Press "Enter" to skip to content

শহীদদের শ্রদ্ধাঞ্জলি দেওয়ার জন্য নদীয়া জেলায় প্রাক্তন সেনা অফিসারের বাড়িতে চালানো হল ভাঙচুর!

এই আপনি মিডিয়াতে পাবেন না। কারণ ওরা কাশ্মীরি ছাত্রদের উপর ভুয়ো হামলার করতে ব্যস্ত! পশ্চিমবঙ্গের নদীয়া জেলায় এক আর্মি অফিসারের বাড়িতে হামলা হয়। ওনার বাড়িতে চলে ভাঙচুর! কারণ হল উনি এরাজ্যের বাসিন্দা হয়ে জম্মু কাশ্মীরের পুলওয়ামা জঙ্গি হামলায়  CRPF জওয়ানদের জন্য বাড়িতে মোমবাতি জ্বালিয়েছিলে।

নদীয়ার হরিণঘাটার বাসিন্দা প্রাক্তন সেনা অফিসার গৌরীশঙ্কর দে র অপরাধ একটাই তিনি পুলওয়ামায় জঙ্গি হামলায় শহীদ ৪৪ সিআরপিএফ জওয়ানদের শ্রদ্ধাঞ্জলি জানাতে বাড়িতে মোমবাতি জ্বালিয়েছেন। এরপরেই স্থানীয় মৌলোবাদীরা ওনার বাড়িতে হামলা করে ভাঙচুর চালায়। ওনার বাড়ির সামনে টানানো ওনার নেম প্লেটে কালি লাগিয়ে দিয়ে যায় ওই মৌলবাদীরা।

এই ঘটনা ১৬ই ফেব্রুয়ারি শনিবারের, গৌরী বাবু নিজের ৩৫ বছরের সার্ভিস জীবনে দুই বছর কার্গিলে মোতায়েন ছিলেন। কার্গিলে থেকে উনি দেশের রক্ষা করেছিলেন। উনি এই ঘটনার সমন্ধ্যে জানান, ‘ ওই দিন রাতে আমি রাত ১ঃ৩০ পর্যন্ত জেগে ছিলাম। পরে শবার সময় বাড়ির দরজা জানালা সব ভালো করে বন্ধ করে ঘুমাতে চলে যাই। তারপরেই আমার বাড়িতে পাঁচিল টপকে ঢুকে পরে একদল মানুষ। প্রথমে ভেবেছিলাম কোন ছেঁচরা চোর অথবা দুষ্টু ছেলেপেলের কান্ড। কিন্তু পরে বুঝতে পারলাম এটা পরিকল্পনা মাফিক হামলা! কিন্তু আমি বুঝে উঠতে পারলাম না, আমার উপরে কেন এই আক্রমণ করা হল”

এই ঘটনার তদন্তে হরিণঘাটার পুলিশ নেমেছে। তাঁরা দোষীদের ধরার জন্য আশ্বাস ও দিয়েছে প্রাক্তন সেনা অফিসারকে। তবে এক সেনা অফিসারের বাড়িতে হামলা চরম উদ্বেগ বাড়াচ্ছে। এরাজ্যে সেনা অফিসার সুরক্ষিত না, তাহলে সাধারণ মানুষ কি করে সুরক্ষিত থাকবে?

দুদিন আগেই মমতা ব্যানার্জী সর্বসমক্ষে বলে দিয়েছেন যে পাকিস্তানকে দোষ দেওয়া যাবেনা। আগে তদন্ত করতে হবে, তারপর যা বলার বলুন। বিশ্বের সবাই জানে পাকিস্তান জঙ্গির দেশ। আর সেই দেশের প্রধানমন্ত্রী ইমরান খান ও জঙ্গিদের সমর্থক। সেই দেশের জঙ্গি সংগঠন জৈশ এ মহম্মদ এই কাজ ঘটিয়েছে। এর পরেও পাকিস্তান কি করে নির্দোষ হয়?

8 Comments

Leave a Reply

Your email address will not be published.