Press "Enter" to skip to content

নেহেরুর বিশ্বাসঘাতকতা, যা লুকিয়ে ছিল এতদিন, তা দেশবাসীর সামনে এনে দিলেন মোদী সরকার।

দেশের উপর জোর করে চাপানো এক ছিলেন জওহরলাল নেহেরু। জোর করে চাপানো এই জন্যেই বলা হচ্ছে কারণ নেহেরুকে দেশের জনগণ নির্বাচন করেনি বরং জোর করে দেশের জনগণের ওপর চাপিয়ে দেওয়া হয়েছিল। সুভাষচন্দ্র বসুর সাথে ষড়যন্ত্র করার পর থেকে কংগ্রেস ও বামপন্থীরা মিডিয়ার উপর পুরো কবজা করে নিয়েছিল। এই কারণে দেশের মিডিয়া প্রথম থেকে কংগ্রেসের গুনগান গেয়ে দেশের আসল নায়কদের লুকিয়ে নেহেরু, ইন্দ্রিরা, রাজীবকে নিয়ে প্রচার করে গেছে। পরে সোশ্যাল মিডিয়া আসায় দেশের রাষ্ট্রবাদী শক্তি নিজেদের কথা ব্যাক্ত করার একটা জায়গা পেয়েছে।

আজ আমরা আপনাদের একটা বড়ো প্রমান দেখাতে চলেছি যেটা মোদী সরকারের আমলেই সার্বজনিক করা হয়েছিল। এই প্রমান আমাদের পাঠকেরা অনেকেই আগে দেখে থাকতে পারেন কারণ দেশের দু একটা মিডিয়া এই প্রমান দেখিয়েছিল কিন্তু পরে খবরটি সম্পূর্নভাবে দাবিয়ে দেওয়া হয়। নীচে যে ছবি দেখছেন এটা একটা চিঠির ছবি যেটা নেহেরু ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী অ্যাটলিকে লিখেছিল। নেহেরু চিঠিতে লিখেছে, স্ট্যালিন আপনার অপরাধী সুভাষচন্দ্র বসুকে আসার অনুমতি দিয়েছে, আপনি এই ব্যাপারে কিছু করুন।

সোজা ভাষায়, নেহেরু ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রীকে লিখেছেন যে সুভাষচন্দ্র বসু রুশ রয়েছে, রুশ আপনাদের বন্ধু। এই সুযোগে সুভাষচন্দ্রকে ধরে ফেলুন। নেহেরু চিঠিতে লিখেছে সুভাষচন্দ্র বসু একজন অপরাধী তাকে গেপ্তার করুন। নেহেরু এটা এই জন্যেই করেছিল কারণ সে জানতো, যদি সুভাষচন্দ্র বসু দেশে ফিরে আসে তাহলে তার নেতা হওয়ার দিন শেষ। এই পত্র থেকে স্পষ্ট প্রমাণিত হয় যে নেহেরু ইংরেজদের জন্য বড়ো গুপ্তচর হিসেবে কাজ করেছে।

যদিও আমাদের দেশের দালাল মিডিয়া এই ব্যাপারে কোনো কথা বলে না কারণ রাজনৈতিক পার্টির কাছে তারা নিজেদের বেঁচে দিয়েছে। এই চিঠি সহ তথ্য মোদী আমলে সার্বজনিক করা হয়েছিল কিন্তু মিডিয়া এগুলো জনগণকে না জানিয়ে কংগ্রেসের সমর্থনে নিজেদের এজেন্ডা চালিয়েছিল। আসলে ইংরেজরায় এই কংগ্রেস পার্টি তৈরি করেছিল, ইংরেজরাই প্ল্যান করে নেহেরুকে দেশের প্রধানমন্ত্রী পদে বসিয়েছিল।