Press "Enter" to skip to content

পূর্বপুরুষদের আত্মার শান্তির জন্য বিহারের গয়াতে পিন্ডদান করলেন রুশের মহিলারা! বললেন- হিন্দু ধর্ম সবথেকে মহান।

বিশ্বজুড়ে ভারতের পরম্পরা ও সনাতন ধর্মের একটা আলাদা পরিচয় রয়েছে। এমন অনেক দেশ রয়েছে যেখান থেকে বিজ্ঞানীরা এসে ভারতের ধর্মের উপর গবেষণা করে। আসলে অনেকের ধারণা যে সনাতন ধর্মের মধ্যেই বিজ্ঞান লুকিয়ে আছে। এই কারণেই হয়তো পুরো বিশ্ব যখন চন্দগ্রহণ, সূর্য গ্রহণের সময় জানতে বিজ্ঞানের উপর ভরসা করে তখন ভারতীয়রা তাদের পঞ্জিকা(পাঞ্জি) খুলে সব তারিখ বলে দেয়। শুধু এই নয়,ভারত সেই প্রাচীন দেশ যেখানে ৭ টি বারের (সোম থেকে রবি) আবিস্কার হয়েছে। ভারত ৭ টি বার আবিষ্কার করার পর বিশ্বের কোনো দেশ আর ৮ নাম্বার বার আবিস্কার করতে পারেনি। ভারত ও ভারতীয় সংস্কৃতিতে কিছু বিশেষ আছে যা বিজ্ঞান ও ধর্মকে এক ছাত্রার তলায় নিয়ে আসে।

এই কারণে অন্য দেশের লোকজনও ভারতের সংস্কৃতির প্রতি দারুণভাবে আকৃষ্ট হয়। জানিয়ে দি, ভিন্ন ভিন্ন দেশের লোকেরাও প্রতিবছর গয়াতে অনুষ্ঠিত পিতৃপক্ষের মেলায় এসে পৈত্রিক মুক্তির জন্য পিন্ডদান দেয়। এ বছরও সেই অনুষ্ঠানে অংশ নিতে বিদেশের লোকজন উপস্থিত হতে শুরু করছেন। বৃহস্পতিবারদিন রুশ থেকে আগত ৬ জন মহিলা পিন্ড দান করেন। রুশ থেকে আগত মহিলারা বলেন, এই কর্মকাণ্ডের গুরুত্ব এর জন্য এই স্থানের গুরুত্ব আরো বেড়ে যায়। হিন্দু সনাতন ধর্মকে মহান বলে আখ্যা দেন রুশের মহিলারা।

 

পূর্বপুরুষদের মুক্তির জন্য, রাশিয়ান মহিলারা সমস্ত আচার অনুষ্ঠান করেন এবং সনাতন ধর্ম অনুসারে ফাল্গু নদীতে ‘পিন্ড’ও দান করেন। পুরোহিত লোকনাথ গৌড় এই মহিলা কর্মীদের এই আচার প্রক্রিয়ায় সহায়তা করেন। তিনি বলেন, “পিন্ড দানের জন্য আসা মহিলারা রাশিয়ার বিভিন্ন অঞ্চলে থাকেন। এই মহিলারা হলেন এলেনা কাশিতসিনা, ইউলিয়া ভার্মিনকো, এরেসকো মাগিটা, অক্সানা কালিমেনকো, ইলোনোরা খতিবোবা এবং ইরিনা খুছমিস্তোবা।

জানিয়ে দি, হিন্দু ও বাকি ধর্মের মধ্যে একটা বড়ো পার্থক্য হলো হিন্দুরা পুনর্জন্মের বিশ্বাসী। অর্থাৎ যদি মোক্ষ না পাওয়া যায় তবে জন্ম হতেই থাকবে। অন্য ধর্মের ক্ষেত্রে জন্ম একটাই। তবে হিন্দুদের ধারণার উপর এখন বিজ্ঞানীরাও সহমত প্রকাশ করতে শুরু করেছেন। হিন্দু শাস্ত্র মতে পৃথিবীতে ৮৪ লক্ষ জীবন রয়েছে যার মধ্যে মানুষ জীবন সর্বউত্তম। একই সাথে হিন্দু একমাত্র ধর্ম যেখানে নারীদের অধিকার সবথেকে বেশি বলা হয়। নারীকে ঈশ্বরের বেশি কাছে বলে ধরা হয়। এই কারণে ভারতের কোনো গ্রামে হিন্দু দেবতার মন্দির থাক বা না থাক, দেবীর মন্দির অবশ্যই থাকবে।