Press "Enter" to skip to content

শেষমেষ ছাড়া পেলেন বঙ্গবিজেপির এই বড়ো নেতা! উৎসবে মাতোয়ারা জেলা বিজেপি।

সমর্থকদের দাবি সরকার মিথ্যা মামলায় বিজেপি নেতা ও প্রচারকদের গেপ্তার করাচ্ছে। কিছুদিন আগে বীরভূমের নেতা অনুব্রত মণ্ডল সাংবাদিকদের সামনেই বিজেপি করলে গাঁজা কেসে ফাঁসিয়ে দেওয়ার আদেশ দেওয়ার ভিডিও সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হয়েছিল। যদিও দক্ষিণ কলকাতার মাঝেরহাট ব্রিজ ভাঙার পর ওই ঘটনা ধামাচাপা পড়ে যায়।
দীর্ঘ ৫৩ দিন পর ছাড়া পেলেন বিজেপি জেলা সভাপতি ও বিজেপির দাপুটে নেতা । হাইকোর্ট থেকে জামিন পেয়ে গতকাল অর্থাৎ শুক্রবার দিন ছাড়া পান বিজেপি নেতা। শুক্রবার সন্ধ্যায় বালুরঘাট সংশোধনাগার থেকে বেরোনোর মিছিল করে বালুরঘাট শহরে প্রবেশ করে বিজেপি নেতৃত্ব। গেরুয়া আবীর, ফুলের মালা ও ভালোবাসা দিয়ে স্বাগত জানান দলীয় বিজেপি কর্মী সমর্থকরা। মিছিল শেষ হওয়ার পর জেলা কার্যালয়ে দেখা করে আসেন শুভেন্দুবাবু এবং পরে সেখান থেকে রাতে তিনি নিজের বাড়ি যান। জানিয়ে দি, জেলার বিজেপির জেলা সভাপতি শুভেন্দু সরকারকে গত ১৬ জুলাই রাতে রঘুনাথপুর বাজার থেকে বংশীহারা থানার পুলিশ গ্রেপ্তার করেছিল।

আসলে তার বিরুদ্ধে বুনিয়াদপুরের প্রাক্তন বিজেপি নেত্রী মৌসুমি মজুমদারকে আত্মহত্যায় প্ররোচনা ও মানসিক হেনস্থা করার অভিযোগ ওঠেছিল। মৃতের পরিবার শুভেন্দু সরকার সহ মোট পাঁচজনের বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের করে আর সেই অভিযোগের ভিত্তিতে পুলিশ শুভেন্দু সরকারকে গ্রেপ্তার করেছিল এবং ৩০৬ ধারায় মামলা দায়ের করেছিল। তিনবার তাকে মহকুমার বুনিয়াদপুর আদালতে তোলা হয় এবং ১৭ জুলাই প্রথমে তিনদিনের হেপাজতে নেয় পুলিশ।

এরপর পরবর্তীতে আরও ৬ দিনের পুলিশি হেপাজত হয় ওই নেতার। তৃতীয়বার ফের তাঁকে আদালতে তোলা হলে ১৪ দিনের জেল হেপাজতের নির্দেশ দেন বিচারপতি। এরই মধ্যে বালুরঘাট জেলা আদালতে পুরোনো ৪টি মামলায় দু’বার তাঁকে আদালতে তোলা হয় বলে খবর পাওয়া গেছিলো।শুভেন্দু সরকারকে প্রথমে ৩ দিনের ও পরে ১৪ দিনের জেল হেপাজতের নির্দেশ দিয়েছিলেন বিচারক। এদিকে গত ৩০ তারিখের মধ্যে আদালতে জামিনের জন্য আবেদনও জানানো হয়েছিল।

শেষমেষ গতকাল উচ্চ আদালতে শুভেন্দুবাবুর জামিন মঞ্জুর হয়। শুক্রবার বালুরঘাট সংশোধনগার থেকে ছাড়া পেয়ে বেরিয়ে আসেন তিনি। বিজেপি জেলা সভাপতিকে স্বাগত জানাতে সংশোধনগার চত্বরেই হাজির ছিল জেলা নেতৃত্ব ও বিজেপি সমর্থকেরা। এই বিষয়ে বিজেপির সাধারণ সম্পাদক বাপি সরকার বলেছেন মিথ্যা ভুয়ো মামলায় গেপ্তার করা হয়েছিল দক্ষিণ দিনাজপুরের জেলা সভাপতিকে। বাপি সরকার বলেন, আমরা সত্যের পথে চলে জয়ী হয়েছি।