Press "Enter" to skip to content

মুঘল বাদশা বাবরের বংশধর এবার নেমে পড়ল রাম মন্দির বিতর্কে! বললেন, যদি ওখানে রাম মন্দির হয় তাহলে আমি….

অযোধ্যায় রাম মন্দির তৈরির মামলা সুপ্রিম কোর্টে রয়েছে যেখানে একদল তৈরির দিকে রয়েছে তেমনি অন্যদিকে ভারত ভাগের পর এদেশে থেকে যাওয়া মুসলিম সম্প্রদায়ের কিছু দল ি মসজিদ তৈরির জন্য লাগাতার দাবি করছে। কংগ্রেসও তৈরি আটকানোর জন্য সেকুলারদের সাথে মিলে কাজ করে চলেছে। যার জন্য পারস্পরিক তালমেল গড়ে উঠছে না। এখন পুরো মামলা সুপ্রিম কোর্টের হাতে রয়েছে যে সেখানে কি তৈরি হবে। এর মধ্যে নিজেকে মুঘল বাদশা বাহাদুর শাহ জাফারের বংশ বলে পরিচয় দেওয়া ইয়াকুব নিয়ে একটা বড়ো মন্তব্য করে বসেছেন। হাবিব উদ্দিন টুসি বিবাদ নিয়ে এমন মন্তব্য করেছেন যা শোনার পর সেকুলারদের মুখে তালা লেগে যেতে পারে। জানিয়ে দি, বির্তক নিয়ে হাবিবউদ্দিন মন্দির তৈরির দিকেই পক্ষপাত করেছেন।

রামমন্দির নিয়ে বারবার পারস্পরিক সম্প্রতি কথা হলেও কিছু মুসলিম সংগঠন এর বিরোধিতায় নেমে পড়ে যার জন্য বিবাদের সমাধান হয়না। এই রকম কট্টর সংগঠনের মুখ বন্ধ করতে হাবিবউদ্দিন বড়ো মন্তব্য করেছেন। ইয়াকুব মিডিয়ার সাথে কথা বলে জানিয়েছেন যে অযোধ্যায় রামমন্দির হওয়ার দিকেই আছেন তিনি এবং যদি রামমন্দির হয় তাহলে প্রথম ইট উনি রাখবেন।

উনি বলেন, হিন্দুদের উপর যে অট্টাচার হয়েছে তার জন্য আমি ক্ষমা চাইছি। কোর্ট যদি এটাকে জমির মামলা বলে তাহলে এখানে রাম মন্দির তৈরিতে প্রস্তুত আমরা। হাবিবি বলেন, মুসলিম পার্সোনাল ল বোর্ড এবং আসাউদ্দিন ওয়েসীর মতো কিছু ছোট খাটো নেতা এগুলো নিয়ে রাজনীতি করছে এবং মন্দির তৈরিতে বাধা প্রদান করছে। হাবিবি বলেন, আসাউদ্দিন ওয়েসী হায়দ্রাবাদের একটা বড়ো জোকার যে এই ইস্যুতে বাধা দেয়।

ইয়াকুব হাবিবউদ্দিন বলেন, ২০ বছর ধরে আসাউদ্দিন এইসকল নিয়েই রাজনীতি করে চলছে। উনি বলেন রাম মন্দির তৈরির অনুমতি মিললেই আমরা প্রথম ইট প্রদান করবো। আর যেহেতু ওটা বিতর্কিত মন্তব্য তাই ইসলামিক নিয়ম অনুযায়ী ওখানে কোনোদিন নামাজ হতে পারে না। তাই এটা নিয়ে লড়াই করার কোনো প্রশ্নই উঠে না বলে দাবি করেন হাবিবউদ্দিন। জানিয়ে দি এই বিষয়টিকে হিন্দুরা আস্থার বিষয় বললেও আদালত এটাকে জমির মামলা বলেছে। এখন হাবিবউদ্দিনের দাবি যদি ওটা জমির মামলা হয় তাহলে মুঘলদের বংশধর হিসেবে আমি চাই ওখানে রাম মন্দির হোক।