংখ্যা দিনদিন বেড়েই চলেছে। এর পিছনে সায় দিচ্ছে কারা?

9 Comments

Leave a Reply

Your email address will not be published.