Press "Enter" to skip to content

মোদী সরকারের বড় সিদ্ধান্ত, এবার থেকে আর কোন চিটফান্ড কোম্পানিই প্রতারিত করতে পারবে না সাধারণ মানুষকে

পশ্চিমবঙ্গের মমতা সরকার আর কেন্দ্রে ের মধ্যে সারদা চিটফান্ড দুর্নীতি নিয়ে হওয়া রাজনৈতিক যুদ্ধের মধ্যে কেন্দ্রীয় ক্যাবিনেট চিটফান্ড গুলোতে লাগাম লাগানর জন্য এক অতুলনীয় সিদ্ধান্ত নিলো। ক্যাবিনেট আনরেগুলেটেড ডিপোজিট স্কিমে নিষেধাজ্ঞা বিল, ২০১৮তে সংশোধনের মঞ্জুরি দিয়ে দিলো। ওই সংশোধনের পর সমস্ত অনিবন্ধিত আমানত প্রকল্প গুলোকে অবৈধ মানা হবে আর তাঁর সঞ্চালন করা কর্তাদের সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত করা হবে।

কেন্দ্রীয় আইন মন্ত্রী রবিশঙ্কর প্রসাদ ক্যাবিনেটের সিদ্ধান্তের তথ্য দিতে গিয়ে বলেন, এই আইনে সবথেকে গুরুত্বপূর্ণ কথা হল যে, যেই ডিপোজিট স্কিম গুলো রেগুলেটেড না সেগুলো সব অবৈধ। রবিশঙ্কর প্রসাদ বলেন, এখন আর কেউ চিটফান্ড স্কিম চালিয়ে মানুষের কষ্টের টাকা আত্মসাৎ করতে পারবেনা।

আর কেউ চিটফান্ড স্কিম চালালে তাঁর সম্পত্তি বেচে মানুষের পয়সা ফেরত দেওয়া হবে। উন বলেন, এই বিল অনুযায়ী যদি কোন ব্যাক্তি এরকম স্কিমের বিজ্ঞাপন দিয়ে মানুষদের আকর্ষিত করার জন্য কোন বড় অভিনেতা/অভিনেত্রী অথবা প্রসিদ্ধ ব্যাক্তিকে ব্র্যান্ড অ্যাম্বাসাডার বানায়, তাহলে তাঁর উপরেও তদন্ত হবে।

কেন্দ্রীয় আইন মন্ত্রী রবিশঙ্কর প্রসাদ বলেন, সরকার এই সমস্ত কম্পানি গুলোর অনলাইন ডেটাবেস বানাবে। আইন মন্ত্রী রবিশঙ্কর প্রসাদ বলেন, ২০১৫-২০১৮ পর্যন্ত সিবিআই চিটফান্ড মামলায় মোট ১৬৬ টি কেস দায়ের করেছে। আর এগুলোর মধ্যে সবথেকে বেশি ঘটনা পশ্চিমবঙ্গ আর উড়িষ্যা থেকে এসেছে। উনি বলেন, পশ্চিমবঙ্গ থেকে আজকাল যেই মামলা সামনে আসছে, সেটা বিজেপির সরকার আসার আগেই ঘটে গেছিল। তখন কংগ্রেস আর বাম দলের নেতারা সিবিআই এর তদন্ত চেয়ে সুপ্রিম কোর্টে গেছিল।

কেন্দ্রীয় আইন মন্ত্রী রবিশঙ্কর প্রসাদ বলেন, এই ডিপোজিট স্কিম গুলোর সবথেকে বেশি প্রভাব চার রাজ্যের ক্ষুদ্র পুঁজি বিনিয়োগকারীদের উপর পরেছে। সেই চার রাজ্য গুলো হল বিহার, ঝাড়খণ্ড, পশিমবঙ্গ আর অসম।

9 Comments

Leave a Reply

Your email address will not be published.