Press "Enter" to skip to content

মুসলিম, খ্রিষ্টান মেয়েরা অপবিত্র করছে সবরিমালা মন্দির ! বামপন্থী সরকার দিচ্ছে সুরক্ষা ..। Bengali News

হিন্দুদের একতার অভাবে ভারতের একটা বড়ো ও পবিত্র মন্দিরকে বন্ধ করার দুর্দশা ও দুর্দিন চলে এসেছে। কেরালার সরকার হিন্দুদের মন্দরের বিরূদ্ধে পুলিশি শক্তিকে কাজে লাগাতে শুরু করেন। সাবরিমালা মন্দিরের মুখ্য পূজারী বলেছেন আমি মন্দির বন্ধ করে দেব কিন্তু কোনো মতেই মন্দিরের পবিত্রতা নষ্ট হতে দেব না। কিছু খ্রিষ্ঠান, মুসলিম ও মহিলারা কেলরার সরকারের সাহায্যে মন্দিরে প্রবেশ করে মন্দিরে প্রবেশ করার চেষ্টা করছে। জানিয়ে দি সাবরিমালা মন্দিরে কোনো মহিলা প্রবেশ করে না, কারণ এটা ওই মন্দিরের বহু পুরানো একটা বিধি। এটা কোনো নারীবিদ্বেষ নিয়ম নয়, কারণ দেশে অনেক মন্দির এমন আছে যেগুলোতে পুরুষের প্রবেশনিষিদ্ধ।

আরো পড়ুন – ব্রেকিং খবর: ১০০ টাকার নোট নিয়ে লাগু হলো নতুন নিয়ম! না মানলে হবে জেল ও জরিমানা

ওপরে যে মহিলার ছবি আপনারা দেখছেন তার নাম রেহেনা ফাতিমা, ইনি একজন সুন্নি মুসলিম। ইনি এর আগেও উপদ্রব ফেলানোর জন্য কুখ্যাত হয়েছিলেন। কেলরার সরকার পুলিশের সাহায্য এই মহিলাকে মন্দিরে ঢুকিয়ে বিধি ভাঙার চেষ্টা চালাচ্ছে। এছাড়াও কবিতা জোশী নামে এক খ্রিষ্টান মহিলা রয়েছে যাকে পুলিশ নিজেরদের পোশাক পরিয়ে সাবরিমালা মন্দিরে প্রবেশে করানোর চেষ্টা চলছে।

জানিয়ে দি কোন হিন্দু মহিলা মন্দিরে প্রবেশ করতে চাইনি কারণ তারা সকলেই মন্দিরের বিধি নিয়ম জানে। সুপ্রিম কোর্ট মন্দিরে প্রাচীন নিয়ম ভেঙে মহিলাদের প্রবেশের অনুমতি দিয়েছে। কিন্তু কোনো হিন্দু মহিলা ধর্মের নিয়ম ভাঙবেন না বলে জানিয়েছেন তবে বামপন্থী সরকার কিছু মুসলিম ও কিছু খ্রিষ্টান মহিলাকে মন্দিরে প্রবেশ করানোর চেষ্টা করছে। বিরোধকারী হিন্দু ভক্তদের পুলিশ ধরে ধরে জেলে ঢুকিয়ে দিতে শুরু করেছে। অন্যদিকে বামপন্থী সরকার খ্রিস্টান ও মুসলিম মহিলাদের মন্দিরে প্রবেশ করানো জন্য পুলিশ প্রটেকশন দিচ্ছে।

আরো পড়ুন – পাকিস্তানের এই মহিলা সাংবাদিক যখন অটলজিকে বলেছিলেন ” আমাকে বিয়ে করে কাশ্মীরি দিয়ে দিন”, উত্তরে অটলজি বলেছিলেন …

মুখ্য পূজারী জানিয়েছেন উনি কোনোভাবেই মন্দিরের পবিত্রতাতা নষ্ট হতে দেবেন না, এর জন্য উনি শেষমেষ মন্দির বন্ধ করে দিতে পারেন। মুখ্যপূজারী বলেছেন শেষমেষ উনি মন্দির লক করে দিতে বাধ্য হবেন। যেহেতু হিন্দুরা ধর্মের থেকে এখন জাতি নিয়ে বেশি মেতে থাকে তাই এক হয়ে বিরোধ করতে পারছে না বলে দাবি অনেকের। তাই হিন্দু একতার অভাবে, জাতিগত ভেদভেদের জন্য ভারতের এক বড়ো ও পবিত্র মন্দির বন্ধের মুখে।