Press "Enter" to skip to content

বাবরের বংশধর হলেন রাহুল গান্ধী!আফগানিস্থানে একথা স্বীকার করেছিলেন ইন্দ্রিরা গান্ধী।

বিগত দিনে কংগ্রেস দুটি ঘটনা ঘটিয়েছে আরো একবার দেশের হিন্দুদের কংগ্রেস থেকে দূরে সরে গেছে। প্রথম ঘটনা কংগ্রেসের সভাপতি রাহুল গান্ধী মন্দিরে পূজা দিতে গিয়ে নিজের গোত্র বলতে পারেননি অথচ এই রাহুল গান্ধী নিজেকে আসল পৈতেধারী ব্রাহ্মণ বলে দাবি করে। অন্যদিকে কংগ্রেসের শশী থারুরু খোলাখুলি হিন্দুদের কট্টর বলে দাবি করে দিয়েছেন। আসলে কংগ্রেস এমন হিন্দু বিমুখ হওয়ার কারণ কংগ্রেসের মধ্যে বাবরের DNA রয়েছে এবং রাহুল গান্ধী বাবরের বংশধর। এটা কোনো যুক্তিহীন কথা নয় বরং রাহুল গান্ধীর ঠাকুমা ইন্দ্রিরা গান্ধী/খান নিজে সেটা স্বীকার করেছিলেন। এই সমস্থকিছুর পর্দাফাঁস নটবর সিং করেছেন যিনি ইন্দ্রিরা গান্ধীর আমলে বিদেশমন্ত্রণালয়ের আধিকারিক ছিলেন।

পরবর্তীকালে ইনি একজন কংগ্রেসের বড়ো নেতা ও দেশের বিদেশমন্ত্রী পদেও বসেছিলেন। নটবর সিং এর বই ‘প্রোফাইল এন্ড লেটার্স’ এ গান্ধী পরিবারের DNA সম্পর্কে বলা হয়েছে। নটবর সিং যিনি পূর্ব বিদেশমন্ত্রী ছিলেন উনি ইন্দ্রিরা গান্ধীর সাথে আফগানিস্থান সফরে ছিলেন। হোটেলে থাকাকালীন হটাৎ উনি আফগানিস্থানে স্থিত বাবরের কবরে যাওয়ার সিধান্ত নিয়েছিলেন। এই সমস্থকিছু উনি তার বই ” profiles and letters” এ বলা হয়েছে।

নটবর সিং লিখেছেন, “আমিও ভারতের প্রধানমন্ত্রী ইন্দ্রিরা গান্ধীর সাথে ছিলাম, আমি ইন্দ্রিরার সাথে আফগানিস্থান এর যাত্রায় বেরিয়েছিলাম। হটাৎ ইন্দ্রিরা গান্ধী বাবরের কবরের কাছে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নেন, কেউ কারণ বুঝতে পারেননি। কিন্তু সেই সময় যেহেতু ইন্দ্রিরা প্রধানমন্ত্রী ছিলেন তাই উনাকে প্রশ্নঃ করার সাহস কারোর মধ্যে ছিল না। আমিও ইন্দ্রিরার সাথে বাবরের কবরে গিয়েছিলাম।

সেখানে ইন্দ্রিরা বাবরের কবরে মাথা ঠেকিয়েছিলেন এবং বলেছিলেন আজ হিন্দুস্তান আপনার বংশধরের হাতে আছে, আজ আবার হিন্দুস্তানে আপনার বংশধর শাসন করছে।” ইন্দ্রিরা গান্ধী নিজেকে বাবরের বংশধর দাবি করে বলেছিল যে আজ হিন্দুস্তান তার হাতে রয়েছে। জানিয়ে দি এই ইন্দ্রিরা গান্ধীর স্বামীর নাম ছিল ফিরোজ খান যার কবর এখন ইলাহাবাদে রয়েছে।ইন্দ্রিরা গান্ধীর পিতার নাম ছিল নেহেরু যিনি গিয়াসউদ্দিন গাজীর বংশধর। অন্যদিকে গিয়াসউদ্দিন গাজী ও বাবর একই বংশের ছিল। লক্ষণীয় বিষয় এখন ইন্দ্রিরা গান্ধীর নাতি রাহুল গান্ধী নিজেকে পৈতেধারী ব্রাহ্মহন বলে দাবি করে যার পার্টি আদালতে রাম মন্দিরের বিরোধিতা করে।